ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রংপুর সিটি নির্বাচন: ত্রিমুখী লড়াইয়ের কথা বলছেন ভোটাররা

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে গতকাল রোববার। শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করেছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। গণসংযোগ পথসভা আর উঠান বৈঠক করে ভোটারদের কাছে দোয়া ও ভোট চাইছেন তারা। তবে এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে ত্রিমুখী লড়াইয়ের কথা বলছেন ভোটাররা। এরই মধ্যে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুরো নগরীতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রার্থীদের পোস্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে নগরী। ভোটাররা বলছেন, প্রচারণা ও গণসংযোগে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা এগিয়ে রয়েছেন। সমানতালে প্রচারণা চালাচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হোসনে আরা ডালিয়া এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লুৎফর রহমান মিলন। এই তিন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন তারা। স্থানীয় সূত্র জানায়, আগামী ২৭ ডিসেম্বর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে গতকাল ২৫ ডিসেম্বর রাতে প্রার্থীদের প্রচারণা শেষ হয়। পরদিন থেকে কোনো প্রার্থী প্রচারণা চালাতে পারবেন না। ফলে শেষ মুহূর্তে গণসংযোগ আর প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলো প্রার্থীরা। এর আগে গত শনিবার দিনভর নগরীর স্টেশন রোড, প্রেসক্লাব চত্বর, গুপ্তপাড়া, জাহাজ কোম্পানি মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান। উন্নয়নের ও নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে ভোট চাচ্ছেন তিনি। নগরীর স্টেশন রোডের নির্বাচনি পথসভায় তিনি বলেছেন, গত নির্বাচনে প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী প্রয়াত ঝন্টুকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচনে হয়েছি। এবার ভোটের সংখ্যা আরও বাড়বে। কারণ মেয়র হয়ে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি উন্নয়ন করেছি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রংপুর সিটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সিটি করপোরেশন। ২০৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত। ২২৯টি ভোটকেন্দ্রের সবগুলোতে আমার দুই সেট করে পোলিং এজেন্ট থাকবেন। এ ছাড়া প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে শত শত নেতাকর্মী ও সমর্থক ভোটের দিন অবস্থান করবেন। বিপরীতে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা সব ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিতে পারবে বলে মনে হয় না। সে কারণে জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। এদিকে, দলীয় কাউন্সিল উপলক্ষে ঢাকায় অবস্থান করছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া। তার পক্ষে দলের নেতাকর্মীরা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দিনভর গণসংযোগ করেছেন। গণসংযোগ ও ভোটের প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে হোসনে আরা লুৎফা বলেন, আওয়ামী লীগ ১৪ বছর ধরে ক্ষমতায়। রংপুরে শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, বিভাগ, সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠাসহ ব্যাপক উন্নয়ন করেছে বর্তমান সরকার। রংপুরের জনগণ আর ভুল মার্কায় ভোট দেবে না। তারা উন্নয়নের পক্ষে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে বলে আশাবাদী। অপরদিকে, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লুৎফর রহমান মিলন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সমর্থকদের নিয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। তিনি বলেন, এবার মার্কা দেখে নয়; ভোটাররা কারও মিথ্যা আশ্বাসে বিভ্রান্ত হবেন না। বিভিন্ন এলাকায় পথসভা করতে গিয়ে আমার পক্ষে গণজোয়ার দেখতে পেয়েছি। ফলে জয়ী হবো বলে আশাবাদী। এদিকে, কাউন্সিলর আর সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিজ নিজ ওয়ার্ডের ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ভোট ও দোয়া চাইছেন। দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়ায় দুপুরের পর থেকে পুরো নগরী মাইকের নগরীতে পরিণত হয়। নগরীর প্রেসক্লাব চত্বরের বাসিন্দা আবদুল মান্নান, জাহাজ কোম্পানি মোড়ের জাকির হোসেন ও নগরীর রিকশাচালক আলী হোসেন জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা সব্দিকে এগিয়ে আছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হোসনে আরা ডালিয়ার ভোট ভাগ হয়ে কিছু যাবে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লুৎফর রহমান মিলনের বাক্সে। এজন্য আবারও মোস্তফা মেয়র হয়ে যেতে পারেন। মূলত এই তিন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে। তাদেরও জয়ের সম্ভাবনা আছে। সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা যুগ্ম সচিব আবদুল বাতেন বলেন, নির্বাচন নিয়ে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন। গতকাল রোববার রাতে প্রচারণা শেষ হচ্ছে। ২১৯টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে সাড়ে তিন হাজারের বেশি ইভিএম মেশিন এসেছে। বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে মক ভোটিং শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে। কোনো প্রার্থীই যাতে নির্বাচনে আচরণবিধি লংঘন করতে না পারেন সেজন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করছে। জানা গেছে, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ভোটার চার লাখ ২৬ হাজার ৪৬৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ১২ হাজার ৩০২ এবং নারী ভোটার দুই লাখ ১৪ হাজার ১৬৭ জন। ২২৯টি কেন্দ্রে ২৭ ডিসেম্বর ইভিএমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মেয়র পদে ৯ জন এবং ৩৩টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৮৩ জন ও ১১টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

