ঢাকা , সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সরকার তারেককে ফিরিয়ে এনে অবশ্যই আদালতের রায় কার্যকর করবে : প্রধানমন্ত্রী Logo ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতির প্রভাব কী হতে পারে? Logo মায়ের ওড়না শাড়ি বানিয়ে পরলেন জেফার, দেখালেন চমক Logo পরিবারসহ বেনজীরের আরও ১১৩ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ Logo হায়দরাবাদকে গুঁড়িয়ে, উড়িয়ে কলকাতা চ্যাম্পিয়ন Logo ফতুল্লায় রহিম হাজী ও সামেদ আলীর গ্রুপে সংঘর্ষ, ভাংচুর, আহত ১৫ Logo সোনারগাঁয়ে নির্বাচন পরবর্তী প্রতিহিংসায় শতাধিক ফলজ গাছ কর্তন Logo মুছাপুরে স্বর্ণকার অজিতের প্রেমের ফাঁদে সর্বশান্ত প্রবাসী নারী Logo বন্দরে বিভিন্ন মামলার ২ সাঁজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার Logo নাসিকের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় অন্ত:সত্তা নারীর মৃত্যু, চালক আটক

ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপ থেকে ৩৮ ঘণ্টা পর রিঙ্কুকে জীবিত উদ্ধার

তুরস্কে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন নিখোঁজ বাংলাদেশি গোলাম সাঈদ রিঙ্কু। ৩৮ ঘণ্টা পর তাকে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

ইস্তাম্বুলে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল নূরে আলম মঙ্গলবার রাতে টেলিফোনে  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কনসাল জেনারেল জানান, উদ্ধারকারী দলকে দুপুরের দিকে আমরা গোলাম সাঈদ রিঙ্কুর আটকে পড়ার কথা জানাই। উদ্ধারকারী দল দুপুরেই অভিযান শুরু করে। সন্ধ্যা নাগাদ তাকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এর আগে সোমবার রাতে তুরস্ক থেকে বাংলাদেশের উপরাষ্ট্রদূত শাহনাজ গাজী যুগান্তরকে জানিয়েছিলেন, তুরস্কে ভূমিকম্পে গোলাম সাঈদ রিঙ্কু নামে একজন বাংলাদেশি নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি জানান, সিরিয়া সীমান্তে কাহারা মানমারাস নামে একটি অঞ্চলে দুজন প্রবাসী বাংলাদেশি একটি ভবনে ছিলেন। ওই সময় ভূমিকম্পে ভবনটি ধসে পড়লে রিঙ্কু নিখোঁজ হন।

তার সহযোগী কোনোমতে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। তবে তিনিও বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বাংলাদেশ দূতাবাস বেরিয়ে আসা ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছে।

তবে ওই অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ না থাকায় তার মোবাইল ফোনের চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ায় কথা বলতে পারছেন না।

শাহনাজ গাজী আরও জানান, গাজী আস্তেব নামে আরেকটি ভূমিকম্প অঞ্চল থেকে ৩০/৩৫ জন বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে একটি আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে সিরিয়ার সীমান্তবর্তী তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের গাজিয়ানতেপ শহরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ওই ভূমিকম্পের পর আরও অন্তত ৭৭টি আফটারশক (পরাঘাত) অনুভূত হয়, যার মধ্যে তিনটি ছিল রিখটার স্কেলে ৬ মাত্রার বেশি। আবার একটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫।

ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পে তুরস্ক ও প্রতিবেশী সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মঙ্গলবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুই দেশে মোট ৫ হাজার ২১ জন মারা গেছেন। নিহততের সংখ্যা ১০ হাজার ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার তারেককে ফিরিয়ে এনে অবশ্যই আদালতের রায় কার্যকর করবে : প্রধানমন্ত্রী

ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপ থেকে ৩৮ ঘণ্টা পর রিঙ্কুকে জীবিত উদ্ধার

আপডেট সময় ০৪:১৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

তুরস্কে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন নিখোঁজ বাংলাদেশি গোলাম সাঈদ রিঙ্কু। ৩৮ ঘণ্টা পর তাকে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

ইস্তাম্বুলে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল নূরে আলম মঙ্গলবার রাতে টেলিফোনে  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কনসাল জেনারেল জানান, উদ্ধারকারী দলকে দুপুরের দিকে আমরা গোলাম সাঈদ রিঙ্কুর আটকে পড়ার কথা জানাই। উদ্ধারকারী দল দুপুরেই অভিযান শুরু করে। সন্ধ্যা নাগাদ তাকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এর আগে সোমবার রাতে তুরস্ক থেকে বাংলাদেশের উপরাষ্ট্রদূত শাহনাজ গাজী যুগান্তরকে জানিয়েছিলেন, তুরস্কে ভূমিকম্পে গোলাম সাঈদ রিঙ্কু নামে একজন বাংলাদেশি নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি জানান, সিরিয়া সীমান্তে কাহারা মানমারাস নামে একটি অঞ্চলে দুজন প্রবাসী বাংলাদেশি একটি ভবনে ছিলেন। ওই সময় ভূমিকম্পে ভবনটি ধসে পড়লে রিঙ্কু নিখোঁজ হন।

তার সহযোগী কোনোমতে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। তবে তিনিও বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বাংলাদেশ দূতাবাস বেরিয়ে আসা ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছে।

তবে ওই অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ না থাকায় তার মোবাইল ফোনের চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ায় কথা বলতে পারছেন না।

শাহনাজ গাজী আরও জানান, গাজী আস্তেব নামে আরেকটি ভূমিকম্প অঞ্চল থেকে ৩০/৩৫ জন বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে একটি আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে সিরিয়ার সীমান্তবর্তী তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের গাজিয়ানতেপ শহরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ওই ভূমিকম্পের পর আরও অন্তত ৭৭টি আফটারশক (পরাঘাত) অনুভূত হয়, যার মধ্যে তিনটি ছিল রিখটার স্কেলে ৬ মাত্রার বেশি। আবার একটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫।

ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পে তুরস্ক ও প্রতিবেশী সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মঙ্গলবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুই দেশে মোট ৫ হাজার ২১ জন মারা গেছেন। নিহততের সংখ্যা ১০ হাজার ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।