ঢাকা , বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফাইনালে মাশরাফির সিলেট, প্রতিপক্ষ কুমিল্লা

রংপুর রাইডার্সকে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের নবম আসরের ফাইনালে উঠেছে মাশরাফি বিন মর্তুজার সিলেট স্ট্রাইকার্স।
আজ টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় কোয়ালিফাইয়ারে সিলেট ১৯ রানে হারিয়েছে রংপুরকে। টুর্নামেন্ট ইতিহাসে এই প্রথমবারের মত ফাইনালে উঠলো সিলেট।
আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মুখোমুখি হবে সিলেট। প্রথম কোয়ালিফাইয়ারে সিলেটকে ৪ উইকেটে হারিয়ে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করে কুমিল্লা।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্বান্ত নেন রংপুরের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান।
প্রথম কোয়ালিফাইয়ারে খেলা ওপেনিং জুটিতে পরিবর্তন এনে এ ম্যাচে নাজমুল হোসেন শান্তর সাথে ইনিংস শুরু করে সিলেটকে দারুন সূচনা এনে দেন তৌহিদ হৃদয়। পাওয়ার-প্লেতে ৪৪ রান এনে দেন তারা। এসময় শান্ত ৫টি চারে ২১ বলে ৩০ ও হৃদয় ২টি চারে ১৫ বলে ১৪ রান করেন।
অষ্টম ওভারে সিলেটের রান ৫০ পূর্ণ করেন শান্ত ও হৃদয়। ঐ ওভারেই ম্যাচের প্রথম ছক্কা মারেন হৃদয়। নবম ওভারের চতুর্থ বলে ছক্কা মারার পরের ডেলিভারিতে স্পিনার মাহেদি হাসানের বলে লেগ বিফোর আউট হন ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩০ বলে ৪০ রান করা শান্ত। হৃদয়ের সাথে ৫৩ বলে ৬৫ রান যোগ করেন শান্ত।
শান্তর বিদায়ে পিঞ্চ হিটার হিসেবে তিন নম্বরে নামেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। প্রথম কোয়ালিফাইয়ারে পাঁচ নম্বরে নেমে ১৭ বলে ২৬ রান করেছিলেন তিনি। এবার নিজের মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই ছক্কা মারেন মাশরাফি।
দশম ওভারে দলীয় ৭৭ রানে হৃদয়কে থামান রংপুরের পেসার হাসান মাহমুদ। ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৫ বলে ২৫ রান করেন হৃদয়। হৃদয় ফেরার পর সিলেটের রানের চাকা সচল রাখেন মাশরাফি ও জাকির। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৩তম ওভারে সিলেটের রান ১শতে নেন তারা। ঐ ওভারেই জাকিরকে আউট করেন রংপুরের শ্রীলংকার পেসার দাসুন শানাকা। ১টি চারে ১৩ বলে ১৬ রান করেন জাকির।
১৪তম ওভারে মাশরাফির দু’টি ও জিম্বাবুইয়ান রায়ান বার্লের ১ বাউন্ডারিতে ১৯ রান পায় সিলেট। শানাকার পরের ওভারে ১টি করে চার-ছক্কা মেরে আউট হন বার্ল। ৬ বলে ১৫ রান করেন তিনি।
ডোয়াইন ব্রাভোর করা ১৬তম ওভারে প্রথম বলে আউট হন মাশরাফি। তবে তার আগে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৬ বলে ২৮ রানের কার্যকর ইনিংস উপহার দেন সিলেট অধিনায়ক।
ছয় নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি মুশফিকুর রহিম। হাসানের দ্বিতীয় শিকার হন ৫ বলে ১টি চারে ৬ রান করা মুশি।
মুশফিকের ফেরার পর সপ্তম উইকেটে ২১ বলে ৩৬ রান তুলেন শ্রীলংকার থিসারা পেরেরা ও দক্ষিণ আফ্রিকার জর্জ লিন্ডে। শানাকার করা শেষ ওভারের ২টি ছক্কা ও ১টি চারে সিলেটকে ১৭ রান এনে দেন লিন্ডে। ১টি চার ও ২টি ছক্কায় ১০ বলে ২১ রানে অপরাজিত থাকেন লিন্ডে। ১টি ছয়ে ১৫ বলে ২১ রান করে রান আউট হন পেরেরা। এতে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮২ রানের সংগ্রহ পায় সিলেট।
