ঢাকা , শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বেইলি রোডে অগ্নিকান্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬, দগ্ধরাও সংকটাপন্ন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo সাত প্রতিমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ Logo আলো ঝলমলে রাতে বিপিএলের চ্যাম্পিয়ন বরিশাল Logo ফতুল্লায় নাসিম ওসমান স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ Logo সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় ফুট ওভার ব্রীজ হকার মুক্ত করলেন এম পি কাউসার হাসনাত Logo নাঃগঞ্জে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বইমেলায় কবিদের উত্তরীয় দিয়ে বরণ Logo সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার হাউজ স্কুলে ভর্তি বানিজ্য, ভর্তিতে অনিশ্চিত জমজ শিশু, প্রধান প্রকৌশলীর বদলির দাবি Logo উপজেলা নির্বাচনে সবার সহযোগিতা ও দোয়া চাইলেন মাকসুদ চেয়ারম্যান Logo বৃহত্তম মদনগঞ্জ পেশাজীবি শ্রমিক কল্যান সংগঠন’র ৫ ম বারের মতো বিনামূল্যে সুন্নতে খাৎনা অনুষ্ঠিত Logo বন্দরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা ও স্বামী গুরুত্বর জখমের ঘটনায় মা ও ছেলে আটক

বিশাল আকৃতির বাঘাইরটি ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলের জালে চরম বিপন্ন ঘোষিত একটি বিশাল বাঘাইর মাছ ধরা পড়েছে। ৩২ কেজি ওজনের ওই মাছটি ১ হাজার তিনশ টাকা কেজি দরে ৪১ হাজার ছয়শ টাকা দিয়ে এক ব্যবসায়ী কিনে নেন।

মঙ্গলবার ভোররাতে জেলে জয়নাল হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে। সকালে মাছটি আড়তে নেওয়া হয়।

জেলে জয়নাল হালদার জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার সন্ধ্যার দিকে তিনি সহযোগীদের নিয়ে পদ্মা নদীতে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নিয়ে মাছ ধরতে যান। সারারাত কোনো মাছ ধরা না পড়লেও নদীতে জাল ফেলে আশায় বসে থাকেন তারা।

ভোররাতের দিকে জালে হঠাৎ প্রচণ্ড টান লাগলে তারা দ্রুত জাল তুলতে শুরু করেন। পরে দেখতে পান বড় একটি বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি মঙ্গলবার সকালে বিক্রির জন্য দৌলতদিয়ায় রওশন মোল্লার আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা কিনে নেন। ঈদের পরে মাছটি পেয়ে আমাদের অনেক ভালো লাগছে।

মৎস্য ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা বলেন, ৩২ কেজি ওজনের বাঘাইর মাছটি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে এক হাজার তিনশ টাকা প্রতি কেজি দরে মোট ৪১ হাজার ছয়শ টাকায় কিনে নেন। মাছটি কিছুটা লাভে বিক্রির জন্য ফেরি ঘাটের পন্টুন বেঁধে রেখে বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করছেন বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহরিয়ার জামান সাবু মোবাইল ফোনে জানান, যেসব এলাকায় অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে সেসব এলাকায় বাঘাইরসহ বিপন্ন প্রজাতির মাছগুলো ধরা নিষিদ্ধ। কিন্তু গোয়ালন্দ এলাকায় কোনো অভয়াশ্রম নেই। তার ওপর এ এলাকায় পদ্মা-যমুনায় পানির গভীরতা অনেক কমে গেছে। ফলে গভীর জলের বড় বড় মাছগুলো এদিকে এসে সহজেই জেলের জালে ধরা পড়ছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

বেইলি রোডে অগ্নিকান্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬, দগ্ধরাও সংকটাপন্ন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিশাল আকৃতির বাঘাইরটি ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি

আপডেট সময় ০৩:২০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৩

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলের জালে চরম বিপন্ন ঘোষিত একটি বিশাল বাঘাইর মাছ ধরা পড়েছে। ৩২ কেজি ওজনের ওই মাছটি ১ হাজার তিনশ টাকা কেজি দরে ৪১ হাজার ছয়শ টাকা দিয়ে এক ব্যবসায়ী কিনে নেন।

মঙ্গলবার ভোররাতে জেলে জয়নাল হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে। সকালে মাছটি আড়তে নেওয়া হয়।

জেলে জয়নাল হালদার জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার সন্ধ্যার দিকে তিনি সহযোগীদের নিয়ে পদ্মা নদীতে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নিয়ে মাছ ধরতে যান। সারারাত কোনো মাছ ধরা না পড়লেও নদীতে জাল ফেলে আশায় বসে থাকেন তারা।

ভোররাতের দিকে জালে হঠাৎ প্রচণ্ড টান লাগলে তারা দ্রুত জাল তুলতে শুরু করেন। পরে দেখতে পান বড় একটি বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি মঙ্গলবার সকালে বিক্রির জন্য দৌলতদিয়ায় রওশন মোল্লার আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা কিনে নেন। ঈদের পরে মাছটি পেয়ে আমাদের অনেক ভালো লাগছে।

মৎস্য ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা বলেন, ৩২ কেজি ওজনের বাঘাইর মাছটি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে এক হাজার তিনশ টাকা প্রতি কেজি দরে মোট ৪১ হাজার ছয়শ টাকায় কিনে নেন। মাছটি কিছুটা লাভে বিক্রির জন্য ফেরি ঘাটের পন্টুন বেঁধে রেখে বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করছেন বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহরিয়ার জামান সাবু মোবাইল ফোনে জানান, যেসব এলাকায় অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে সেসব এলাকায় বাঘাইরসহ বিপন্ন প্রজাতির মাছগুলো ধরা নিষিদ্ধ। কিন্তু গোয়ালন্দ এলাকায় কোনো অভয়াশ্রম নেই। তার ওপর এ এলাকায় পদ্মা-যমুনায় পানির গভীরতা অনেক কমে গেছে। ফলে গভীর জলের বড় বড় মাছগুলো এদিকে এসে সহজেই জেলের জালে ধরা পড়ছে।