ঢাকা , বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পাশাপাশি রওশন-কাদের, বক্তব্য দিলেন একজন

দীর্ঘদিন পর দলের কোনও অনুষ্ঠানে পাশাপাশি বসলেন জাতীয় পার্টির চিফ প্যাট্রন রওশন এরশাদ ও চেয়ারম্যান জি এম কাদের। দুজন উপস্থিত থাকলেও দলের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়েছেন একজন। আদালতের নিষেধাজ্ঞায় বক্তব্য দিতে পারেননি জিএম কাদের।

রবিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত ‘অস্থায়ী মঞ্চে’ দলের সিনিয়র নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে রওশন এরশাদ বলেন, ‘দলের পদ-পদবি নিয়ে যত দ্বন্দ্বই থাকুক, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে সেসব দ্বন্দ্ব বা মান-অভিমান ভুলে দলকে একতাবদ্ধ রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের চলার পথে মান অভিমান থাকবেই৷ কিন্তু দলের স্বার্থে সব ব্যক্তিগত স্বার্থ ভুলে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে, জাতীয় পার্টি একটা পরিবার, দলের প্রতিটি নেতাকর্মী সেই পরিবারের সদস্য। দলের যেকোনও সংকট, সমস্যা জ্যেষ্ঠ নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করা হবে।’

‘জাতীয় পার্টি সংবিধান মোতাবেক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে’ উল্লেখ করে রওশন এরশাদ বলেন, ‘এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। সাংগঠনিকভাবে দলকে শক্তিশালী করতে হবে, তৃণমূলেও জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করতে হবে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করলে মান অভিমান কমে যাবে। আমরা যদি মিলেমিশে থাকি, ঐক্যবদ্ধ থেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারি, তাহলে জাতীয় পার্টি অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ৷ বিকাল সোয়া ৪টার দিকে তিনি মঞ্চে আসেন। দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের পাশের আসনেই বসেন তিনি। সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কো-চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ, সালমা ইসলাম, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ফখরুল ইমাম, সাহিদুর রহমান টেপা, রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া।

২০১৮ সালের পর আজ জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে পাশাপাশি বসেন দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ ও চেয়ারম্যান জি এম কাদের। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পোস্টারেও বহু দিন পর জি এম কাদেরের সঙ্গে রওশন এরশাদের ছবি দেখা গেছে এদিন। নব্বইয়ের দশকে সামরিক শাসনের গর্ভগৃহ থেকে জন্ম নেওয়া রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টির আজ ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

পাশাপাশি রওশন-কাদের, বক্তব্য দিলেন একজন

আপডেট সময় ০৩:৪৭:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জানুয়ারী ২০২৩

দীর্ঘদিন পর দলের কোনও অনুষ্ঠানে পাশাপাশি বসলেন জাতীয় পার্টির চিফ প্যাট্রন রওশন এরশাদ ও চেয়ারম্যান জি এম কাদের। দুজন উপস্থিত থাকলেও দলের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়েছেন একজন। আদালতের নিষেধাজ্ঞায় বক্তব্য দিতে পারেননি জিএম কাদের।

রবিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত ‘অস্থায়ী মঞ্চে’ দলের সিনিয়র নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে রওশন এরশাদ বলেন, ‘দলের পদ-পদবি নিয়ে যত দ্বন্দ্বই থাকুক, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে সেসব দ্বন্দ্ব বা মান-অভিমান ভুলে দলকে একতাবদ্ধ রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের চলার পথে মান অভিমান থাকবেই৷ কিন্তু দলের স্বার্থে সব ব্যক্তিগত স্বার্থ ভুলে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে, জাতীয় পার্টি একটা পরিবার, দলের প্রতিটি নেতাকর্মী সেই পরিবারের সদস্য। দলের যেকোনও সংকট, সমস্যা জ্যেষ্ঠ নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করা হবে।’

‘জাতীয় পার্টি সংবিধান মোতাবেক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে’ উল্লেখ করে রওশন এরশাদ বলেন, ‘এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। সাংগঠনিকভাবে দলকে শক্তিশালী করতে হবে, তৃণমূলেও জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করতে হবে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করলে মান অভিমান কমে যাবে। আমরা যদি মিলেমিশে থাকি, ঐক্যবদ্ধ থেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারি, তাহলে জাতীয় পার্টি অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ৷ বিকাল সোয়া ৪টার দিকে তিনি মঞ্চে আসেন। দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের পাশের আসনেই বসেন তিনি। সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কো-চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ, সালমা ইসলাম, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ফখরুল ইমাম, সাহিদুর রহমান টেপা, রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া।

২০১৮ সালের পর আজ জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে পাশাপাশি বসেন দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ ও চেয়ারম্যান জি এম কাদের। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পোস্টারেও বহু দিন পর জি এম কাদেরের সঙ্গে রওশন এরশাদের ছবি দেখা গেছে এদিন। নব্বইয়ের দশকে সামরিক শাসনের গর্ভগৃহ থেকে জন্ম নেওয়া রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টির আজ ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।