বল হাতে রংপুরের হাসান ৩৪ রানে ও শানাকা ৪৫ রানে ২টি করে উইকেট নেন।
ফাইনাল নিশ্চিতের জন্য ১৮৩ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় রংপুর। ইংল্যান্ডের স্যাম বিলিংসকে ১ রানে থামিয়ে দেন সিলেটের পেসার তানজীম হাসান সাকিব। তিন নম্বরে নেমে দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে এলিমিনেটর ম্যাচের জয়ের নায়ক শামিম হোসেন। ১টি করে চারÑছয় মারলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। নিজের দ্বিতীয় ওভারে শামিমকে বিদায় করেন পেসার রুবেল হোসেন। ১১ বলে ১৪ রান করেন শামিম।
বিলিংস ও শামিমকে হারিয়ে পাওয়ার-প্লেতে ৩৭ রান পায় রংপুর। রান রেট কম থাকায় উইকেটে এসেই মারমুখী ব্যাট চালান ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিকোলাস পুরান। স্পিনার লিন্ডেকে ২টি, মাশরাফি- লুক উডকে ১টি করে ছয় মারেন পুরান। নবম ওভারে লিন্ডের দারুন ক্যাচে পুরানকে থামান উড। ১টি চার ও ৪টি ছক্কায় ১৪ বলে ৩০ রান করেন পুরান। ৬৮ রানে ৩ উইকেট হারায় রংপুর।
এরপর ওপেনার রনি তালুকদারের সাথে জুটি বাঁধেন অধিনায়ক নুরুল। ১০ম ওভারে এই জুটি ভাঙ্গার সুযোগ তৈরি করেন মাশরাফি। ম্যাশের ডেলিভারিতে ডিপ স্কয়াওে জাকির ক্যাচ মিস করলে ২৯ রানে জীবন পান রনি।
জীবন পেয়ে ১৪তম ওভারে এবারের আসরে তৃতীয় হাফ-সেঞ্চুরি করেন রনি। এজন্য ৪০ বল খেলেন তিনি। রনির হাফ-সেঞ্চুরি পর ম্যাচ জিততে শেষ ৬ ওভারে ৬৩ রান দরকার পড়ে রংপুরের।
রুবেলের করা ১৫তম ওভারে ভাগাভাগি করে ৪টি চার মেরে রংপুরের স্কোরে ১৭ রান জমা করেন রনি ও নুরুল। পরের দুই ওভারে ১৩ রান পায় রংপুর। শেষ ৩ ওভারে ৩৩ রান দরকার পড়ে রংপুরের।
১৮তম ওভারে শেষবারের মত আক্রমনে এসে প্রথম বলে রনি-নুরুলের জমে যাওয়া জুটি ভাঙ্গেন তানজিম হাসান সাকিব। ২৪ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ৩৩ রান করা নুরুলকে শিকার করেন তিনি। চতুর্থ উইকেটে ৫২ বলে ৮২ রান যোগ করেন রনি-নুরুল।
একই ওভারের চতুর্থ বলে রনিরও বিদায় ঘটে। সাকিবের ডেলিভারিটি খেলতে না পারলে বল জমা পড়ে উইকেটরক্ষক জাকিরের হাতে। রান নিতে উইকেট থেকে বের হন রনি। সরাসরি থ্রোতে উইকেট ভাঙ্গেন জাকির। রান আউট হওয়ার আগে ৫২ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬৬ রান করেন রনি। সাকিবের করা ওভার থেকে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২ রান পায় রংপুর।
১৯তম ওভারে বল করতে এসে প্রথম চার বলে ৩ রান দেন উড। শেষ দুই বলে মাহেদি ও ব্রাভোকে শিকার করেন উড। ঐ ওভারে ৩ রানে ২ উইকেট নেন উড। এমন অবস্থায় শেষ ওভারে জয়ের জন্য ২৮ রানের সমীকরন পায় রংপুর। শেষ ওভারে ৮ রান দিয়ে শানাকার উইকেট নিয়ে সিলেটের ফাইনাল নিশ্চিত করেন রুবেল। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬৩ রান করে ম্যাচ হারে রংপুর। সিলেটের পক্ষে উড ৩টি, সাকিব-রুবেল ২টি করে উইকেট নেন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ফাইনালে মাশরাফির সিলেট, প্রতিপক্ষ কুমিল্লা

