ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বন্দরে শ্লীলতাহানির ভিডিও ধারণ করে যুবতীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার Logo আড়াইহাজারে রেস্টুরেন্ট থেকে অপত্তিকর অবস্থায় ১৬ কিশোর কিশোরী আটক Logo সোনারগাঁয়ে ট্রাক চাপায় যুবক নিহত, চালক আটক Logo সোনারগাঁয়ের আলোচিত সাধন মিয়া হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo বন্দর ১নং খেয়াঘাট মাঝি সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন Logo আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে মাকসুদ চেয়ারম্যান’র মত বিনিময় সভা ও উঠান বৈঠক Logo না’গঞ্জ জেলা জা’পা সভাপতি সানুর নাম ভাঙ্গিয়ে সুমন প্রধানের অপকর্ম রুখবে কে? Logo হুথিদের হামলায় লোহিত সাগরে ডুবে গেল সেই জাহাজ Logo রাতের লাইভের নেপথ্যের কারণ জানালেন তাহসান-ফারিণ Logo যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

পাঠ্যপুস্তক নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ালে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পাঠ্যপুস্তক পড়ে মন্তব্য করার আহ্বান জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, পাঠ্যপুস্তক নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বইমেলার সোহরাওয়ার্দী প্রাঙ্গণে মোড়ক উন্মোচন মঞ্চে ৪টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

হাছান মাহমুদ বলেন, পাঠ্যপুস্তক নিয়ে একটি মহল অহেতুক বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ১০/১১ বছর আগে পাঠ্যপুস্তকে কিছুটা ভুলভ্রান্তি ছিলো, সেগুলো তখনই সংশোধন করা হয়েছে। এখন যে কথাগুলো বলা হচ্ছে, ১০/১১ বছর আগের কথাগুলোই বলছে। পাঠ্যপুস্তকে যদি কোনো ভুল ত্রুটি থাকেও সেগুলো সংশোধন করার জন্য দুটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটি প্রয়োজনে আলেম ওলামাদের সঙ্গে বসবে। বসে যদি কোন ভুল ত্রুটি চিহ্নিত হয়, তাহলে সেগুলো সংশোধন করা হবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে।

‘আসলে কোন ইস্যু নাই তো, এজন্য এখন পাঠ্যপুস্তক নিয়ে লেগেছে। কোথায়, কোন পৃষ্ঠায় একটু বলুক না, ভুলটা কোথায় আছে। না পড়েই মতামত দেয়। সেজন্যই মির্জা ফখরুল ইসলামও সেটা নিয়ে বক্তব্য দিয়ে রাজনীতির হাতিয়ার বানানোর চেষ্টা করছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বলবো, পাঠ্যপুস্তকগুলো আগে পড়ার জন্য।’

পাঠ্যপুস্তক নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, পাঠ্যপুস্তক নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পেছনে কোচিং যারা করান এবং নোট বই ছাপায় তারাও যুক্ত হয়েছে। সবাই যুক্ত হয়ে সেটা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এরকম অব্যাহত বিভ্রান্তি ছড়ানো হয় এটা কখনও সমিচিন নয় এবং এভাবে যদি গুজব রটানোর মত বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাকিস্তানে বাংলাদেশের উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, কদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলাম পাকিস্তানের একজন রাজনীতিবিদ বলছেন আমরা রুটির জন্য হাহাকার করছি, বাংলাদেশে দ্রুত গতিতে মেট্রোরেল চলছে, তাদের ভাষায় বুলেট ট্রেন চলছে। অর্থাৎ তাদের আর আমাদের মধ্যে যে পার্থক্য সেটা রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্যে উঠে এসেছে।

‘দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের রাজনীতিবিদের মুখে আমাদের উন্নয়নের কথা উঠে আসে না, শুধু অসঙ্গতি কিংবা ছোট কোন ভুলত্রুটি থাকলে এগুলোকে বড় করে দেখানো হয়।’

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এদিন বঙ্গবন্ধুর গ্রন্থ অবলম্বনে তথ্য ক্যাডার কর্মকর্তা আফরোজা রিমা নাইচের কাব্যগ্রন্থ কবিতার আলোয় আমার দেখা নয়াচীন ও কবিতার মায়ায় কারাভাষ্য, কথাশিল্পী ইরানী বিশ্বাসের গবেষণা গ্রন্থ বঙ্গবন্ধু : একজন স্বামী ও পিতা এবং সাংবাদিক ও সংস্কৃতি সংগঠক লায়ন মুহা: মীযানুর রহমানের প্রবন্ধ সংকলন সময় এখন বাংলাদেশের শিরোনামে গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।

