ঢাকা , সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বন্দরে শ্লীলতাহানির ভিডিও ধারণ করে যুবতীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার Logo আড়াইহাজারে রেস্টুরেন্ট থেকে অপত্তিকর অবস্থায় ১৬ কিশোর কিশোরী আটক Logo সোনারগাঁয়ে ট্রাক চাপায় যুবক নিহত, চালক আটক Logo সোনারগাঁয়ের আলোচিত সাধন মিয়া হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo বন্দর ১নং খেয়াঘাট মাঝি সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন Logo আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে মাকসুদ চেয়ারম্যান’র মত বিনিময় সভা ও উঠান বৈঠক Logo না’গঞ্জ জেলা জা’পা সভাপতি সানুর নাম ভাঙ্গিয়ে সুমন প্রধানের অপকর্ম রুখবে কে? Logo হুথিদের হামলায় লোহিত সাগরে ডুবে গেল সেই জাহাজ Logo রাতের লাইভের নেপথ্যের কারণ জানালেন তাহসান-ফারিণ Logo যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

বাণিজ্য মেলায় লক্ষাধিক ক্রেতা-দর্শনার্থী, শত কোটি টাকার পণ্য বিক্রি

ছুটির দিনে আবারও জমজমাট ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। মেলার ২১তম দিনে শনিবার (২১ জানুয়ারি) লক্ষাধিক লোকের সমাগম ঘটেছে। এদিন সকাল থেকে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে মেলায়। অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে এসেছেন, কিনেছেন পছন্দের জিনিসপত্র। ফলে বিক্রেতাদের মুখে হাসি ফুটেছে।

আয়োজক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, শনিবার সকাল থেকে ক্রেতাদের ভিড় ছিল। বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লক্ষাধিক লোকের সমাগম ঘটে। এতে স্টলগুলোতে বেচাকেনা বেড়ে যায়। এ পর্যন্ত শত কোটি টাকার বেচাকেনা হয়েছে মেলায়।

গত ১ জানুয়ারি থেকে ঢাকার পূর্বাচলের ৪ নম্বর সেক্টরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) দ্বিতীয় বারের মতো মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলার আসর বসে। মেলার শুরু থেকে লোকসমাগম কম ছিল। সেইসঙ্গে শীতের তীব্রতা বেশি ছিল। তবে পঞ্চম দিন থেকে ক্রেতা ও দর্শনার্থী বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ৬ জানুয়ারি থেকে জমে ওঠতে শুরু করে মেলা। দ্বিতীয় শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) পুরোদমে মেলা জমে ওঠে। তৃতীয় শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) দুই লাখ দর্শনার্থী আসে মেলায়; যা এবারের সর্বোচ্চ। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার (২১ জানুয়ারি) ছুটির দিনে লক্ষাধিক দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে।

মেলার আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, শেষ দিকে এসে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে। শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে বেশি। অনেক স্থানে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। পাশাপাশি শেষ দিকে বিভিন্ন পণ্যে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। ক্রেতা-দর্শনার্থী বেশি হওয়ার এটি একটি অন্যতম কারণ। ফলে বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মেলায় দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল।

রাজধানীর পান্থপথ থেকে মেলায় ঘুরতে এসেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাশেদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘অনেক ধরে আসার পরিকল্পনা করেছিলাম। আজ মেলায় ঘুরতে এসেছি। আমার সঙ্গে সহপাঠীরাও এসেছেন। মেলায় বিভিন্ন পণ্যে ছাড় দেখে কেনার আগ্রহ হয়েছে। এজন্য একটি ব্লেজার কিনেছি। সহপাঠীরা শাল কিনেছেন।’

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা থেকে মেলায় কেনাকাটা করতে এসেছেন কায়সার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘মেলার শুরুতে পণ্যের দাম বেশি ছিল। এখন দাম কমেছে। বিভিন্ন পণ্যে ডিসকাউন্ট দেওয়া হয়েছে। যে কারণে ক্রেতা অনেক বেড়েছে।’

সিরামিকসের নানা পণ্য দিয়ে স্টল সাজিয়েছেন ক্লে ইমেজ সিরামিকসের মালিক ও প্রতিষ্ঠাতা রেহানা আক্তার। তিনি বলেন, ‘ছুটির দিনে ক্রেতা-দর্শনার্থী বেড়েছে। শেষ দিকে এখন ক্রেতা বেশি। আশা করছি, দিন যত ফুরিয়ে আসবে ক্রেতা তত বাড়বে। আমার স্টলে সিরামিকসের নানা পণ্য রয়েছে। বেচাকেনা খুব ভালো হচ্ছে।’

