ঢাকা , শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর ইফতার বাজার প্রথম দিনেই জমজমাট

পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই জমে উঠেছে রাজধানীর ইফতার বাজার। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী চকবাজার, নিউ মার্কেট, বেইলী রোডসহ রাজধানীর সর্বত্রই নানান রকম ইফতারি পণ্যের পসরা নিয়ে বসে বিক্রেতারা। বিশেষ করে রাজধানীর চকবাজারের রাস্তায় করোনামহামারির পর গতকাল আবারও দেখা গেল ক্রেতাদের ভিড়, সেই চির চেনা দৃশ্য। চকবাজার জামে মসজিদের সামনের রাস্তার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত বাহারি ইফতারের দোকানে ভরে উঠেছে। এসব দোকান কাবাব, কোফতা, রোস্ট, পরোটা, তন্দুরি, দই ভরা, ফুলুরি, পেঁয়াজু, বেগুনি, হালুয়া, শরবতের মতো শতাধিক ধরনের উপাদেয় খাবারের পরিপূর্ণ। তবে এসব প্রতিটি পদের দাম গত বছরের চেয়ে বেশি বলে ক্রেতাদের অভিযোগ।

রোজার প্রথমদিনই ঢাকার ঐতিহ্যবাহী চকবাজারের ইফতার কিনতে দূর থেকে লোকজন ছুটে এসেছেন। জুমা নামাজের পর থেকে বেলা যত গড়িয়েছে ততই জমজমাট হয়ে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী ইফতারের এ বাজার। প্রচলিত ইফতারির পাশাপাশি নানা স্বাদের বাহারি আয়োজন সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। বাহারি এসব ইফতারির স্বাদ নিতে দুপুরেই দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে এসেছেন ভোজনবিলাসীরা। ঐতিহ্যবাহী খানদানি ইফতারি কিনতে দেখা গেছে দীর্ঘ জটলা। প্রতি বছরের মতো এবারও চকবাজারের ইফতারির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়’ নামের বিশেষ ইফতারি। ক্রেতারা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে হলে এই বিশেষ ধরনের ইফতারি কিনে নিয়ে যান। ‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়’ তৈরিতে গোশত, সুতি কাবাব, গোশতের কিমা, ডাবলি, বুটের ডাল, ডিম, মগজ, আলু, ঘি, কাঁচা ও শুকনো মরিচসহ নানা পদের খাবার আইটেম এবং হরেক ধরনের মসলা প্রয়োজন হয়। প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা দরে এবার এটি বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে রাজধানীর বেইলী রোডেও রোজার প্রথম দিনই জমে উঠেছে ইফতার বাজার। বেইলী রোড নতুন প্রজন্মের কাছে ফাস্ট ফুড খাবারের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এসব ফাস্ট ফুডের দোকানগুলো রোজায় প্রতিবছরই ইফতারের বিশেষ আইটেম নিয়ে ক্রেতাদের সামনে হাজির হয়। এবারও তার ব্যক্রিম হয়নি। করোনা মহামারির সময় ক্রেতারা সশরীরে উপস্থিত হতে না পারলেও বেইলী রোডের এসব দোকান থেকে অনলাইনে অর্ডার দিয়ে ইফতার কিনেছেন অনেকে। এবার ক্রেতারা সশরীরে উপস্থিত হয়ে বেইলী রোডে যেমন পছন্দের খাবার কিনছেন, তেমনি অনেকে আবার অনলাইনেও ইফতারের অর্ডার দিচ্ছেন। বেইলী রোডের অনেকগুলো দোকানই অনলাইনে ইফতারির অর্ডার নিয়ে সাপ্লাই দিচ্ছে।

