ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সাগরিকায় জয়ের আনন্দে স্বাগতিকরা

ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে চট্টগ্রামে উদ্বোধনী ম্যাচ হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক চট্টগ্রাম জয়ে ফিরেছে। শনিবার (১৪ জানুয়ারি) চট্টগ্রামে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে ঢাকা ডমিনেটরসকে হারিয়ে স্বাগতিক দর্শকদের আনন্দে মাতিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ঢাকার দেওয়া ১৫৯ রানের জবাবে খেলতে নেমে দরবেশ রসূলী ও আফিফ হোসেনের অবিচ্ছিন্ন ১০৩ রানের জুটিতে ৮ উইকেটে ম্যাচ জেতে চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ঢাকাকে ১৫৮ রানে আটকে রাখে চট্টগ্রাম। জবাবে খেলতে নেমে তাসকিনের প্রথম বলেই আউট হন আল আমিন জুনিয়র। স্কোরবোর্ডে রান যোগ হওয়ার আগেই প্রথম উইকেট নেই, এমন অবস্থায় খুব কঠিন পরিস্থিতিতেই পড়ার কথা ছিল শুভাগত হোমের দলকে। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে ওসমান খান ও আফিফ হোসেন মিলে ৫৬ রানের জুটি বিপর্যয় সামাল দেন।

ওসমান ২১ বলে ২২ রান করে আউট হলে দরবেশ রসূলীকে সঙ্গে নিয়ে আফিফ দারুণ ব্যাটিং করেছেন। দুইজন মিলে ৬৩ বলে অবিচ্ছিন্ন ১০৩ রানের জুটি গড়ে ১৪ বল আগেই দলের জয় নিশ্চিত করেছেন। দুইজনই পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরি। রসূল ৩৩ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে আগের তিন ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার আফিফ খেলেছেন ৬৯ রানের ইনিংস। ৫২ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো ইনিংসটির কারণে ম্যাচ সেরা হন এই ব্যাটার। এই দুইজনের ইনিংসের উপর দাঁড়িয়ে ১৭.৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান তুলে ফেলে স্বাগতিকরা।

ঢাকার বোলারদের মধ্যে প্রথম তিন ওভারে নিখুঁত লাইন-লেন্থে বোলিং করেছিলেন তাসকিন আহমেদ। প্রথম তিন ওভারে ৯ রান দিয়ে এক উইকেট নেওয়া তাসকিন শেষ চার বলে দিয়েছেন ১৫ রান। এছাড়া আরাফাত সানি ২৯ রানে নেন বাকি উইকেটটি।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েও শুরুটা চমৎকার করে ঢাকা। দুই ওপেনার মিজানুর রহমান ওসমান ঘানি মিলে ৬০ রানের জুটি গড়েন। মিজানুর রহমান (২৮) রানে আউট হতেই ছন্দপতন ঘটে ঢাকার। ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ সৌম্য এই ম্যাচেও রান করতে পারেননি। ৫ বলে ৪ রান করে আউট হয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। তার আগে অবশ্য ৩৩ বলে ৪৭ রান করে আউট হন ওসমান ঘানি। লেট অর্ডারে নাসির হোসেন ২২ বলে ৩০ এবং আরিফুল হক ১৯ বলে ২৯ রান করলে ঢাকা কোনমতে ১৫৮ রান করতে পারে।

চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে মেহেদী হাসার রানা ও নিহাদুজ্জামান দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া পুষ্পাকুমারা ও শুভাগত নেন একটি করে উইকেট।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

সাগরিকায় জয়ের আনন্দে স্বাগতিকরা

আপডেট সময় ০৩:৪৮:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৩

ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে চট্টগ্রামে উদ্বোধনী ম্যাচ হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক চট্টগ্রাম জয়ে ফিরেছে। শনিবার (১৪ জানুয়ারি) চট্টগ্রামে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে ঢাকা ডমিনেটরসকে হারিয়ে স্বাগতিক দর্শকদের আনন্দে মাতিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ঢাকার দেওয়া ১৫৯ রানের জবাবে খেলতে নেমে দরবেশ রসূলী ও আফিফ হোসেনের অবিচ্ছিন্ন ১০৩ রানের জুটিতে ৮ উইকেটে ম্যাচ জেতে চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ঢাকাকে ১৫৮ রানে আটকে রাখে চট্টগ্রাম। জবাবে খেলতে নেমে তাসকিনের প্রথম বলেই আউট হন আল আমিন জুনিয়র। স্কোরবোর্ডে রান যোগ হওয়ার আগেই প্রথম উইকেট নেই, এমন অবস্থায় খুব কঠিন পরিস্থিতিতেই পড়ার কথা ছিল শুভাগত হোমের দলকে। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে ওসমান খান ও আফিফ হোসেন মিলে ৫৬ রানের জুটি বিপর্যয় সামাল দেন।

ওসমান ২১ বলে ২২ রান করে আউট হলে দরবেশ রসূলীকে সঙ্গে নিয়ে আফিফ দারুণ ব্যাটিং করেছেন। দুইজন মিলে ৬৩ বলে অবিচ্ছিন্ন ১০৩ রানের জুটি গড়ে ১৪ বল আগেই দলের জয় নিশ্চিত করেছেন। দুইজনই পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরি। রসূল ৩৩ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে আগের তিন ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার আফিফ খেলেছেন ৬৯ রানের ইনিংস। ৫২ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো ইনিংসটির কারণে ম্যাচ সেরা হন এই ব্যাটার। এই দুইজনের ইনিংসের উপর দাঁড়িয়ে ১৭.৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান তুলে ফেলে স্বাগতিকরা।

ঢাকার বোলারদের মধ্যে প্রথম তিন ওভারে নিখুঁত লাইন-লেন্থে বোলিং করেছিলেন তাসকিন আহমেদ। প্রথম তিন ওভারে ৯ রান দিয়ে এক উইকেট নেওয়া তাসকিন শেষ চার বলে দিয়েছেন ১৫ রান। এছাড়া আরাফাত সানি ২৯ রানে নেন বাকি উইকেটটি।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েও শুরুটা চমৎকার করে ঢাকা। দুই ওপেনার মিজানুর রহমান ওসমান ঘানি মিলে ৬০ রানের জুটি গড়েন। মিজানুর রহমান (২৮) রানে আউট হতেই ছন্দপতন ঘটে ঢাকার। ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ সৌম্য এই ম্যাচেও রান করতে পারেননি। ৫ বলে ৪ রান করে আউট হয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। তার আগে অবশ্য ৩৩ বলে ৪৭ রান করে আউট হন ওসমান ঘানি। লেট অর্ডারে নাসির হোসেন ২২ বলে ৩০ এবং আরিফুল হক ১৯ বলে ২৯ রান করলে ঢাকা কোনমতে ১৫৮ রান করতে পারে।

চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে মেহেদী হাসার রানা ও নিহাদুজ্জামান দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া পুষ্পাকুমারা ও শুভাগত নেন একটি করে উইকেট।