এ সময় বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ নূরুল হুদা, পরিচালক শাহাদাত হোসেন নিপু, গ্রন্থকার ও প্রকাশকরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্দরে শ্লীলতাহানির ভিডিও ধারণ করে যুবতীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

পাঠ্যপুস্তক নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ালে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:২১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পাঠ্যপুস্তক পড়ে মন্তব্য করার আহ্বান জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, পাঠ্যপুস্তক নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বইমেলার সোহরাওয়ার্দী প্রাঙ্গণে মোড়ক উন্মোচন মঞ্চে ৪টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

হাছান মাহমুদ বলেন, পাঠ্যপুস্তক নিয়ে একটি মহল অহেতুক বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ১০/১১ বছর আগে পাঠ্যপুস্তকে কিছুটা ভুলভ্রান্তি ছিলো, সেগুলো তখনই সংশোধন করা হয়েছে। এখন যে কথাগুলো বলা হচ্ছে, ১০/১১ বছর আগের কথাগুলোই বলছে। পাঠ্যপুস্তকে যদি কোনো ভুল ত্রুটি থাকেও সেগুলো সংশোধন করার জন্য দুটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটি প্রয়োজনে আলেম ওলামাদের সঙ্গে বসবে। বসে যদি কোন ভুল ত্রুটি চিহ্নিত হয়, তাহলে সেগুলো সংশোধন করা হবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে।

‘আসলে কোন ইস্যু নাই তো, এজন্য এখন পাঠ্যপুস্তক নিয়ে লেগেছে। কোথায়, কোন পৃষ্ঠায় একটু বলুক না, ভুলটা কোথায় আছে। না পড়েই মতামত দেয়। সেজন্যই মির্জা ফখরুল ইসলামও সেটা নিয়ে বক্তব্য দিয়ে রাজনীতির হাতিয়ার বানানোর চেষ্টা করছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বলবো, পাঠ্যপুস্তকগুলো আগে পড়ার জন্য।’

পাঠ্যপুস্তক নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, পাঠ্যপুস্তক নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পেছনে কোচিং যারা করান এবং নোট বই ছাপায় তারাও যুক্ত হয়েছে। সবাই যুক্ত হয়ে সেটা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এরকম অব্যাহত বিভ্রান্তি ছড়ানো হয় এটা কখনও সমিচিন নয় এবং এভাবে যদি গুজব রটানোর মত বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাকিস্তানে বাংলাদেশের উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, কদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলাম পাকিস্তানের একজন রাজনীতিবিদ বলছেন আমরা রুটির জন্য হাহাকার করছি, বাংলাদেশে দ্রুত গতিতে মেট্রোরেল চলছে, তাদের ভাষায় বুলেট ট্রেন চলছে। অর্থাৎ তাদের আর আমাদের মধ্যে যে পার্থক্য সেটা রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্যে উঠে এসেছে।

‘দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের রাজনীতিবিদের মুখে আমাদের উন্নয়নের কথা উঠে আসে না, শুধু অসঙ্গতি কিংবা ছোট কোন ভুলত্রুটি থাকলে এগুলোকে বড় করে দেখানো হয়।’

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এদিন বঙ্গবন্ধুর গ্রন্থ অবলম্বনে তথ্য ক্যাডার কর্মকর্তা আফরোজা রিমা নাইচের কাব্যগ্রন্থ কবিতার আলোয় আমার দেখা নয়াচীন ও কবিতার মায়ায় কারাভাষ্য, কথাশিল্পী ইরানী বিশ্বাসের গবেষণা গ্রন্থ বঙ্গবন্ধু : একজন স্বামী ও পিতা এবং সাংবাদিক ও সংস্কৃতি সংগঠক লায়ন মুহা: মীযানুর রহমানের প্রবন্ধ সংকলন সময় এখন বাংলাদেশের শিরোনামে গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।

এ সময় বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ নূরুল হুদা, পরিচালক শাহাদাত হোসেন নিপু, গ্রন্থকার ও প্রকাশকরা উপস্থিত ছিলেন।