বিশেষ ধরনের আকর্ষণীয় আইটেমের পাশাপাশি বেইলী রোডে প্রচলিত ইফতারির কদরও অনেক বেশি। এখানে ছোট জিলাপি ২০০ টাকা, বড় সাইজের জিলাপি ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শিঙাড়া ১৫ টাকা প্রতি পিস, সমুচা ১৫ টাকা, চিকেন টোস্ট ৪৫ টাকা, চিকেন পরোটা ৫০ টাকা, বিফ পরোটা ৬০ টাকা, নরমাল পরোটা ৩০ টাকা, বেগুনি ৫ টাকা, আলুর চপ ৫ টাকা, পেঁয়াজু ৫ টাকা, ভেজিটেবল পাকোড়া ৫ টাকা, ডিমচপ প্রতিটি ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঘুমনি ১০০ টাকা কেজি, ছোলা ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, সবজির বড়া ১০ টাকা প্রতিটি, গরুর টিকা ৩০ এবং মুরগির টিকা ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। জালি কাবাব প্রতি পিস ৫০ টাকা, সাসলিক ৫০ টাকা, টিকা কাবাব ৫০ টাকা, চিকেন রোল ৬০ টাকা, আস্ত মুরগি ৩৫০ টাকা, পনির ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও পানীয় আইটেমের মধ্যে পেস্তা শরবত ২০০ টাকা লিটার, মাঠা ৮০ টাকা লিটার, বোরহানি ১২০ টাকা লিটার, ফালুদা বড় বাটি ২০০ টাকা, ফালুদা ছোট বাটি ১০০ টাকা, দইবড়া বড়া ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ইফতারির অন্যতম জনপ্রিয় আইটেম জিলাপি। তবে মৌচাক মার্কেটের শাহী জিলাপি অনেকের কাছেই বেশ প্রিয়। দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই ছুটে আসেন এই শাহী জিলাপি কিনতে। বনানী থেকে আসা আমজাদ হোসেন বলেন, মৌচাকের এই শাহি জিলাপি সত্যি অন্যদের চেয়ে আলাদা। আমি প্রতিবছরই সময় সুযোগ পেলেই এখান থেকে জিলাপি কিনে নিয়ে যাই ইফতারির জন্য। বিশেষ করে আমার ছেলে মেয়েরা এই মচমচে শাহি জিলাপি খুব পছন্দ করে। এবার প্রথম রোজা ছুটির দিন হওয়ায় এখানে জিলাপি কিনতে এসেছি। তবে এবার দাম কিছুটা বেশি। গত বছরও ২২০ টাকা কেজি কিনেছি। এবার সেটা তিনশত টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আসলে ইফতারির সব রকম সামগ্রির দাম যে ভাবে বেড়েছে তাতে রোজাদাররা স্বস্তিতে ইফতার করতে পারবে না। বিশেষ করে নি¤œ আয়ের মানুষদেরতো খেজুর পানি দিয়েও ইফতার করা সম্ভব হবে না। গত বছর যে খেজুর সর্বনি¤œ ১০০টাকা থেকে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে, সে খজুর এবার ২৫০ টাকা থেকে ৩০০টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া রাজধানীর অলিতে গলিতে ইফতার সামগ্রী সাজিয়ে দোকান বসে। বিশেষ করে প্রতিটি হোটেলের সামনেই সামিয়ানা টানিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ইফতার সামগ্রী। এসব অলিগলির ফুটপাতের দোকানগুলোতে ছোলা, মুড়ি, পিয়াজো, বেগুনি এসব প্রচলিত আইটেমই বেশি বিক্রি হয়। হোটেলগুলোতে এসব প্রচলিত আইটেমের পাশাপাশি হালিম, কাবাব এসবও বিক্রি হয়। মগবাজার উজ্জ্বল হোটেলের হালিম অনেকের কাছেই খুব প্রিয়। তবে এবার গোশতের এবং ডালের দাম বেশি হওয়ায় হালিমের দামও অনেক চড়া। গত বছর ১০০টাকায় যে বাটি বিক্রি হয়েছে এবার তার দাম ২০০ টাকা। যে হাড়ি ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে এবার তা ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর ইফতার বাজার প্রথম দিনেই জমজমাট

