ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হলে শত্রুদের কানাকড়িও দেবেন না হ্যালি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হলে শত্রুদের এক কানাকড়িও সহায়তা দেবেন না নিকি হ্যালি (৫১) । সম্প্রতি নিউইয়র্ক পোস্টে লেখা এক মন্তব্য প্রতিবেদনে এ কথা বলেন তিনি।

২০২৪ সালে অনুষ্ঠিতব্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপালিকান দলে মনোনয়নপ্রত্যাশী হ্যালি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তার জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ নষ্ট করে না। নির্বাচিত হলে তার দেশকে ঘৃণা করে এমন দেশগুলোর জন্য বিদেশি সাহায্যের প্রতি শতাংশ কমিয়ে দেবেন। এর মধ্যে রয়েছে চীন, পাকিস্তান এবং অন্যান্য প্রতিপক্ষ।

দক্ষিণ ক্যারোলিনার প্রাক্তন গভর্নর এবং জাতিসংঘের সাবেক এই মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিখেছেন, যারা আমাদের আস্থার যোগ্য ও শত্রুদের বিরুদ্ধে দাঁড়ায় এবং আমাদের বন্ধুদের পাশে দাঁড়ায় তাদের ব্যতীত কাউকেই সহায়তা দেবেন না।

হ্যালি আনুষ্ঠানিকভাবে, ১৫ ফেব্রুয়ারি তার নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছিলেন। নতুন প্রজন্মের অংশ হিসাবে ভোটারদের কাছে নিজেকে তুলে ধরে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র গত বছর বৈদেশিক সাহায্যের জন্য ৪৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। যা এখন পর্যন্ত অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি। সেই অর্থ কোথায় যাচ্ছে এবং কী কাজে ব্যবহার হচ্ছে তা করদাতারা জানার যোগ্য। তারা এটা জেনে আশ্চর্য হবেন যে, এর বেশির ভাগই যুক্তরাষ্ট্র বিদ্বেষী দেশের অর্থায়নে যায়।

রিপাবলিকান দল থেকে প্রথম কোনো ভারতীয় আমেরিকান নারী হিসাবে প্রেসিডেন্ট পদপার্থী হ্যালি জানান, যুক্তরাষ্ট্র গত কয়েক বছরে ইরানকে দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা দিয়েছে। যারা আমাদের সৈন্যদের ওপর আক্রমণ করে।

তিনি আরও বলেন, বাইডেন প্রশাসন পাকিস্তানে সামরিক সহায়তা পুনরায় শুরু করেছে। যদিও দেশটি কমপক্ষে ডজনখানেক সন্ত্রাসী সংগঠনের আবাসস্থল এবং সরকার গভীরভাবে চীনের সঙ্গে জড়িত। এ ছাড়াও বাইডেনের দল জাতিসংঘের একটি দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থাকে অর্ধবিলিয়ন ডলার পুনরুদ্ধার করেছেন, তবে এই অর্থ ফিলিস্তিনি জনগণকে সাহায্য করার কথা থাকলেও, তা প্রকৃতপক্ষে আমাদের বন্ধু দেশ ইসরাইলের বিরুদ্ধে গভীরভাবে ইহুদিবিরোধী প্রচারের জন্য কাজ করে।

নিকি হ্যালির মতে, যুক্তরাষ্ট্র জিম্বাবুয়েকে কয়েক মিলিয়ন দিয়েছে, যারা জাতিসংঘে আমাদের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার রেকর্ড রয়েছে। তিনি পরিবেশগত কর্মসূচির জন্য চীন, কিউবা এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নিকটতম মিত্র বেলারুশকেও অর্থ সহায়তা দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

প্রেসিডেন্ট হলে, মার্কিন শক্তি, গর্ব ও জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করার প্রত্যয় নিয়ে নিকি হ্যালি লিখেন, আমি সেই প্রেসিডেন্ট হবো, ঠিক যেমন আমি রাষ্ট্রদূত ছিলাম যে, পাকিস্তানকে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা কমানোর জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিলাম। যুক্তরাষ্ট্রের আগামী প্রেসিডেন্ট হলে আমি শত্র“দের দেওয়া প্রতিটি পয়সা ব্লক করব।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হলে শত্রুদের কানাকড়িও দেবেন না হ্যালি