ব্লেজার ও কোটের স্টলগুলোতে বেশি ছাড় দেওয়া হয়েছে। আশিক ফ্যাশনের ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের স্টলে কোট ১৩০০ টাকা, ব্লেজার ১৮০০ টাকা এবং শিশুদের ব্লেজার ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যের ওপর ৩০-৪০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে।’

স্টল মালিকরা বলছেন, প্রতি বছরের মতো এবারও মেলায় ডিসকাউন্ট দেওয়া হয়েছে। একদিকে ডিসকাউন্টের ঝোঁক, অন্যদিকে শীত কমে যাওয়ায় ক্রেতা বেড়ে গেছে। তবে বিগত সময়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য মেলার তুলনায় এখানে বেচাকেনা কম হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন স্টল মালিক।

আজ ছুটির দিনে মেলায় প্রায় দুই লাখ লোকের সমাগম হয়েছে বলে জানালেন রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর সচিব ও বাণিজ্য মেলার পরিচালক ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘পুরোদমে জমে উঠেছে মেলা। শেষ দিকে লোকসমাগম আরও বাড়বে, বেচাকেনাও বেশি হবে।’

মেলার ২১ দিনে কত টাকার বেচাকেনা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত শত কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে। বিভিন্ন স্টলে পণ্যের ওপর ছাড় দেওয়া হয়েছে। যে কারণে বেচাকেনা বেড়েছে। এবারের মেলায় ১৩০ থেকে ১৫০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রির টার্গেট করেছি আমরা। আশা করছি, টার্গেট পূরণ হবে।’

মেলায় দেশি-বিদেশি ৩৩১ প্রতিষ্ঠানের স্টল রয়েছে জানিয়ে ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘এর মধ্যে কয়েকটি প্যাভিলিয়ন ও মিনি প্যাভিলিয়ন রয়েছে। গত বছরের চেয়ে এবার ১০৬টি স্টল বেড়েছে। বিদেশি ১০ দেশের ১৭টি স্টল রয়েছে। এবার বড় পরিসরে মেলার আয়োজন করা হয়েছে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মেলায় খাদ্যপণ্যের মান এবং মূল্যের বিষয়ে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন আয়োজকরা। খাদ্যপণ্যের মূল্য নির্দিষ্ট থাকবে। মেলায় যাতায়াতে যাতে কোনও ধরনের নিরাপত্তার ব্যাঘাত না ঘটে, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। মেলায় যাতায়াতের সুবিধার জন্য গতবারের মতো বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা আছে। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মেলা প্রাঙ্গণ পর্যন্ত ৭০টি বিআরটিসি বাস চলাচল করছে। প্রয়োজনে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। এসব বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা। মেলা চলবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। তবে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে।

এবার মেলায় প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৪০ টাকা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ২০ টাকা। মেলার টিকিট অনলাইনে কিনলে ৫০ শতাংশ ছাড় আছে। মেলায় প্রায় এক হাজার গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা আছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্দরে শ্লীলতাহানির ভিডিও ধারণ করে যুবতীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

বাণিজ্য মেলায় লক্ষাধিক ক্রেতা-দর্শনার্থী, শত কোটি টাকার পণ্য বিক্রি

আপডেট সময় ০৪:২৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৩

ছুটির দিনে আবারও জমজমাট ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। মেলার ২১তম দিনে শনিবার (২১ জানুয়ারি) লক্ষাধিক লোকের সমাগম ঘটেছে। এদিন সকাল থেকে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে মেলায়। অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে এসেছেন, কিনেছেন পছন্দের জিনিসপত্র। ফলে বিক্রেতাদের মুখে হাসি ফুটেছে।

আয়োজক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, শনিবার সকাল থেকে ক্রেতাদের ভিড় ছিল। বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লক্ষাধিক লোকের সমাগম ঘটে। এতে স্টলগুলোতে বেচাকেনা বেড়ে যায়। এ পর্যন্ত শত কোটি টাকার বেচাকেনা হয়েছে মেলায়।

গত ১ জানুয়ারি থেকে ঢাকার পূর্বাচলের ৪ নম্বর সেক্টরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) দ্বিতীয় বারের মতো মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলার আসর বসে। মেলার শুরু থেকে লোকসমাগম কম ছিল। সেইসঙ্গে শীতের তীব্রতা বেশি ছিল। তবে পঞ্চম দিন থেকে ক্রেতা ও দর্শনার্থী বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ৬ জানুয়ারি থেকে জমে ওঠতে শুরু করে মেলা। দ্বিতীয় শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) পুরোদমে মেলা জমে ওঠে। তৃতীয় শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) দুই লাখ দর্শনার্থী আসে মেলায়; যা এবারের সর্বোচ্চ। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার (২১ জানুয়ারি) ছুটির দিনে লক্ষাধিক দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে।

