ঢাকা , সোমবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৪, ২৪ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঈদে আসছে ‘লিপস্টিক’, প্রকাশ্যে পোস্টার Logo বিফলে কোহলির কীর্তি, বাটলারের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে রাজস্থানের চারে চার Logo বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভয়ঙ্কর ভয়াবহ দানবের আক্রমণ আমাদের ওপর চলছে। সরকার আমাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। অধিকার বঞ্চিত করা হয়েছে। নেতাকর্মীদের গুম করা হচ্ছে, পঙ্গু করা হচ্ছে, খুন করা হচ্ছে। বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের সকল স্তম্ভ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। শনিবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর ইস্কাটন লেডিস ক্লাবে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা এবং সরকার বিরোধী আন্দোলনে নিহত হওয়া ও নিখোঁজ নেতাকর্মীদের পরিবারের সম্মানে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, এই মাস পবিত্র মাস। আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করছি, আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করে দেন। যে দানব সরকার আমাদের বুকে চেপে বসেছে তা থেকে মুক্তি দিন। এ সরকারকে সরাতে না পারলে ধ্বংস হয়ে যাবে দেশ। এদের বিতাড়িত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি বড় বিজয়ের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। আমাদের নবীজিও একদিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। আমাদের অত্যাচারিত নিপীড়িত নেতাকর্মীরাও হতাশ নয়। তারা বলছে আপনারা যদি সঠিক দিকনির্দেশনা দেন, আন্দোলনের ডাক দেন, আমরা রাজপথে প্রাণ দিয়ে হলেও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করবো। বিএনপি মহাসচিব বলেন, কারাগারে ভেতর ঢাকা মহানগরের হাজারো নেতাকর্মীদের আমি দেখেছি। পবিত্র রমজানেও তারা বিনাদোষে বন্দী জীবনযাপন করছেন। আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে প্রতিনিয়ত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। ২৮ ও ২৯ অক্টোবর দুইদিনেই ৩৭ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমান কর্তৃত্ববাদী শাসক তাদের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে চায়। এর আগে তারা এই চেষ্টা করেছিল। সফল হয়নি, এবারও সফল হবে না। বিএনপি মহাসচিব ঢাকা মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামীদিনে ঢাকাকে আন্দোলনের দুর্গ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, রাজনীতিবিদদের জন্য জেলখানা সেকেন্ড হোম। আজকে গুম হওয়া পরিবারের সদস্যরা জানেন না তারা জীবিত নাকি মৃত। যার কারণে পারিবারিক সমস্যা আরও প্রকট হয়ে উঠছে। আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব চাই। বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কারও সাথে আপোষ করে না। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায় না। সেই আপোষহীন নেত্রী যখন বন্দী, তখন গণতন্ত্রও বন্দী। আজকে অন্যায় না করে জেলে যেতে হয়, খুন হতে হয়। সিপাহিদের হাতে মার খেতে হয়। অনুষ্ঠানে নিখোঁজ ও নিহত হওয়া পরিবারের সদস্যদের মাঝে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার তুলে দেওয়া হয়। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সদস্য সচিব আমিনুল হক এবং রফিকুল আলম মজনুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ঢাকা মহানগর উত্তরের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার প্রমুখ। নিখোঁজ হওয়া পরিবারের পক্ষ থেকে বিএনপি নেতা চৌধুরী আলমের ছেলে আবু সাদাত চৌধুরী ইমন, নিহত পারভেজ হোসেনের মেয়ে রিমি, সাজেদুল হকের বোন তানজিদা ইসলাম তুলি, এবং আনোয়ার হোসেনের মেয়ে রাইসা বক্তব্য দেন। দোয়া ও ইফতার মাহফিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, নিখোঁজ হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহমিনা রুশদি লুনা, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মুজিবুর রহমান সারোয়ার, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, যুগ্ম স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহবায়ক ইউনুস মৃধা, মোশাররফ হোসেন খোকন, আ ন ম সাইফুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার, তানভীর আহমেদ রবিন, মনির চেয়ারম্যান, উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, এজিএম শামসুল হক, মোয়াজ্জেম হোসেন মতি, ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টি, আকতার হোসেন, সাইদুর রহমান মিন্টু, এবিএম রাজ্জাক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। Logo আমাদের ওপর ভয়ঙ্কর দানবের আক্রমণ চলছে: ফখরুল Logo সংবাদপত্রে ৬ দিনের ছুটি Logo কেএনএফ কেন বিদ্রোহ করল, খতিয়ে দেখা হচ্ছে: কাদের Logo অস্ত্রধারীদের এই ভূখণ্ডে অপকর্ম করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo মদনগঞ্জ খান বাড়ির ঈদ সামগ্রী বিতরণ Logo বন্দর মডেল প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo ব্যাংক ডাকাতি: রুমা ও থানচি থানায় ৪ মামলা
সম্পাদকীয়