আপডেট সময় ০৪:১৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

রংপুর রাইডার্সকে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের নবম আসরের ফাইনালে উঠেছে মাশরাফি বিন মর্তুজার সিলেট স্ট্রাইকার্স।
আজ টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় কোয়ালিফাইয়ারে সিলেট ১৯ রানে হারিয়েছে রংপুরকে। টুর্নামেন্ট ইতিহাসে এই প্রথমবারের মত ফাইনালে উঠলো সিলেট।
আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মুখোমুখি হবে সিলেট। প্রথম কোয়ালিফাইয়ারে সিলেটকে ৪ উইকেটে হারিয়ে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করে কুমিল্লা।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্বান্ত নেন রংপুরের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান।
প্রথম কোয়ালিফাইয়ারে খেলা ওপেনিং জুটিতে পরিবর্তন এনে এ ম্যাচে নাজমুল হোসেন শান্তর সাথে ইনিংস শুরু করে সিলেটকে দারুন সূচনা এনে দেন তৌহিদ হৃদয়। পাওয়ার-প্লেতে ৪৪ রান এনে দেন তারা। এসময় শান্ত ৫টি চারে ২১ বলে ৩০ ও হৃদয় ২টি চারে ১৫ বলে ১৪ রান করেন।
অষ্টম ওভারে সিলেটের রান ৫০ পূর্ণ করেন শান্ত ও হৃদয়। ঐ ওভারেই ম্যাচের প্রথম ছক্কা মারেন হৃদয়। নবম ওভারের চতুর্থ বলে ছক্কা মারার পরের ডেলিভারিতে স্পিনার মাহেদি হাসানের বলে লেগ বিফোর আউট হন ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩০ বলে ৪০ রান করা শান্ত। হৃদয়ের সাথে ৫৩ বলে ৬৫ রান যোগ করেন শান্ত।
শান্তর বিদায়ে পিঞ্চ হিটার হিসেবে তিন নম্বরে নামেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। প্রথম কোয়ালিফাইয়ারে পাঁচ নম্বরে নেমে ১৭ বলে ২৬ রান করেছিলেন তিনি। এবার নিজের মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই ছক্কা মারেন মাশরাফি।
দশম ওভারে দলীয় ৭৭ রানে হৃদয়কে থামান রংপুরের পেসার হাসান মাহমুদ। ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৫ বলে ২৫ রান করেন হৃদয়। হৃদয় ফেরার পর সিলেটের রানের চাকা সচল রাখেন মাশরাফি ও জাকির। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৩তম ওভারে সিলেটের রান ১শতে নেন তারা। ঐ ওভারেই জাকিরকে আউট করেন রংপুরের শ্রীলংকার পেসার দাসুন শানাকা। ১টি চারে ১৩ বলে ১৬ রান করেন জাকির।
১৪তম ওভারে মাশরাফির দু’টি ও জিম্বাবুইয়ান রায়ান বার্লের ১ বাউন্ডারিতে ১৯ রান পায় সিলেট। শানাকার পরের ওভারে ১টি করে চার-ছক্কা মেরে আউট হন বার্ল। ৬ বলে ১৫ রান করেন তিনি।
ডোয়াইন ব্রাভোর করা ১৬তম ওভারে প্রথম বলে আউট হন মাশরাফি। তবে তার আগে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৬ বলে ২৮ রানের কার্যকর ইনিংস উপহার দেন সিলেট অধিনায়ক।
ছয় নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি মুশফিকুর রহিম। হাসানের দ্বিতীয় শিকার হন ৫ বলে ১টি চারে ৬ রান করা মুশি।
