ঢাকা , সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পবিত্র রমজানে নিত্যপণ্যের সংকট হবে না: প্রধানমন্ত্রী Logo তামিমের ব্যাটে প্লে’ অফে বরিশাল, এলিমিনেটরে প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম Logo তানিশার ডিম্বাণু সংরক্ষণ, বিয়ে নিয়ে কী ভাবছেন কাজলের বোন Logo রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাঁচ শতাধিক নতুন নিষেধাজ্ঞা Logo ইন্দোনেশিয়ার তরুণী শিবচরে, জাঁকজমকভাবে হলো প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে Logo সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে গ্যাস রিফুয়েলিং করার সময় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ১ Logo বন্দরে মসজিদের পাশে মাদক ও পতিতাবৃত্তির অভিযোগে গ্রামবাসীর মানববন্ধন Logo ফতুল্লায় দূরে গিয়ে সিগারেট খেতে বলায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা Logo বন্দরে কিশোরী ধর্ষণের মামলায় লম্পট সেলিম গ্রেপ্তার Logo বন্দরে ৬ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

১০২ সন্তানের বাবা হওয়ার পর নিলেন শপথ

১০২ জন সন্তানের জনক এক ব্যক্তি আর বাবা না হওয়ার শপথ করেছেন। কারণ বিপুল সংখ্যক সন্তান-সন্ততি নিয়ে তিনি নাকি আর পেরে উঠছেন না।

মিরর অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, উগান্ডার বুগিসার গ্রামের বাসিন্দা ৬৭ বছর বয়সী মুসা হাসায়ার ১২ জন স্ত্রী রয়েছে। স্ত্রীদের মধ্যে যারা সন্তানধারণে সক্ষম, তাদের সবাইকে তিনি গর্ভনিরোধক ওষুধ খাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

মুসা বলেন, ‘সীমিত সম্পদের কারণে কোনোভাবেই আমি আরো সন্তান চাই না। সন্তান জন্মদানে সক্ষম আমার সব স্ত্রীকে পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য বলেছি।’

গ্রামের অন্যান্য যুবকদেরও ৪টির বেশি বিয়ে না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। কারণ তারচেয়ে বেশি স্ত্রী থাকলে সংসার চালানো নাকি সহজ নয়, দাবি মুসার।

১৬ বছর বয়সে প্রথমবার বিয়ে করেছিলেন মুসা। তার দুই বছর পর কোল আলো করে আসে কন্যাসন্তান। সেই শুরু। তারপর থেকে সময়ের সঙ্গে এগিয়েছে তার স্ত্রী সংখ্যা, পাল্লা দিয়ে বেড়েছে সন্তানও।

বুগিসায় ১২ বেডরুমের ঘরে বসবাস মুসার। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী এবং গ্রামের চেয়ারম্যান। ১৯৭১ সালে প্রথমবার বিয়ে করেন মুসা। ব্যবসা শুরু করার পর আস্তে আস্তে সম্পত্তির পরিমাণ বাড়তে শুরু করে। তখনই পরিবার আরও বাড়াবেন বলে স্থির করেন তিনি। এরপর একে একে আরও ১১ বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেন মুসা।

১২ জন স্ত্রীর সঙ্গে তার মোট ১০২ জন সন্তান রয়েছে। আর নাতি-নাতনির সংখ্যা ৫৬৮। মুসা বলেন, তিনি তার সন্তানদের এবং নাতি-নাতনিদের আলাদা করে চিনতে পারেন, তবে তিনি তাদের সবাইকে নামে চেনেন না।

 

তবে এই বিশালাকার পরিবার নিয়ে এখন সমস্যায় পড়েছেন মুসা। সব সন্তান এবং নাতিনাতনিদের পড়াশোনা এবং অন্যান্য খরচ জোগাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাকে। শেষমেশ পরিবার পরিকল্পনা করে আর সন্তান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়ে আবেদনও করেছেন মুসা।