মেলার আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, শেষ দিকে এসে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে। শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে বেশি। অনেক স্থানে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। পাশাপাশি শেষ দিকে বিভিন্ন পণ্যে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। ক্রেতা-দর্শনার্থী বেশি হওয়ার এটি একটি অন্যতম কারণ। ফলে বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মেলায় দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল।

রাজধানীর পান্থপথ থেকে মেলায় ঘুরতে এসেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাশেদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘অনেক ধরে আসার পরিকল্পনা করেছিলাম। আজ মেলায় ঘুরতে এসেছি। আমার সঙ্গে সহপাঠীরাও এসেছেন। মেলায় বিভিন্ন পণ্যে ছাড় দেখে কেনার আগ্রহ হয়েছে। এজন্য একটি ব্লেজার কিনেছি। সহপাঠীরা শাল কিনেছেন।’

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা থেকে মেলায় কেনাকাটা করতে এসেছেন কায়সার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘মেলার শুরুতে পণ্যের দাম বেশি ছিল। এখন দাম কমেছে। বিভিন্ন পণ্যে ডিসকাউন্ট দেওয়া হয়েছে। যে কারণে ক্রেতা অনেক বেড়েছে।’

সিরামিকসের নানা পণ্য দিয়ে স্টল সাজিয়েছেন ক্লে ইমেজ সিরামিকসের মালিক ও প্রতিষ্ঠাতা রেহানা আক্তার। তিনি বলেন, ‘ছুটির দিনে ক্রেতা-দর্শনার্থী বেড়েছে। শেষ দিকে এখন ক্রেতা বেশি। আশা করছি, দিন যত ফুরিয়ে আসবে ক্রেতা তত বাড়বে। আমার স্টলে সিরামিকসের নানা পণ্য রয়েছে। বেচাকেনা খুব ভালো হচ্ছে।’

ব্লেজার ও কোটের স্টলগুলোতে বেশি ছাড় দেওয়া হয়েছে। আশিক ফ্যাশনের ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের স্টলে কোট ১৩০০ টাকা, ব্লেজার ১৮০০ টাকা এবং শিশুদের ব্লেজার ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যের ওপর ৩০-৪০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে।’

স্টল মালিকরা বলছেন, প্রতি বছরের মতো এবারও মেলায় ডিসকাউন্ট দেওয়া হয়েছে। একদিকে ডিসকাউন্টের ঝোঁক, অন্যদিকে শীত কমে যাওয়ায় ক্রেতা বেড়ে গেছে। তবে বিগত সময়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য মেলার তুলনায় এখানে বেচাকেনা কম হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন স্টল মালিক।

আজ ছুটির দিনে মেলায় প্রায় দুই লাখ লোকের সমাগম হয়েছে বলে জানালেন রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর সচিব ও বাণিজ্য মেলার পরিচালক ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘পুরোদমে জমে উঠেছে মেলা। শেষ দিকে লোকসমাগম আরও বাড়বে, বেচাকেনাও বেশি হবে।’

মেলার ২১ দিনে কত টাকার বেচাকেনা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত শত কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে। বিভিন্ন স্টলে পণ্যের ওপর ছাড় দেওয়া হয়েছে। যে কারণে বেচাকেনা বেড়েছে। এবারের মেলায় ১৩০ থেকে ১৫০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রির টার্গেট করেছি আমরা। আশা করছি, টার্গেট পূরণ হবে।’

মেলায় দেশি-বিদেশি ৩৩১ প্রতিষ্ঠানের স্টল রয়েছে জানিয়ে ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘এর মধ্যে কয়েকটি প্যাভিলিয়ন ও মিনি প্যাভিলিয়ন রয়েছে। গত বছরের চেয়ে এবার ১০৬টি স্টল বেড়েছে। বিদেশি ১০ দেশের ১৭টি স্টল রয়েছে। এবার বড় পরিসরে মেলার আয়োজন করা হয়েছে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মেলায় খাদ্যপণ্যের মান এবং মূল্যের বিষয়ে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন আয়োজকরা। খাদ্যপণ্যের মূল্য নির্দিষ্ট থাকবে। মেলায় যাতায়াতে যাতে কোনও ধরনের নিরাপত্তার ব্যাঘাত না ঘটে, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। মেলায় যাতায়াতের সুবিধার জন্য গতবারের মতো বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা আছে। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মেলা প্রাঙ্গণ পর্যন্ত ৭০টি বিআরটিসি বাস চলাচল করছে। প্রয়োজনে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। এসব বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা। মেলা চলবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। তবে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে।

এবার মেলায় প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৪০ টাকা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ২০ টাকা। মেলার টিকিট অনলাইনে কিনলে ৫০ শতাংশ ছাড় আছে। মেলায় প্রায় এক হাজার গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা আছে।