মুশফিকের ফেরার পর সপ্তম উইকেটে ২১ বলে ৩৬ রান তুলেন শ্রীলংকার থিসারা পেরেরা ও দক্ষিণ আফ্রিকার জর্জ লিন্ডে। শানাকার করা শেষ ওভারের ২টি ছক্কা ও ১টি চারে সিলেটকে ১৭ রান এনে দেন লিন্ডে। ১টি চার ও ২টি ছক্কায় ১০ বলে ২১ রানে অপরাজিত থাকেন লিন্ডে। ১টি ছয়ে ১৫ বলে ২১ রান করে রান আউট হন পেরেরা। এতে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮২ রানের সংগ্রহ পায় সিলেট।
বল হাতে রংপুরের হাসান ৩৪ রানে ও শানাকা ৪৫ রানে ২টি করে উইকেট নেন।
ফাইনাল নিশ্চিতের জন্য ১৮৩ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় রংপুর। ইংল্যান্ডের স্যাম বিলিংসকে ১ রানে থামিয়ে দেন সিলেটের পেসার তানজীম হাসান সাকিব। তিন নম্বরে নেমে দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে এলিমিনেটর ম্যাচের জয়ের নায়ক শামিম হোসেন। ১টি করে চারÑছয় মারলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। নিজের দ্বিতীয় ওভারে শামিমকে বিদায় করেন পেসার রুবেল হোসেন। ১১ বলে ১৪ রান করেন শামিম।
বিলিংস ও শামিমকে হারিয়ে পাওয়ার-প্লেতে ৩৭ রান পায় রংপুর। রান রেট কম থাকায় উইকেটে এসেই মারমুখী ব্যাট চালান ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিকোলাস পুরান। স্পিনার লিন্ডেকে ২টি, মাশরাফি- লুক উডকে ১টি করে ছয় মারেন পুরান। নবম ওভারে লিন্ডের দারুন ক্যাচে পুরানকে থামান উড। ১টি চার ও ৪টি ছক্কায় ১৪ বলে ৩০ রান করেন পুরান। ৬৮ রানে ৩ উইকেট হারায় রংপুর।
এরপর ওপেনার রনি তালুকদারের সাথে জুটি বাঁধেন অধিনায়ক নুরুল। ১০ম ওভারে এই জুটি ভাঙ্গার সুযোগ তৈরি করেন মাশরাফি। ম্যাশের ডেলিভারিতে ডিপ স্কয়াওে জাকির ক্যাচ মিস করলে ২৯ রানে জীবন পান রনি।
জীবন পেয়ে ১৪তম ওভারে এবারের আসরে তৃতীয় হাফ-সেঞ্চুরি করেন রনি। এজন্য ৪০ বল খেলেন তিনি। রনির হাফ-সেঞ্চুরি পর ম্যাচ জিততে শেষ ৬ ওভারে ৬৩ রান দরকার পড়ে রংপুরের।
রুবেলের করা ১৫তম ওভারে ভাগাভাগি করে ৪টি চার মেরে রংপুরের স্কোরে ১৭ রান জমা করেন রনি ও নুরুল। পরের দুই ওভারে ১৩ রান পায় রংপুর। শেষ ৩ ওভারে ৩৩ রান দরকার পড়ে রংপুরের।
১৮তম ওভারে শেষবারের মত আক্রমনে এসে প্রথম বলে রনি-নুরুলের জমে যাওয়া জুটি ভাঙ্গেন তানজিম হাসান সাকিব। ২৪ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ৩৩ রান করা নুরুলকে শিকার করেন তিনি। চতুর্থ উইকেটে ৫২ বলে ৮২ রান যোগ করেন রনি-নুরুল।
একই ওভারের চতুর্থ বলে রনিরও বিদায় ঘটে। সাকিবের ডেলিভারিটি খেলতে না পারলে বল জমা পড়ে উইকেটরক্ষক জাকিরের হাতে। রান নিতে উইকেট থেকে বের হন রনি। সরাসরি থ্রোতে উইকেট ভাঙ্গেন জাকির। রান আউট হওয়ার আগে ৫২ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬৬ রান করেন রনি। সাকিবের করা ওভার থেকে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২ রান পায় রংপুর।
১৯তম ওভারে বল করতে এসে প্রথম চার বলে ৩ রান দেন উড। শেষ দুই বলে মাহেদি ও ব্রাভোকে শিকার করেন উড। ঐ ওভারে ৩ রানে ২ উইকেট নেন উড। এমন অবস্থায় শেষ ওভারে জয়ের জন্য ২৮ রানের সমীকরন পায় রংপুর। শেষ ওভারে ৮ রান দিয়ে শানাকার উইকেট নিয়ে সিলেটের ফাইনাল নিশ্চিত করেন রুবেল। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬৩ রান করে ম্যাচ হারে রংপুর। সিলেটের পক্ষে উড ৩টি, সাকিব-রুবেল ২টি করে উইকেট নেন।