ঢাকা , বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সরকার তারেককে ফিরিয়ে এনে অবশ্যই আদালতের রায় কার্যকর করবে : প্রধানমন্ত্রী Logo ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতির প্রভাব কী হতে পারে? Logo মায়ের ওড়না শাড়ি বানিয়ে পরলেন জেফার, দেখালেন চমক Logo পরিবারসহ বেনজীরের আরও ১১৩ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ Logo হায়দরাবাদকে গুঁড়িয়ে, উড়িয়ে কলকাতা চ্যাম্পিয়ন Logo ফতুল্লায় রহিম হাজী ও সামেদ আলীর গ্রুপে সংঘর্ষ, ভাংচুর, আহত ১৫ Logo সোনারগাঁয়ে নির্বাচন পরবর্তী প্রতিহিংসায় শতাধিক ফলজ গাছ কর্তন Logo মুছাপুরে স্বর্ণকার অজিতের প্রেমের ফাঁদে সর্বশান্ত প্রবাসী নারী Logo বন্দরে বিভিন্ন মামলার ২ সাঁজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার Logo নাসিকের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় অন্ত:সত্তা নারীর মৃত্যু, চালক আটক

সাড়ে ৫ লাখ শরণার্থী সিরিয়ায় ফিরে গেছে: তুরস্ক

তুরস্কে অবস্থানরত সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি সিরীয় শরণার্থী তাদের নিজেদের এলাকায় ফিরে গেছে বলে জানিয়েছেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু। তিনি বলেছেন, ১০ লাখ শরণার্থীর পুনর্বাসনের জন্য উত্তর সিরিয়ায় কয়েক হাজার বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে।

এনটিভি চ্যানেলে শুক্রবার সরাসরি সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে কাভুসোগলু বলেন, ‘আমরা যে অঞ্চলগুলো সন্ত্রাসমুক্ত করেছি সেখানে ৫ লাখ ৫৩ হাজার অভিবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছি’।

তিনি বলেন, ‘উত্তর সিরিয়ায় ২ লাখ ৪০ হাজার ঘর নির্মাণ করা হবে। সেখানে ১০ লাখ শরণার্থীর বসতি স্থাপন করা হবে। আমরা সিরিয়ানদের শুধু নিরাপদ স্থানেই নয়, আসাদ সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায়ও পাঠাতে চাই’।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান বৃহস্পতিবার বলেছিলেন, কাতারের সহায়তায় সিরিয়ায় ঘর নির্মাণের কাজ অব্যাহত রয়েছে। এসব ঘরে দশ লাখ শরণার্থী থাকতে পারবে।

কাভুসোগলু বলেন, ‘সিরিয়ার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য সন্ত্রাসবাদের অপসারণ গুরুত্বপূর্ণ। সিরিয়ানদের ফেরত পাঠাতে আমরা বদ্ধপরিকর’।

উত্তর সিরিয়ার সীমান্ত এলাকায় ২০১৬ সাল থেকে চারটি সফল সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে তুরস্ক। এগুলো হলো- ইউফ্রেটিস শিল্ড (২০১৬), অলিভ ব্রাঞ্চ (২০১৮), পিস স্প্রিং (২০১৯) এবং স্প্রিং শিল্ড (২০২০)। এ অভিযানগুলোর কারণে তুরস্ক থেকে সিরিয়ান শরণার্থীদের তাদের দেশে ফেরার গতি ত্বরান্বিত হয়েছে।

৩৭ লাখেরও বেশি সিরিয়ান বর্তমানে তুরস্কে বসবাস করছে। এতে তুরস্ক বিশ্বের শীর্ষ শরণার্থী-হোস্টিং দেশে পরিণত হয়েছে। মূলত ২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর নিপীড়ন ও বর্বরতা থেকে পালিয়ে আসা সিরিয়ানদের জন্য মানবিক নীতি গ্রহণ করে তুরস্ক।

জাতিসংঘের হিসাবে, সিরিয়া গৃহযুদ্ধে কয়েক লাখ মানুষ নিহত এবং ১০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার তারেককে ফিরিয়ে এনে অবশ্যই আদালতের রায় কার্যকর করবে : প্রধানমন্ত্রী

সাড়ে ৫ লাখ শরণার্থী সিরিয়ায় ফিরে গেছে: তুরস্ক

আপডেট সময় ০৪:০১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩

তুরস্কে অবস্থানরত সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি সিরীয় শরণার্থী তাদের নিজেদের এলাকায় ফিরে গেছে বলে জানিয়েছেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু। তিনি বলেছেন, ১০ লাখ শরণার্থীর পুনর্বাসনের জন্য উত্তর সিরিয়ায় কয়েক হাজার বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে।

এনটিভি চ্যানেলে শুক্রবার সরাসরি সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে কাভুসোগলু বলেন, ‘আমরা যে অঞ্চলগুলো সন্ত্রাসমুক্ত করেছি সেখানে ৫ লাখ ৫৩ হাজার অভিবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছি’।

তিনি বলেন, ‘উত্তর সিরিয়ায় ২ লাখ ৪০ হাজার ঘর নির্মাণ করা হবে। সেখানে ১০ লাখ শরণার্থীর বসতি স্থাপন করা হবে। আমরা সিরিয়ানদের শুধু নিরাপদ স্থানেই নয়, আসাদ সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায়ও পাঠাতে চাই’।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান বৃহস্পতিবার বলেছিলেন, কাতারের সহায়তায় সিরিয়ায় ঘর নির্মাণের কাজ অব্যাহত রয়েছে। এসব ঘরে দশ লাখ শরণার্থী থাকতে পারবে।

কাভুসোগলু বলেন, ‘সিরিয়ার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য সন্ত্রাসবাদের অপসারণ গুরুত্বপূর্ণ। সিরিয়ানদের ফেরত পাঠাতে আমরা বদ্ধপরিকর’।

উত্তর সিরিয়ার সীমান্ত এলাকায় ২০১৬ সাল থেকে চারটি সফল সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে তুরস্ক। এগুলো হলো- ইউফ্রেটিস শিল্ড (২০১৬), অলিভ ব্রাঞ্চ (২০১৮), পিস স্প্রিং (২০১৯) এবং স্প্রিং শিল্ড (২০২০)। এ অভিযানগুলোর কারণে তুরস্ক থেকে সিরিয়ান শরণার্থীদের তাদের দেশে ফেরার গতি ত্বরান্বিত হয়েছে।

৩৭ লাখেরও বেশি সিরিয়ান বর্তমানে তুরস্কে বসবাস করছে। এতে তুরস্ক বিশ্বের শীর্ষ শরণার্থী-হোস্টিং দেশে পরিণত হয়েছে। মূলত ২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর নিপীড়ন ও বর্বরতা থেকে পালিয়ে আসা সিরিয়ানদের জন্য মানবিক নীতি গ্রহণ করে তুরস্ক।

জাতিসংঘের হিসাবে, সিরিয়া গৃহযুদ্ধে কয়েক লাখ মানুষ নিহত এবং ১০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।