ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্রাজিলে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে বলসোনারো সমর্থকদের হামলা

ব্রাজিলের পুলিশ হেডকোয়ার্টারে হামলা চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পদে পরাজিত প্রার্থী জাইর বলসোনারোর সমর্থকরা। চলতি বছরের ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (রান অফ) লুলা দ্য সিলভার কাছে অল্প ব্যবধানে হেরে যান বর্তমান প্রেসিডেন্ট বলসোনারো। এরপর থেকে তার সমর্থকরা বিক্ষোভ করে আসছেন। তাদের দাবি, নির্বাচনে কারচুপি করে বলসোনারোকে হারানো হয়েছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সোমবার রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় অবস্থিত পুলিশ হেডকোয়ার্টারে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করেন বলসোনানোর সমর্থকরা। দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পরবর্তী সময়ে যা অন্যতম বড় রাজনৈতিক সংঘাতের ঘটনা।
রয়টার্সের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ব্রাজিলের ফুটবল দলের হলুদ রঙের জার্সি পড়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ জড়ান বিক্ষোভকারীরা। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে পুলিশ। এরপর আশপাশের বেশ কয়েকটি স্থানে বাস ও গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় উগ্রডানপন্থি বলসোনারোর সমর্থকরা।

পরবর্তীতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় বিক্ষোভকারীদের দমন করা হয়েছে।
এদিকে এর আগে সোমবার ব্রাজিলের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভাকে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রত্যয়িত করে ব্রাজিলের নির্বাচন কমিশন। এরপরই সংঘর্ষে জড়ান পরাজিত প্রেসিডেন্ট বলসোনারোর সমর্থকরা। নির্বাচনের আগে বলসোনারো বারবার দাবি করেছিলেন, ব্রাজিলের নির্বাচন ব্যবস্থা ত্রুটিপূর্ণ, নির্বাচনে সহজে কারচুপি করা যাবে। তবে প্রেসিডেন্ট পদে হেরে যাওয়ার পর বলসোনারো আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় মেনে নেননি আবার ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় বাধাও সৃষ্টি করেননি।

তবে তার কিছু সমর্থক মহাসড়ক অবরোধসহ সেনাবাহিনীর ব্যারাকের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন। তারা সেনাবাহিনীর প্রতি আবেদন জানিয়েছেন, তারা যেন দেশটিতে অভ্যুত্থান ঘটান এবং লুলাকে প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়া থেকে আটকান।

সোমবার বলসোনারোর সমর্থকরা প্রেসিডেন্ট প্যালেসের সামনে জড়ো হন। তারা সেনাবাহিনীর পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন। ওই সময় সমর্থকদের সঙ্গে যোগ দেন বলসোনারোও। কিন্তু তিনি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে কোনো বক্তব্য রাখেননি।

পরাজিত প্রেসিডেন্ট জিয়ার বোলসোনারোর অত্যন্ত কাছের লোক হোসে আসাসিও সেরারে জাভান্তকে সোমবার আদালতের নির্দেশে পুলিশ আটক করার পরই মূলত সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

ব্রাজিলে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে বলসোনারো সমর্থকদের হামলা

আপডেট সময় ১২:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২২

ব্রাজিলের পুলিশ হেডকোয়ার্টারে হামলা চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পদে পরাজিত প্রার্থী জাইর বলসোনারোর সমর্থকরা। চলতি বছরের ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (রান অফ) লুলা দ্য সিলভার কাছে অল্প ব্যবধানে হেরে যান বর্তমান প্রেসিডেন্ট বলসোনারো। এরপর থেকে তার সমর্থকরা বিক্ষোভ করে আসছেন। তাদের দাবি, নির্বাচনে কারচুপি করে বলসোনারোকে হারানো হয়েছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সোমবার রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় অবস্থিত পুলিশ হেডকোয়ার্টারে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করেন বলসোনানোর সমর্থকরা। দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পরবর্তী সময়ে যা অন্যতম বড় রাজনৈতিক সংঘাতের ঘটনা।
রয়টার্সের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ব্রাজিলের ফুটবল দলের হলুদ রঙের জার্সি পড়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ জড়ান বিক্ষোভকারীরা। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে পুলিশ। এরপর আশপাশের বেশ কয়েকটি স্থানে বাস ও গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় উগ্রডানপন্থি বলসোনারোর সমর্থকরা।

পরবর্তীতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় বিক্ষোভকারীদের দমন করা হয়েছে।
এদিকে এর আগে সোমবার ব্রাজিলের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভাকে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রত্যয়িত করে ব্রাজিলের নির্বাচন কমিশন। এরপরই সংঘর্ষে জড়ান পরাজিত প্রেসিডেন্ট বলসোনারোর সমর্থকরা। নির্বাচনের আগে বলসোনারো বারবার দাবি করেছিলেন, ব্রাজিলের নির্বাচন ব্যবস্থা ত্রুটিপূর্ণ, নির্বাচনে সহজে কারচুপি করা যাবে। তবে প্রেসিডেন্ট পদে হেরে যাওয়ার পর বলসোনারো আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় মেনে নেননি আবার ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় বাধাও সৃষ্টি করেননি।

তবে তার কিছু সমর্থক মহাসড়ক অবরোধসহ সেনাবাহিনীর ব্যারাকের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন। তারা সেনাবাহিনীর প্রতি আবেদন জানিয়েছেন, তারা যেন দেশটিতে অভ্যুত্থান ঘটান এবং লুলাকে প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়া থেকে আটকান।

সোমবার বলসোনারোর সমর্থকরা প্রেসিডেন্ট প্যালেসের সামনে জড়ো হন। তারা সেনাবাহিনীর পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন। ওই সময় সমর্থকদের সঙ্গে যোগ দেন বলসোনারোও। কিন্তু তিনি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে কোনো বক্তব্য রাখেননি।

পরাজিত প্রেসিডেন্ট জিয়ার বোলসোনারোর অত্যন্ত কাছের লোক হোসে আসাসিও সেরারে জাভান্তকে সোমবার আদালতের নির্দেশে পুলিশ আটক করার পরই মূলত সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।