ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সোনারগাঁয়ের আলোচিত সাধন মিয়া হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টারঃ সোনারগাঁয়ের আলোচিত সাধন মিয়া হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্তকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিনমাসের কারাদন্ড ও মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত দুইজনকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

গতকাল রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া এ রায় প্রদান করেন। রায় প্রদানের সময় আসামীরা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার পূর্ব কান্দারগাঁও গ্রামের মো. আব্দুর রহমান সরকারের ছেলে মো. শামীম সরকার (৪৫) ও আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. আল আমিন (৩৭)। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত হলেন একই গ্রামের জজ মিয়ার ছেলে রাসেল (৩৫)।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান জানান, ২০১৪ সালের ১৭ জুন সোনারগাঁ থানার দায়ের করা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড ও একজনের যাবজ্জীবন রায় দিয়েছেন আদালত। এ মামলাটি বেশ চাঞ্চল্যকর। রায় প্রদানের সময় আসামীরা অনুপস্থিত ছিল।

মামলার বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, উপজেলা সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের কান্দারগাঁও গ্রামের ফয়জুল হকের ছেলে সাধনকে ২০১৪ সালের ১৬ জুন রাতে ভুড়ভুড়িয়া এলাকায় গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পরেরদিন নিহত সাধনের মা জয়তুন নেছা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরও বলেন, এ মামলায় নিহত সাধনের দুই বন্ধু শামীম ও আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হলে তাদের স্বীকারোক্তিতে এ হত্যাকান্ডে ৪ জনের নাম উঠে আসে। অন্যরা হলো- রাসেল ও মোহাম্মদ আলী। পরবর্তীতে আসামি মোহাম্মদ আলীকে ২০১৮ সালের ৪ জানুয়ারী সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করে। বর্তমানে এ মামলায় তিনজন আসামি ছিল। এ মামলায় বিচার কার্যক্রম শেষে ১৯ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় প্রদান করেছেন।

মামলার বাদি জয়তুন নেছা বলেন, দীর্ঘ সময় পর হলেও এ রায়ে তিনি ও তার পরিবার সন্তুষ্ট। দ্রুত রায় বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টকে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

সোনারগাঁয়ের আলোচিত সাধন মিয়া হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:৪৮:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টারঃ সোনারগাঁয়ের আলোচিত সাধন মিয়া হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্তকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিনমাসের কারাদন্ড ও মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত দুইজনকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

গতকাল রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া এ রায় প্রদান করেন। রায় প্রদানের সময় আসামীরা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার পূর্ব কান্দারগাঁও গ্রামের মো. আব্দুর রহমান সরকারের ছেলে মো. শামীম সরকার (৪৫) ও আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. আল আমিন (৩৭)। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত হলেন একই গ্রামের জজ মিয়ার ছেলে রাসেল (৩৫)।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান জানান, ২০১৪ সালের ১৭ জুন সোনারগাঁ থানার দায়ের করা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড ও একজনের যাবজ্জীবন রায় দিয়েছেন আদালত। এ মামলাটি বেশ চাঞ্চল্যকর। রায় প্রদানের সময় আসামীরা অনুপস্থিত ছিল।

মামলার বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, উপজেলা সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের কান্দারগাঁও গ্রামের ফয়জুল হকের ছেলে সাধনকে ২০১৪ সালের ১৬ জুন রাতে ভুড়ভুড়িয়া এলাকায় গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পরেরদিন নিহত সাধনের মা জয়তুন নেছা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরও বলেন, এ মামলায় নিহত সাধনের দুই বন্ধু শামীম ও আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হলে তাদের স্বীকারোক্তিতে এ হত্যাকান্ডে ৪ জনের নাম উঠে আসে। অন্যরা হলো- রাসেল ও মোহাম্মদ আলী। পরবর্তীতে আসামি মোহাম্মদ আলীকে ২০১৮ সালের ৪ জানুয়ারী সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করে। বর্তমানে এ মামলায় তিনজন আসামি ছিল। এ মামলায় বিচার কার্যক্রম শেষে ১৯ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় প্রদান করেছেন।

মামলার বাদি জয়তুন নেছা বলেন, দীর্ঘ সময় পর হলেও এ রায়ে তিনি ও তার পরিবার সন্তুষ্ট। দ্রুত রায় বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টকে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।