ঢাকা , বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্টাফ কোয়ার্টারের কক্ষ থেকে হিসাবরক্ষকের লাশ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় রিমার্ক এইচবি লিমিটেড নামের বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের স্টাফ কোয়ার্টারের কক্ষ থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের হিসাবরক্ষকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (২২ জানুয়ারি) তার লাশ উদ্ধার করে গজারিয়া থানা পুলিশ।

নিহতের নাম সোহেল রানা (৩০)। তিনি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার জগরমান গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া (শান্তিনগর) এলাকার প্রসাধনী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রিমার্ক এইচবি লিমিটেডে হিসাবরক্ষক হিসেবে গত এক বছর ধরে চাকরি করছিলেন।

সহকর্মীরা জানান, গত বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) তাকে সর্বশেষ দেখা গেছে। সেদিন পার্শ্ববর্তী একটি দোকান থেকে প্রয়োজনীয় মালামাল কিনতে দেখা গেছে। সেখান থেকে রান্নার জন্য কিছু মালামাল কিনে নিজের কক্ষে ফিরে আসেন। এরপর তাকে আর কেউ দেখেননি।

প্রতিষ্ঠানটির মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা এস এম নাসির উদ্দিন বলেন, তিনি গত এক বছর ধরে আমাদের প্রতিষ্ঠানে হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্টাফ কোয়ার্টারে একটি রুম নিয়ে তিনি একাই থাকতেন। নিজে রান্না করে খেতেন। গত বৃহস্পতিবার তাকে সর্বশেষ দেখা যায়। তারপর থেকে তার কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ। এদিকে শুক্রবার ও শনিবার প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান থাকায় সবাই অনুষ্ঠান নিয়ে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। রবিবার সকালে তাকে অফিসে না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়।

তিনি বলেন, দুপুরে স্টাফ কোয়ার্টারে গিয়ে তার রুমটি ভেতর থেকে আটকানো দেখতে পাই। দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরও কোনও সাড়াশব্দ না পাওয়ায় পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। পুলিশ এবং স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে তালা ভেঙে দেখা যায়, নিচের বিছানায় উল্টা হয়ে পড়ে আছেন সোহেল রানা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৃহস্পতিবার রাতের কোনও একসময় তার মৃত্যু হয়েছে। স্ট্রোক করে তার মৃত্যু হতে পারে।

বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানার ওসি মোল্লা সোহেব আলী জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি লাশ উদ্ধার করেছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। তবে লাশের গায়ে কোনও আঘাতের চিহ্ন না থাকায় বিষয়টিকে প্রাথমিকভাবে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের পর সেটি নিশ্চিত করে বলা যাবে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

স্টাফ কোয়ার্টারের কক্ষ থেকে হিসাবরক্ষকের লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৩:৩৯:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় রিমার্ক এইচবি লিমিটেড নামের বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের স্টাফ কোয়ার্টারের কক্ষ থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের হিসাবরক্ষকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (২২ জানুয়ারি) তার লাশ উদ্ধার করে গজারিয়া থানা পুলিশ।

নিহতের নাম সোহেল রানা (৩০)। তিনি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার জগরমান গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া (শান্তিনগর) এলাকার প্রসাধনী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রিমার্ক এইচবি লিমিটেডে হিসাবরক্ষক হিসেবে গত এক বছর ধরে চাকরি করছিলেন।

সহকর্মীরা জানান, গত বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) তাকে সর্বশেষ দেখা গেছে। সেদিন পার্শ্ববর্তী একটি দোকান থেকে প্রয়োজনীয় মালামাল কিনতে দেখা গেছে। সেখান থেকে রান্নার জন্য কিছু মালামাল কিনে নিজের কক্ষে ফিরে আসেন। এরপর তাকে আর কেউ দেখেননি।

প্রতিষ্ঠানটির মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা এস এম নাসির উদ্দিন বলেন, তিনি গত এক বছর ধরে আমাদের প্রতিষ্ঠানে হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্টাফ কোয়ার্টারে একটি রুম নিয়ে তিনি একাই থাকতেন। নিজে রান্না করে খেতেন। গত বৃহস্পতিবার তাকে সর্বশেষ দেখা যায়। তারপর থেকে তার কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ। এদিকে শুক্রবার ও শনিবার প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান থাকায় সবাই অনুষ্ঠান নিয়ে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। রবিবার সকালে তাকে অফিসে না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়।

তিনি বলেন, দুপুরে স্টাফ কোয়ার্টারে গিয়ে তার রুমটি ভেতর থেকে আটকানো দেখতে পাই। দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরও কোনও সাড়াশব্দ না পাওয়ায় পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। পুলিশ এবং স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে তালা ভেঙে দেখা যায়, নিচের বিছানায় উল্টা হয়ে পড়ে আছেন সোহেল রানা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৃহস্পতিবার রাতের কোনও একসময় তার মৃত্যু হয়েছে। স্ট্রোক করে তার মৃত্যু হতে পারে।

বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানার ওসি মোল্লা সোহেব আলী জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি লাশ উদ্ধার করেছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। তবে লাশের গায়ে কোনও আঘাতের চিহ্ন না থাকায় বিষয়টিকে প্রাথমিকভাবে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের পর সেটি নিশ্চিত করে বলা যাবে।