ঢাকা , শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিশাল আকৃতির বাঘাইরটি ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলের জালে চরম বিপন্ন ঘোষিত একটি বিশাল বাঘাইর মাছ ধরা পড়েছে। ৩২ কেজি ওজনের ওই মাছটি ১ হাজার তিনশ টাকা কেজি দরে ৪১ হাজার ছয়শ টাকা দিয়ে এক ব্যবসায়ী কিনে নেন।

মঙ্গলবার ভোররাতে জেলে জয়নাল হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে। সকালে মাছটি আড়তে নেওয়া হয়।

জেলে জয়নাল হালদার জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার সন্ধ্যার দিকে তিনি সহযোগীদের নিয়ে পদ্মা নদীতে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নিয়ে মাছ ধরতে যান। সারারাত কোনো মাছ ধরা না পড়লেও নদীতে জাল ফেলে আশায় বসে থাকেন তারা।

ভোররাতের দিকে জালে হঠাৎ প্রচণ্ড টান লাগলে তারা দ্রুত জাল তুলতে শুরু করেন। পরে দেখতে পান বড় একটি বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি মঙ্গলবার সকালে বিক্রির জন্য দৌলতদিয়ায় রওশন মোল্লার আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা কিনে নেন। ঈদের পরে মাছটি পেয়ে আমাদের অনেক ভালো লাগছে।

মৎস্য ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা বলেন, ৩২ কেজি ওজনের বাঘাইর মাছটি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে এক হাজার তিনশ টাকা প্রতি কেজি দরে মোট ৪১ হাজার ছয়শ টাকায় কিনে নেন। মাছটি কিছুটা লাভে বিক্রির জন্য ফেরি ঘাটের পন্টুন বেঁধে রেখে বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করছেন বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহরিয়ার জামান সাবু মোবাইল ফোনে জানান, যেসব এলাকায় অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে সেসব এলাকায় বাঘাইরসহ বিপন্ন প্রজাতির মাছগুলো ধরা নিষিদ্ধ। কিন্তু গোয়ালন্দ এলাকায় কোনো অভয়াশ্রম নেই। তার ওপর এ এলাকায় পদ্মা-যমুনায় পানির গভীরতা অনেক কমে গেছে। ফলে গভীর জলের বড় বড় মাছগুলো এদিকে এসে সহজেই জেলের জালে ধরা পড়ছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

বিশাল আকৃতির বাঘাইরটি ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি

আপডেট সময় ০৩:২০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৩

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলের জালে চরম বিপন্ন ঘোষিত একটি বিশাল বাঘাইর মাছ ধরা পড়েছে। ৩২ কেজি ওজনের ওই মাছটি ১ হাজার তিনশ টাকা কেজি দরে ৪১ হাজার ছয়শ টাকা দিয়ে এক ব্যবসায়ী কিনে নেন।

মঙ্গলবার ভোররাতে জেলে জয়নাল হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে। সকালে মাছটি আড়তে নেওয়া হয়।

জেলে জয়নাল হালদার জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার সন্ধ্যার দিকে তিনি সহযোগীদের নিয়ে পদ্মা নদীতে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নিয়ে মাছ ধরতে যান। সারারাত কোনো মাছ ধরা না পড়লেও নদীতে জাল ফেলে আশায় বসে থাকেন তারা।

ভোররাতের দিকে জালে হঠাৎ প্রচণ্ড টান লাগলে তারা দ্রুত জাল তুলতে শুরু করেন। পরে দেখতে পান বড় একটি বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি মঙ্গলবার সকালে বিক্রির জন্য দৌলতদিয়ায় রওশন মোল্লার আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা কিনে নেন। ঈদের পরে মাছটি পেয়ে আমাদের অনেক ভালো লাগছে।

মৎস্য ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা বলেন, ৩২ কেজি ওজনের বাঘাইর মাছটি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে এক হাজার তিনশ টাকা প্রতি কেজি দরে মোট ৪১ হাজার ছয়শ টাকায় কিনে নেন। মাছটি কিছুটা লাভে বিক্রির জন্য ফেরি ঘাটের পন্টুন বেঁধে রেখে বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করছেন বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহরিয়ার জামান সাবু মোবাইল ফোনে জানান, যেসব এলাকায় অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে সেসব এলাকায় বাঘাইরসহ বিপন্ন প্রজাতির মাছগুলো ধরা নিষিদ্ধ। কিন্তু গোয়ালন্দ এলাকায় কোনো অভয়াশ্রম নেই। তার ওপর এ এলাকায় পদ্মা-যমুনায় পানির গভীরতা অনেক কমে গেছে। ফলে গভীর জলের বড় বড় মাছগুলো এদিকে এসে সহজেই জেলের জালে ধরা পড়ছে।