রংপুর সিটি নির্বাচন: ত্রিমুখী লড়াইয়ের কথা বলছেন ভোটাররা

আপডেট সময় ০৩:৪৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে গতকাল রোববার। শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করেছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। গণসংযোগ পথসভা আর উঠান বৈঠক করে ভোটারদের কাছে দোয়া ও ভোট চাইছেন তারা। তবে এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে ত্রিমুখী লড়াইয়ের কথা বলছেন ভোটাররা। এরই মধ্যে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুরো নগরীতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রার্থীদের পোস্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে নগরী। ভোটাররা বলছেন, প্রচারণা ও গণসংযোগে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা এগিয়ে রয়েছেন। সমানতালে প্রচারণা চালাচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হোসনে আরা ডালিয়া এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লুৎফর রহমান মিলন। এই তিন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন তারা। স্থানীয় সূত্র জানায়, আগামী ২৭ ডিসেম্বর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে গতকাল ২৫ ডিসেম্বর রাতে প্রার্থীদের প্রচারণা শেষ হয়। পরদিন থেকে কোনো প্রার্থী প্রচারণা চালাতে পারবেন না। ফলে শেষ মুহূর্তে গণসংযোগ আর প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলো প্রার্থীরা। এর আগে গত শনিবার দিনভর নগরীর স্টেশন রোড, প্রেসক্লাব চত্বর, গুপ্তপাড়া, জাহাজ কোম্পানি মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান। উন্নয়নের ও নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে ভোট চাচ্ছেন তিনি। নগরীর স্টেশন রোডের নির্বাচনি পথসভায় তিনি বলেছেন, গত নির্বাচনে প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী প্রয়াত ঝন্টুকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচনে হয়েছি। এবার ভোটের সংখ্যা আরও বাড়বে। কারণ মেয়র হয়ে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি উন্নয়ন করেছি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রংপুর সিটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সিটি করপোরেশন। ২০৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত। ২২৯টি ভোটকেন্দ্রের সবগুলোতে আমার দুই সেট করে পোলিং এজেন্ট থাকবেন। এ ছাড়া প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে শত শত নেতাকর্মী ও সমর্থক ভোটের দিন অবস্থান করবেন। বিপরীতে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা সব ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিতে পারবে বলে মনে হয় না। সে কারণে জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। এদিকে, দলীয় কাউন্সিল উপলক্ষে ঢাকায় অবস্থান করছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া। তার পক্ষে দলের নেতাকর্মীরা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দিনভর গণসংযোগ করেছেন। গণসংযোগ ও ভোটের প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে হোসনে আরা লুৎফা বলেন, আওয়ামী লীগ ১৪ বছর ধরে ক্ষমতায়। রংপুরে শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, বিভাগ, সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠাসহ ব্যাপক উন্নয়ন করেছে বর্তমান সরকার। রংপুরের জনগণ আর ভুল মার্কায় ভোট দেবে না। তারা উন্নয়নের পক্ষে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে বলে আশাবাদী। অপরদিকে, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লুৎফর রহমান মিলন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সমর্থকদের নিয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। তিনি বলেন, এবার মার্কা দেখে নয়; ভোটাররা কারও মিথ্যা আশ্বাসে বিভ্রান্ত হবেন না। বিভিন্ন এলাকায় পথসভা করতে গিয়ে আমার পক্ষে গণজোয়ার দেখতে পেয়েছি। ফলে জয়ী হবো বলে আশাবাদী। এদিকে, কাউন্সিলর আর সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিজ নিজ ওয়ার্ডের ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ভোট ও দোয়া চাইছেন। দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়ায় দুপুরের পর থেকে পুরো নগরী মাইকের নগরীতে পরিণত হয়। নগরীর প্রেসক্লাব চত্বরের বাসিন্দা আবদুল মান্নান, জাহাজ কোম্পানি মোড়ের জাকির হোসেন ও নগরীর রিকশাচালক আলী হোসেন জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা সব্দিকে এগিয়ে আছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হোসনে আরা ডালিয়ার ভোট ভাগ হয়ে কিছু যাবে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লুৎফর রহমান মিলনের বাক্সে। এজন্য আবারও মোস্তফা মেয়র হয়ে যেতে পারেন। মূলত এই তিন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে। তাদেরও জয়ের সম্ভাবনা আছে। সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা যুগ্ম সচিব আবদুল বাতেন বলেন, নির্বাচন নিয়ে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন। গতকাল রোববার রাতে প্রচারণা শেষ হচ্ছে। ২১৯টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে সাড়ে তিন হাজারের বেশি ইভিএম মেশিন এসেছে। বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে মক ভোটিং শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে। কোনো প্রার্থীই যাতে নির্বাচনে আচরণবিধি লংঘন করতে না পারেন সেজন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করছে। জানা গেছে, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ভোটার চার লাখ ২৬ হাজার ৪৬৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ১২ হাজার ৩০২ এবং নারী ভোটার দুই লাখ ১৪ হাজার ১৬৭ জন। ২২৯টি কেন্দ্রে ২৭ ডিসেম্বর ইভিএমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মেয়র পদে ৯ জন এবং ৩৩টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৮৩ জন ও ১১টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।