গজারিয়া ( মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় সহকারী কমিশনার ভূমি কার্যালয়ে কর্মরত কানুনগো মাসউদ আলম হাওলাদারের বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে মিস কেইস পরিচালনায় ঘুষ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার ২৭ আগস্ট দুপুরে মিস কেইস ৪৬৮/২৪-২৫ এর বাদী মিনারা বেগম ঘুষ দেয়ার বিষয়টি সংবাদ কর্মীদের অবগত করেন।
অনুসন্ধানে পাওয়া যায় বাউশিয়া ইউনিয়ন মধ্যবাউশিয়া মৌজায় আর এস খতিয়ান ৩০৫,আর এস দাগ ৪২০,৪২১ মোট ভূমি ৯৩ শতাংশ এর মধ্যে এক আনা রেকর্ডিও মালিক বাদী মিনারা বেগম।
অভিযোগকারী মিনারা বেগম জানান ছোটবেলায় আমার বাবা-মা মারা যায়। বর্তমানে আমার স্বামীর একাধিক অপারেশনে অর্থ রিক্ত অসহায় । ওয়ারিশ সূত্রে পাওনা বর্তমান আর এস রেকর্ডে তার নাম রয়েছে। মিস কেইস করতে গিয়ে ভূমি অফিসের একজন লোক আমাকে কানুনগো সাথে কথা বলতে বলেন। আমি প্রয়োজনীয় কাগজ দাখিল করে আমার পরিবারের অসহায়ের কথা তাকে অবগত করি।
প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র দেখে কানুনগো মাসুদ আলম হাওলাদার বলেন আপনাকে ৬০ হাজার টাকা দিতে হবে। অর্থ হীন পরিবারের অসহায় মিনারা বেগম একপর্যায়ে ঋণ করে ১০ হাজার টাকা কানুনগো মাসুদ আলম হাওলাদারকে দেন এবং প্রতি হাজিরায় উপস্থিত থাকি। রায় প্রদানের দিন কানুনগো আমাকে ভূমি সংলগ্ন গোল ঘড় অফিসে বসিয়ে রাখে সারাদিন। পরবর্তীতে সে আমাকে গড়হাজিরা দেখিয়ে শুনানি শেষ করে কোম্পানির পক্ষে রায় দিতে সহায়তা করেন ।
অভিযুক্ত কানুনগো ভূমি অফিসার মাসউদ আলম হাওলাদার সংবাদ কর্মীদের জানান আমি ওনার পক্ষে রিপোর্ট প্রদান করেছি। রিপোর্টে উল্লেখ করেছি উনার প্রাপ্য ভূমি বিক্রি করেন নাই। মিনারা বেগম থেকে কখনো টাকা চাই নাই এবং টাকা নেয়ার কথাটি সত্য না। মিস কেইসের রায় প্রাপ্ত জেএমআই কোম্পানিতে কর্মরত ভূমি সংক্রান্ত প্রকৌশলী হাসান জানান বিষয়টি আদালতের, আদালতেই আমরা জবাব দিয়ে থাকি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি আমরা হতে চাই না।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম জানান ঘুষ নেয়ার সত্যতা পাওয়া গেলে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়াা হবে ।।