তবে এতো সংখ্যক সন্তান থাকলেও পরিবারের দাবি, তারা সবাই ভালো আছেন। মুসার প্রথম স্ত্রী হানিফা বলেন, ‘তার স্বামী সবসময় নিজের মনে কথা শুনে থাকেন। তিনি কখনোই সব পক্ষের কথা না শুনে সিদ্ধান্ত নেন না। তিনি কাউকে নির্যাতন করেন না এবং আমাদের সবার সঙ্গে সমান আচরণ করেন।’

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

পবিত্র রমজানে নিত্যপণ্যের সংকট হবে না: প্রধানমন্ত্রী

১০২ সন্তানের বাবা হওয়ার পর নিলেন শপথ

আপডেট সময় ০৩:১৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২২

১০২ জন সন্তানের জনক এক ব্যক্তি আর বাবা না হওয়ার শপথ করেছেন। কারণ বিপুল সংখ্যক সন্তান-সন্ততি নিয়ে তিনি নাকি আর পেরে উঠছেন না।

মিরর অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, উগান্ডার বুগিসার গ্রামের বাসিন্দা ৬৭ বছর বয়সী মুসা হাসায়ার ১২ জন স্ত্রী রয়েছে। স্ত্রীদের মধ্যে যারা সন্তানধারণে সক্ষম, তাদের সবাইকে তিনি গর্ভনিরোধক ওষুধ খাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

মুসা বলেন, ‘সীমিত সম্পদের কারণে কোনোভাবেই আমি আরো সন্তান চাই না। সন্তান জন্মদানে সক্ষম আমার সব স্ত্রীকে পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য বলেছি।’

গ্রামের অন্যান্য যুবকদেরও ৪টির বেশি বিয়ে না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। কারণ তারচেয়ে বেশি স্ত্রী থাকলে সংসার চালানো নাকি সহজ নয়, দাবি মুসার।

১৬ বছর বয়সে প্রথমবার বিয়ে করেছিলেন মুসা। তার দুই বছর পর কোল আলো করে আসে কন্যাসন্তান। সেই শুরু। তারপর থেকে সময়ের সঙ্গে এগিয়েছে তার স্ত্রী সংখ্যা, পাল্লা দিয়ে বেড়েছে সন্তানও।

বুগিসায় ১২ বেডরুমের ঘরে বসবাস মুসার। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী এবং গ্রামের চেয়ারম্যান। ১৯৭১ সালে প্রথমবার বিয়ে করেন মুসা। ব্যবসা শুরু করার পর আস্তে আস্তে সম্পত্তির পরিমাণ বাড়তে শুরু করে। তখনই পরিবার আরও বাড়াবেন বলে স্থির করেন তিনি। এরপর একে একে আরও ১১ বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেন মুসা।

১২ জন স্ত্রীর সঙ্গে তার মোট ১০২ জন সন্তান রয়েছে। আর নাতি-নাতনির সংখ্যা ৫৬৮। মুসা বলেন, তিনি তার সন্তানদের এবং নাতি-নাতনিদের আলাদা করে চিনতে পারেন, তবে তিনি তাদের সবাইকে নামে চেনেন না।

 

তবে এই বিশালাকার পরিবার নিয়ে এখন সমস্যায় পড়েছেন মুসা। সব সন্তান এবং নাতিনাতনিদের পড়াশোনা এবং অন্যান্য খরচ জোগাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাকে। শেষমেশ পরিবার পরিকল্পনা করে আর সন্তান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়ে আবেদনও করেছেন মুসা।

তবে এতো সংখ্যক সন্তান থাকলেও পরিবারের দাবি, তারা সবাই ভালো আছেন। মুসার প্রথম স্ত্রী হানিফা বলেন, ‘তার স্বামী সবসময় নিজের মনে কথা শুনে থাকেন। তিনি কখনোই সব পক্ষের কথা না শুনে সিদ্ধান্ত নেন না। তিনি কাউকে নির্যাতন করেন না এবং আমাদের সবার সঙ্গে সমান আচরণ করেন।’