ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

দেশ-জাতিকে সুন্দর অবস্থায় রেখে সেনানিবাসে ফিরে আসতে চাই: সেনাপ্রধান

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, ‘আমরা চাই, দেশ-জাতিকে সুন্দর অবস্থায় রেখে সেনানিবাসে ফেরত আসবো। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির কারণ আমরা একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে বিষোদগারে ব্যস্ত।’
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর রাওয়া ক্লাবে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবসের’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গ টেনে সেনাপ্রধান বলেন, ‘পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন না, কারণ অনেকের বিরুদ্ধে মামলা, অনেকে জেলে; তারা প্যানিক্ড।’
এসময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ নিয়েও কথা বলেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, ১৮ মাসের মধ্যে (নির্বাচন) করতে… সরকার হয়তো সেই দিকেই যাচ্ছে।’ নিজেদের মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি বন্ধ না করলে স্বাধীনতা বিপন্ন হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন সেনাপ্রধান।
এসময় বিডিআর বিদ্রোহের অপরাধের সঙ্গে যারা যুক্ত, তাদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের বিচারের প্রক্রিয়া নষ্ট করা যাবে না। এই বিদ্রোহের সঙ্গে সত্যি যারা যুক্ত, সেই তথ্য বের করতে স্বাধীন কমিশন কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে রাওয়া ক্লাবের প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) আব্দুল হকের সভাপতিত্বে ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরাও বক্তব্য দেন।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারী তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন প্রান হারান। এবারেই প্রথম দিবসটিকে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস ঘোষণা করে পালিত হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

দেশ-জাতিকে সুন্দর অবস্থায় রেখে সেনানিবাসে ফিরে আসতে চাই: সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ০১:৩৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, ‘আমরা চাই, দেশ-জাতিকে সুন্দর অবস্থায় রেখে সেনানিবাসে ফেরত আসবো। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির কারণ আমরা একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে বিষোদগারে ব্যস্ত।’
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর রাওয়া ক্লাবে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবসের’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গ টেনে সেনাপ্রধান বলেন, ‘পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন না, কারণ অনেকের বিরুদ্ধে মামলা, অনেকে জেলে; তারা প্যানিক্ড।’
এসময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ নিয়েও কথা বলেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, ১৮ মাসের মধ্যে (নির্বাচন) করতে… সরকার হয়তো সেই দিকেই যাচ্ছে।’ নিজেদের মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি বন্ধ না করলে স্বাধীনতা বিপন্ন হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন সেনাপ্রধান।
এসময় বিডিআর বিদ্রোহের অপরাধের সঙ্গে যারা যুক্ত, তাদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের বিচারের প্রক্রিয়া নষ্ট করা যাবে না। এই বিদ্রোহের সঙ্গে সত্যি যারা যুক্ত, সেই তথ্য বের করতে স্বাধীন কমিশন কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে রাওয়া ক্লাবের প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) আব্দুল হকের সভাপতিত্বে ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরাও বক্তব্য দেন।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারী তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন প্রান হারান। এবারেই প্রথম দিবসটিকে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস ঘোষণা করে পালিত হচ্ছে।