আপডেট সময় ০৩:১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মার্চ ২০২৩

পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই জমে উঠেছে রাজধানীর ইফতার বাজার। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী চকবাজার, নিউ মার্কেট, বেইলী রোডসহ রাজধানীর সর্বত্রই নানান রকম ইফতারি পণ্যের পসরা নিয়ে বসে বিক্রেতারা। বিশেষ করে রাজধানীর চকবাজারের রাস্তায় করোনামহামারির পর গতকাল আবারও দেখা গেল ক্রেতাদের ভিড়, সেই চির চেনা দৃশ্য। চকবাজার জামে মসজিদের সামনের রাস্তার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত বাহারি ইফতারের দোকানে ভরে উঠেছে। এসব দোকান কাবাব, কোফতা, রোস্ট, পরোটা, তন্দুরি, দই ভরা, ফুলুরি, পেঁয়াজু, বেগুনি, হালুয়া, শরবতের মতো শতাধিক ধরনের উপাদেয় খাবারের পরিপূর্ণ। তবে এসব প্রতিটি পদের দাম গত বছরের চেয়ে বেশি বলে ক্রেতাদের অভিযোগ।

রোজার প্রথমদিনই ঢাকার ঐতিহ্যবাহী চকবাজারের ইফতার কিনতে দূর থেকে লোকজন ছুটে এসেছেন। জুমা নামাজের পর থেকে বেলা যত গড়িয়েছে ততই জমজমাট হয়ে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী ইফতারের এ বাজার। প্রচলিত ইফতারির পাশাপাশি নানা স্বাদের বাহারি আয়োজন সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। বাহারি এসব ইফতারির স্বাদ নিতে দুপুরেই দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে এসেছেন ভোজনবিলাসীরা। ঐতিহ্যবাহী খানদানি ইফতারি কিনতে দেখা গেছে দীর্ঘ জটলা। প্রতি বছরের মতো এবারও চকবাজারের ইফতারির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়’ নামের বিশেষ ইফতারি। ক্রেতারা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে হলে এই বিশেষ ধরনের ইফতারি কিনে নিয়ে যান। ‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়’ তৈরিতে গোশত, সুতি কাবাব, গোশতের কিমা, ডাবলি, বুটের ডাল, ডিম, মগজ, আলু, ঘি, কাঁচা ও শুকনো মরিচসহ নানা পদের খাবার আইটেম এবং হরেক ধরনের মসলা প্রয়োজন হয়। প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা দরে এবার এটি বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে রাজধানীর বেইলী রোডেও রোজার প্রথম দিনই জমে উঠেছে ইফতার বাজার। বেইলী রোড নতুন প্রজন্মের কাছে ফাস্ট ফুড খাবারের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এসব ফাস্ট ফুডের দোকানগুলো রোজায় প্রতিবছরই ইফতারের বিশেষ আইটেম নিয়ে ক্রেতাদের সামনে হাজির হয়। এবারও তার ব্যক্রিম হয়নি। করোনা মহামারির সময় ক্রেতারা সশরীরে উপস্থিত হতে না পারলেও বেইলী রোডের এসব দোকান থেকে অনলাইনে অর্ডার দিয়ে ইফতার কিনেছেন অনেকে। এবার ক্রেতারা সশরীরে উপস্থিত হয়ে বেইলী রোডে যেমন পছন্দের খাবার কিনছেন, তেমনি অনেকে আবার অনলাইনেও ইফতারের অর্ডার দিচ্ছেন। বেইলী রোডের অনেকগুলো দোকানই অনলাইনে ইফতারির অর্ডার নিয়ে সাপ্লাই দিচ্ছে।

