ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হাসপাতাল সাজসজ্জায় কনডম ব্যব্হারে ক্ষমা চাইলেন স্টাফ নার্স

হাসপাতালের সৌন্দর্যবর্ধন ও সাজসজ্জায় কনডম ব্যবহারের ঘটনায় তদন্ত কমিটির কাছে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ও সিনিয়র স্টাফ নার্স রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস সোবহানের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কমিটি।

আব্দুস সোবহান বলেন, এ ঘটনায় চার সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তিন কার্যদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। তারা প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। প্রতিবেদনে সেদিন দায়িত্বরত ছয়জন স্টাফের সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে রেজাউল দোষী প্রমাণিত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রেজাউল তদন্ত কমিটির কাছে ঘটনার দায় স্বীকারোক্তি করে বলেছেন, বেলুন কম থাকার কারণে তিনি ভুলবশত এটা করেছেন। তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার আবেদনও জানিয়েছেন তিনি।

সদর হাসপাতাল সূত্র জানায়, মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সৌন্দর্যবর্ধন ও সাজসজ্জার অংশ হিসেবে বেলুনের সঙ্গে সরকারি নিরাপদ কনডম ব্যবহার করেন হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ও সিনিয়র স্টাফ নার্স রেজাউল করিম। এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা হয়।

এ ঘটনায় শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চার সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এছাড়া ওই নার্সকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

হাসপাতাল সাজসজ্জায় কনডম ব্যব্হারে ক্ষমা চাইলেন স্টাফ নার্স

আপডেট সময় ০৩:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২২

হাসপাতালের সৌন্দর্যবর্ধন ও সাজসজ্জায় কনডম ব্যবহারের ঘটনায় তদন্ত কমিটির কাছে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ও সিনিয়র স্টাফ নার্স রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস সোবহানের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কমিটি।

আব্দুস সোবহান বলেন, এ ঘটনায় চার সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তিন কার্যদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। তারা প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। প্রতিবেদনে সেদিন দায়িত্বরত ছয়জন স্টাফের সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে রেজাউল দোষী প্রমাণিত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রেজাউল তদন্ত কমিটির কাছে ঘটনার দায় স্বীকারোক্তি করে বলেছেন, বেলুন কম থাকার কারণে তিনি ভুলবশত এটা করেছেন। তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার আবেদনও জানিয়েছেন তিনি।

সদর হাসপাতাল সূত্র জানায়, মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সৌন্দর্যবর্ধন ও সাজসজ্জার অংশ হিসেবে বেলুনের সঙ্গে সরকারি নিরাপদ কনডম ব্যবহার করেন হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ও সিনিয়র স্টাফ নার্স রেজাউল করিম। এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা হয়।

এ ঘটনায় শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চার সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এছাড়া ওই নার্সকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।