আপডেট সময় ০৩:৫০:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হলে শত্রুদের এক কানাকড়িও সহায়তা দেবেন না নিকি হ্যালি (৫১) । সম্প্রতি নিউইয়র্ক পোস্টে লেখা এক মন্তব্য প্রতিবেদনে এ কথা বলেন তিনি।

২০২৪ সালে অনুষ্ঠিতব্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপালিকান দলে মনোনয়নপ্রত্যাশী হ্যালি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তার জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ নষ্ট করে না। নির্বাচিত হলে তার দেশকে ঘৃণা করে এমন দেশগুলোর জন্য বিদেশি সাহায্যের প্রতি শতাংশ কমিয়ে দেবেন। এর মধ্যে রয়েছে চীন, পাকিস্তান এবং অন্যান্য প্রতিপক্ষ।

দক্ষিণ ক্যারোলিনার প্রাক্তন গভর্নর এবং জাতিসংঘের সাবেক এই মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিখেছেন, যারা আমাদের আস্থার যোগ্য ও শত্রুদের বিরুদ্ধে দাঁড়ায় এবং আমাদের বন্ধুদের পাশে দাঁড়ায় তাদের ব্যতীত কাউকেই সহায়তা দেবেন না।

হ্যালি আনুষ্ঠানিকভাবে, ১৫ ফেব্রুয়ারি তার নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছিলেন। নতুন প্রজন্মের অংশ হিসাবে ভোটারদের কাছে নিজেকে তুলে ধরে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র গত বছর বৈদেশিক সাহায্যের জন্য ৪৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। যা এখন পর্যন্ত অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি। সেই অর্থ কোথায় যাচ্ছে এবং কী কাজে ব্যবহার হচ্ছে তা করদাতারা জানার যোগ্য। তারা এটা জেনে আশ্চর্য হবেন যে, এর বেশির ভাগই যুক্তরাষ্ট্র বিদ্বেষী দেশের অর্থায়নে যায়।

রিপাবলিকান দল থেকে প্রথম কোনো ভারতীয় আমেরিকান নারী হিসাবে প্রেসিডেন্ট পদপার্থী হ্যালি জানান, যুক্তরাষ্ট্র গত কয়েক বছরে ইরানকে দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা দিয়েছে। যারা আমাদের সৈন্যদের ওপর আক্রমণ করে।

তিনি আরও বলেন, বাইডেন প্রশাসন পাকিস্তানে সামরিক সহায়তা পুনরায় শুরু করেছে। যদিও দেশটি কমপক্ষে ডজনখানেক সন্ত্রাসী সংগঠনের আবাসস্থল এবং সরকার গভীরভাবে চীনের সঙ্গে জড়িত। এ ছাড়াও বাইডেনের দল জাতিসংঘের একটি দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থাকে অর্ধবিলিয়ন ডলার পুনরুদ্ধার করেছেন, তবে এই অর্থ ফিলিস্তিনি জনগণকে সাহায্য করার কথা থাকলেও, তা প্রকৃতপক্ষে আমাদের বন্ধু দেশ ইসরাইলের বিরুদ্ধে গভীরভাবে ইহুদিবিরোধী প্রচারের জন্য কাজ করে।

নিকি হ্যালির মতে, যুক্তরাষ্ট্র জিম্বাবুয়েকে কয়েক মিলিয়ন দিয়েছে, যারা জাতিসংঘে আমাদের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার রেকর্ড রয়েছে। তিনি পরিবেশগত কর্মসূচির জন্য চীন, কিউবা এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নিকটতম মিত্র বেলারুশকেও অর্থ সহায়তা দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

প্রেসিডেন্ট হলে, মার্কিন শক্তি, গর্ব ও জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করার প্রত্যয় নিয়ে নিকি হ্যালি লিখেন, আমি সেই প্রেসিডেন্ট হবো, ঠিক যেমন আমি রাষ্ট্রদূত ছিলাম যে, পাকিস্তানকে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা কমানোর জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিলাম। যুক্তরাষ্ট্রের আগামী প্রেসিডেন্ট হলে আমি শত্র“দের দেওয়া প্রতিটি পয়সা ব্লক করব।