ঢাকা , শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ৪ আশ্বিন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উপনির্বাচনে জিতলেন আ.লীগের সাজু

উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার মৃত্যুতে শূন্য হওয়া সংসদীয় আসন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) এর উপনির্বাচনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু। তিনি তার নিকটতম প্রার্থী সাবেক সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা থেকে ২৮ হাজার ৫৫৭ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন।

রোববার (৫ নভেম্বর) রাতে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম

ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের ১৩২টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান আলম সাজু পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৩১৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধা পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৫৫৭ ভোট। তিনি নির্বাচনে কলার ছড়ি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

এছাড়া, জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকে অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ ভাসানী পেয়েছেন ৩ হাজার ১৮৬ ভোট, জাকের পার্টির মো. জহিরুল ইসলাম জোয়েল গোলাপ ফুল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬১ এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক আম প্রতীকে পেয়েছেন ৭৩৯ ভোট। এই নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৩৫৭টি।

এর আগে, আজ সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ। নির্বাচন চলাকালে প্রকাশ্যে সিল মারা, এজেন্ট বের করে দেওয়া ও ভোটার লিস্টে ইচ্ছাকৃত গড়মিলসহ অনিয়মের নানা অভিযোগ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা।

জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু বলেন, ৫০ বছর পর এই আসন থেকে আওয়ামী লীগ জয় পেয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ সেপ্টেম্বর উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া মারা যাওয়ায় এই সংসদীয় আসনটি শূন্য হয়। পরে এ আসনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আব্দুস সাত্তার ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) থেকে বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচিত হন। গত বছরের ডিসেম্বরে দলীয় সিদ্ধান্তে পদত্যাগ করেন তিনি। পদত্যাগের পর নিজের ছেড়ে দেওয়া আসনের গত ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত উপ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি পুণরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উপনির্বাচনে জিতলেন আ.লীগের সাজু

আপডেট সময় ০৯:১৪:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০২৩

উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার মৃত্যুতে শূন্য হওয়া সংসদীয় আসন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) এর উপনির্বাচনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু। তিনি তার নিকটতম প্রার্থী সাবেক সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা থেকে ২৮ হাজার ৫৫৭ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন।

রোববার (৫ নভেম্বর) রাতে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম

ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের ১৩২টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান আলম সাজু পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৩১৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধা পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৫৫৭ ভোট। তিনি নির্বাচনে কলার ছড়ি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

এছাড়া, জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকে অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ ভাসানী পেয়েছেন ৩ হাজার ১৮৬ ভোট, জাকের পার্টির মো. জহিরুল ইসলাম জোয়েল গোলাপ ফুল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬১ এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক আম প্রতীকে পেয়েছেন ৭৩৯ ভোট। এই নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৩৫৭টি।

এর আগে, আজ সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ। নির্বাচন চলাকালে প্রকাশ্যে সিল মারা, এজেন্ট বের করে দেওয়া ও ভোটার লিস্টে ইচ্ছাকৃত গড়মিলসহ অনিয়মের নানা অভিযোগ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা।

জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু বলেন, ৫০ বছর পর এই আসন থেকে আওয়ামী লীগ জয় পেয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ সেপ্টেম্বর উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া মারা যাওয়ায় এই সংসদীয় আসনটি শূন্য হয়। পরে এ আসনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আব্দুস সাত্তার ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) থেকে বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচিত হন। গত বছরের ডিসেম্বরে দলীয় সিদ্ধান্তে পদত্যাগ করেন তিনি। পদত্যাগের পর নিজের ছেড়ে দেওয়া আসনের গত ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত উপ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি পুণরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।