বিশেষ ধরনের আকর্ষণীয় আইটেমের পাশাপাশি বেইলী রোডে প্রচলিত ইফতারির কদরও অনেক বেশি। এখানে ছোট জিলাপি ২০০ টাকা, বড় সাইজের জিলাপি ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শিঙাড়া ১৫ টাকা প্রতি পিস, সমুচা ১৫ টাকা, চিকেন টোস্ট ৪৫ টাকা, চিকেন পরোটা ৫০ টাকা, বিফ পরোটা ৬০ টাকা, নরমাল পরোটা ৩০ টাকা, বেগুনি ৫ টাকা, আলুর চপ ৫ টাকা, পেঁয়াজু ৫ টাকা, ভেজিটেবল পাকোড়া ৫ টাকা, ডিমচপ প্রতিটি ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঘুমনি ১০০ টাকা কেজি, ছোলা ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, সবজির বড়া ১০ টাকা প্রতিটি, গরুর টিকা ৩০ এবং মুরগির টিকা ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। জালি কাবাব প্রতি পিস ৫০ টাকা, সাসলিক ৫০ টাকা, টিকা কাবাব ৫০ টাকা, চিকেন রোল ৬০ টাকা, আস্ত মুরগি ৩৫০ টাকা, পনির ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও পানীয় আইটেমের মধ্যে পেস্তা শরবত ২০০ টাকা লিটার, মাঠা ৮০ টাকা লিটার, বোরহানি ১২০ টাকা লিটার, ফালুদা বড় বাটি ২০০ টাকা, ফালুদা ছোট বাটি ১০০ টাকা, দইবড়া বড়া ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ইফতারির অন্যতম জনপ্রিয় আইটেম জিলাপি। তবে মৌচাক মার্কেটের শাহী জিলাপি অনেকের কাছেই বেশ প্রিয়। দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই ছুটে আসেন এই শাহী জিলাপি কিনতে। বনানী থেকে আসা আমজাদ হোসেন বলেন, মৌচাকের এই শাহি জিলাপি সত্যি অন্যদের চেয়ে আলাদা। আমি প্রতিবছরই সময় সুযোগ পেলেই এখান থেকে জিলাপি কিনে নিয়ে যাই ইফতারির জন্য। বিশেষ করে আমার ছেলে মেয়েরা এই মচমচে শাহি জিলাপি খুব পছন্দ করে। এবার প্রথম রোজা ছুটির দিন হওয়ায় এখানে জিলাপি কিনতে এসেছি। তবে এবার দাম কিছুটা বেশি। গত বছরও ২২০ টাকা কেজি কিনেছি। এবার সেটা তিনশত টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আসলে ইফতারির সব রকম সামগ্রির দাম যে ভাবে বেড়েছে তাতে রোজাদাররা স্বস্তিতে ইফতার করতে পারবে না। বিশেষ করে নি¤œ আয়ের মানুষদেরতো খেজুর পানি দিয়েও ইফতার করা সম্ভব হবে না। গত বছর যে খেজুর সর্বনি¤œ ১০০টাকা থেকে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে, সে খজুর এবার ২৫০ টাকা থেকে ৩০০টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া রাজধানীর অলিতে গলিতে ইফতার সামগ্রী সাজিয়ে দোকান বসে। বিশেষ করে প্রতিটি হোটেলের সামনেই সামিয়ানা টানিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ইফতার সামগ্রী। এসব অলিগলির ফুটপাতের দোকানগুলোতে ছোলা, মুড়ি, পিয়াজো, বেগুনি এসব প্রচলিত আইটেমই বেশি বিক্রি হয়। হোটেলগুলোতে এসব প্রচলিত আইটেমের পাশাপাশি হালিম, কাবাব এসবও বিক্রি হয়। মগবাজার উজ্জ্বল হোটেলের হালিম অনেকের কাছেই খুব প্রিয়। তবে এবার গোশতের এবং ডালের দাম বেশি হওয়ায় হালিমের দামও অনেক চড়া। গত বছর ১০০টাকায় যে বাটি বিক্রি হয়েছে এবার তার দাম ২০০ টাকা। যে হাড়ি ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে এবার তা ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।