মুজিব-গণমানুষের মিথস্ক্রিয়া ও স্বাধীন বাংলাদেশ

প্রয়াত কূটনীতিবিদ ফারুক চৌধুরী তার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘জীবনের বালুকাবেলায়’ লিখেছেন, ‘অকস্মাৎ আলোচনা কক্ষের দরজাটা সশব্দে খুললেন মানি দীক্ষিত (জে এন

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভয়ঙ্কর ভয়াবহ দানবের আক্রমণ আমাদের ওপর চলছে। সরকার আমাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। অধিকার বঞ্চিত করা হয়েছে। নেতাকর্মীদের গুম করা হচ্ছে, পঙ্গু করা হচ্ছে, খুন করা হচ্ছে। বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের সকল স্তম্ভ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। শনিবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর ইস্কাটন লেডিস ক্লাবে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা এবং সরকার বিরোধী আন্দোলনে নিহত হওয়া ও নিখোঁজ নেতাকর্মীদের পরিবারের সম্মানে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, এই মাস পবিত্র মাস। আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করছি, আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করে দেন। যে দানব সরকার আমাদের বুকে চেপে বসেছে তা থেকে মুক্তি দিন। এ সরকারকে সরাতে না পারলে ধ্বংস হয়ে যাবে দেশ। এদের বিতাড়িত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি বড় বিজয়ের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। আমাদের নবীজিও একদিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। আমাদের অত্যাচারিত নিপীড়িত নেতাকর্মীরাও হতাশ নয়। তারা বলছে আপনারা যদি সঠিক দিকনির্দেশনা দেন, আন্দোলনের ডাক দেন, আমরা রাজপথে প্রাণ দিয়ে হলেও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করবো। বিএনপি মহাসচিব বলেন, কারাগারে ভেতর ঢাকা মহানগরের হাজারো নেতাকর্মীদের আমি দেখেছি। পবিত্র রমজানেও তারা বিনাদোষে বন্দী জীবনযাপন করছেন। আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে প্রতিনিয়ত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। ২৮ ও ২৯ অক্টোবর দুইদিনেই ৩৭ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমান কর্তৃত্ববাদী শাসক তাদের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে চায়। এর আগে তারা এই চেষ্টা করেছিল। সফল হয়নি, এবারও সফল হবে না। বিএনপি মহাসচিব ঢাকা মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামীদিনে ঢাকাকে আন্দোলনের দুর্গ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, রাজনীতিবিদদের জন্য জেলখানা সেকেন্ড হোম। আজকে গুম হওয়া পরিবারের সদস্যরা জানেন না তারা জীবিত নাকি মৃত। যার কারণে পারিবারিক সমস্যা আরও প্রকট হয়ে উঠছে। আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব চাই। বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কারও সাথে আপোষ করে না। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায় না। সেই আপোষহীন নেত্রী যখন বন্দী, তখন গণতন্ত্রও বন্দী। আজকে অন্যায় না করে জেলে যেতে হয়, খুন হতে হয়। সিপাহিদের হাতে মার খেতে হয়। অনুষ্ঠানে নিখোঁজ ও নিহত হওয়া পরিবারের সদস্যদের মাঝে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার তুলে দেওয়া হয়। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সদস্য সচিব আমিনুল হক এবং রফিকুল আলম মজনুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ঢাকা মহানগর উত্তরের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার প্রমুখ। নিখোঁজ হওয়া পরিবারের পক্ষ থেকে বিএনপি নেতা চৌধুরী আলমের ছেলে আবু সাদাত চৌধুরী ইমন, নিহত পারভেজ হোসেনের মেয়ে রিমি, সাজেদুল হকের বোন তানজিদা ইসলাম তুলি, এবং আনোয়ার হোসেনের মেয়ে রাইসা বক্তব্য দেন। দোয়া ও ইফতার মাহফিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, নিখোঁজ হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহমিনা রুশদি লুনা, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মুজিবুর রহমান সারোয়ার, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, যুগ্ম স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহবায়ক ইউনুস মৃধা, মোশাররফ হোসেন খোকন, আ ন ম সাইফুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার, তানভীর আহমেদ রবিন, মনির চেয়ারম্যান, উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, এজিএম শামসুল হক, মোয়াজ্জেম হোসেন মতি, ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টি, আকতার হোসেন, সাইদুর রহমান মিন্টু, এবিএম রাজ্জাক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।