ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মস্তিষ্ক খেকো অ্যামিবার আক্রমণে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথম মৃত্যু

প্রথমবারের মতো নেগেলেরিয়া ফাউলেরি বা ‘মস্তিষ্ক খেকো অ্যামিবা’র আক্রমণে দক্ষিণ কোরিয়ায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। থাইল্যান্ড থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় ফিরে আসার পর চলতি মাসেই মারা যান ওই ব্যক্তি। দেশটিতে মানুষের মগজ খেকো এই অ্যামিবার সংক্রমণের ঘটনাও এটাই প্রথম। পঞ্চাশোর্ধ ওই ব্যক্তি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডে চার মাস থাকার পর গত ১০ ডিসেম্বর কোরিয়ায় ফিরে আসেন এবং পরের দিন তাকে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার তিনি মারা যান। দক্ষিণ কোরিয়া এই অ্যামিবার সংক্রমণের এটাই প্রথম ঘটনা। ১৯৩৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এই মগজ খোকো অ্যামিবার সংক্রমণ ধরা পড়ে। মূলত নেগেলেরিয়া ফাউলেরি হলো একটি অ্যামিবা যা সাধারণত সারা পৃথিবীতে উষ্ণ মিঠা পানির হ্রদ, নদী, খাল এবং পুকুরে পাওয়া যায়। এই অ্যামিবা সাধারণত নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার সময় শরীরে প্রবেশ করে এবং মস্তিষ্কের টিস্যু ধ্বংস করতে মগজে চলে যায়। ২০২০ সালে এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছিল, নেগেলেরিয়া ফাউলেরি নামের আণুুবীক্ষণিক এক-কোষী অ্যামিবা মানুষের মগজে সংক্রমণ ঘটিয়ে থাকে এবং এটা সাধারণত প্রাণঘাতী হয়। গরম মিষ্টি পানিতে বাস এই অ্যামিবা নাকের ভেতর দিয়ে মানুষের দেহে ঢোকে। তবে এটা একজন থেকে আরেকজনের দেহে ছড়ায় না। কেডিসিএ বলেছে, নেগেলেরিয়া ফাউলেরিয়া মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণের সম্ভাবনা কম। তবে যে অঞ্চলে এই রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে সাঁতার কাটা থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিরত থাকতে বলা হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র, ভারত এবং থাইল্যান্ডসহ ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে নেগেলেরিয়া ফাউলেরিতে সংক্রমণের মোট ৩৮১টি ঘটনা ঘটেছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

মস্তিষ্ক খেকো অ্যামিবার আক্রমণে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথম মৃত্যু

আপডেট সময় ০৩:৩৬:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২২

প্রথমবারের মতো নেগেলেরিয়া ফাউলেরি বা ‘মস্তিষ্ক খেকো অ্যামিবা’র আক্রমণে দক্ষিণ কোরিয়ায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। থাইল্যান্ড থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় ফিরে আসার পর চলতি মাসেই মারা যান ওই ব্যক্তি। দেশটিতে মানুষের মগজ খেকো এই অ্যামিবার সংক্রমণের ঘটনাও এটাই প্রথম। পঞ্চাশোর্ধ ওই ব্যক্তি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডে চার মাস থাকার পর গত ১০ ডিসেম্বর কোরিয়ায় ফিরে আসেন এবং পরের দিন তাকে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার তিনি মারা যান। দক্ষিণ কোরিয়া এই অ্যামিবার সংক্রমণের এটাই প্রথম ঘটনা। ১৯৩৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এই মগজ খোকো অ্যামিবার সংক্রমণ ধরা পড়ে। মূলত নেগেলেরিয়া ফাউলেরি হলো একটি অ্যামিবা যা সাধারণত সারা পৃথিবীতে উষ্ণ মিঠা পানির হ্রদ, নদী, খাল এবং পুকুরে পাওয়া যায়। এই অ্যামিবা সাধারণত নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার সময় শরীরে প্রবেশ করে এবং মস্তিষ্কের টিস্যু ধ্বংস করতে মগজে চলে যায়। ২০২০ সালে এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছিল, নেগেলেরিয়া ফাউলেরি নামের আণুুবীক্ষণিক এক-কোষী অ্যামিবা মানুষের মগজে সংক্রমণ ঘটিয়ে থাকে এবং এটা সাধারণত প্রাণঘাতী হয়। গরম মিষ্টি পানিতে বাস এই অ্যামিবা নাকের ভেতর দিয়ে মানুষের দেহে ঢোকে। তবে এটা একজন থেকে আরেকজনের দেহে ছড়ায় না। কেডিসিএ বলেছে, নেগেলেরিয়া ফাউলেরিয়া মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণের সম্ভাবনা কম। তবে যে অঞ্চলে এই রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে সাঁতার কাটা থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিরত থাকতে বলা হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র, ভারত এবং থাইল্যান্ডসহ ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে নেগেলেরিয়া ফাউলেরিতে সংক্রমণের মোট ৩৮১টি ঘটনা ঘটেছে।