ঢাকা , রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলার বাঘের ৬১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিক বাংলার বাঘ খ্যাত রাজনীতিবিদ আবুল কাশেম ফজলুল হকের ৬১তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ। তিনি একে ফজলুল হক এবং শের-এ-বাংলা নামে অধিক পরিচিত ছিলেন।
প্রখ্যাত রাজনীতিক একে ফজলুল হক ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর তৎকালীন বাখেরগঞ্জে (বর্তমান বরিশাল) জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি অবিভক্ত ভারতের রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের কাছে শের-এ-বাংলা এবং হক সাহেব নামে অধিক পরিচিত ছিলেন। ছিলেন একজন বড় মাপের আইনজীবী। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে বাঙালি কূটনীতিক হিসেবে বেশ পরিচিত ছিলেন। কর্মজীবনে কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩), পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী (১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (১৯৫৫) ও পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর (১৯৫৬-১৯৫৮) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠনে প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর তাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদক ‘হেলাল-ই-পাকিস্তান’ খেতাব দেওয়া হয়। অবিভক্ত বাংলায় তিনি কৃষক প্রজা পার্টি নামে রাজনৈতিক দল গঠন করেন। নিম্ন বর্ণের হিন্দু ও মুসলমান উভয় কৃষকদের স্বার্থের পক্ষে তিনি আজীবন লড়াই করেছেন। মুসলিম লিগের সঙ্গে ফজলুল হকের কৃষক প্রজা পার্টির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন এই খ্যাতিমান আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

বাংলার বাঘের ৬১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেট সময় ০৩:৫৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৩

উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিক বাংলার বাঘ খ্যাত রাজনীতিবিদ আবুল কাশেম ফজলুল হকের ৬১তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ। তিনি একে ফজলুল হক এবং শের-এ-বাংলা নামে অধিক পরিচিত ছিলেন।
প্রখ্যাত রাজনীতিক একে ফজলুল হক ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর তৎকালীন বাখেরগঞ্জে (বর্তমান বরিশাল) জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি অবিভক্ত ভারতের রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের কাছে শের-এ-বাংলা এবং হক সাহেব নামে অধিক পরিচিত ছিলেন। ছিলেন একজন বড় মাপের আইনজীবী। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে বাঙালি কূটনীতিক হিসেবে বেশ পরিচিত ছিলেন। কর্মজীবনে কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩), পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী (১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (১৯৫৫) ও পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর (১৯৫৬-১৯৫৮) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠনে প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর তাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদক ‘হেলাল-ই-পাকিস্তান’ খেতাব দেওয়া হয়। অবিভক্ত বাংলায় তিনি কৃষক প্রজা পার্টি নামে রাজনৈতিক দল গঠন করেন। নিম্ন বর্ণের হিন্দু ও মুসলমান উভয় কৃষকদের স্বার্থের পক্ষে তিনি আজীবন লড়াই করেছেন। মুসলিম লিগের সঙ্গে ফজলুল হকের কৃষক প্রজা পার্টির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন এই খ্যাতিমান আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ।