ঢাকা , শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পর্যটকদের পদচারণায় মুখর রাঙামাটি

সাপ্তাহিক ছুটি ও বড়দিন মিলে টানা তিন দিনের বন্ধে পর্যটকের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি। প্রাকৃতিক নৈসর্গে ঘেরা হ্রদ-পাহাড়ের শহরের বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে পর্যটকরা ভিড় করছেন।

রাঙামাটির সাজেক ভ্যালি ভ্রমণপিপাসুদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। মেঘ-পাহাড়ের লুকোচুরি উপভোগ করতে সারা বছর পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকে এই স্থান। এবার সাপ্তাহিক ছুটির সাথে বড় দিনের ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা তিন দিনের বন্ধে ইতোমধ্যে মেঘের রাজ্য সাজেকের ছোট-বড় সব কটেজ শতভাগ আগাম বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুম শুরুতে কিছুটা কম পর্যটক আসলেও আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভালো বুকিং রয়েছে। পর্যটক আসায় খুশি ব্যবসায়ীরা।

টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে আগত পর্যটকতের বরণ করতে প্রস্তুতি নিয়েছে হোটেল-মোটেল ও টেক্সটাইল ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্য যথেষ্ট বোট প্রস্তুত রেখেছেন বোট ঘাটের ইজারাদার।

ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা মাফিয়া আক্তার বলেন, ‘এখাসে আসলেই মন ভালো হয়ে যায়। চারদিকে সবুজ, স্বচ্ছ হ্রদের পানি তার ওপর ঝুলন্ত সেতু। অসাধারণ এক দৃশ্য।’

ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা নওরিন খানম ও সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘অন্যান্য পর্যটন স্পটের তুলনায় রাঙামাটি অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। আমরা আরও কয়েকবার এসেছি। এখানকার প্রকৃতি, কাপ্তাই হ্রদ এক অন্যরকম অনুভূতি তৈরি করে। অন্যান্য পর্যটন স্পটে মানুষ বেশি থাকায় নিরিবিলি বসে সময় কাটানো যায় না। সে কারণে রাঙামাটি সময় কাটানোর পছন্দের তালিকার সবার আগে।’

হোটেল স্কোয়ার পার্কের মালিক মো. নেয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘মৌসুম শুরু হওয়ার পর পর্যটক রাঙামাটি আসতে শুরু করেছে। বিশেষ করে সপ্তাহিক ছুটির দিন সেই সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। ইতোমধ্যে আমার হোটেল না পুরো রাঙামাটিতে হোটেলের শতভাগ বুকিং হয়ে গেছে।’

রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক সৃজন বড়ুয়া বলেন, ‘সকাল থেকে প্রচুর পর্যটক আসে ঝুলন্ত সেতু এলাকায়। আবাসিক রুমে প্রায় ৯০ ভাগ বুকিং রয়েছে। আজ সকাল থেকে সন্ধ্যায় পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষ ঝুলন্ত সেতু এলাকায় প্রবেশ করেছে।’

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

পর্যটকদের পদচারণায় মুখর রাঙামাটি

আপডেট সময় ০৩:৪৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২২

সাপ্তাহিক ছুটি ও বড়দিন মিলে টানা তিন দিনের বন্ধে পর্যটকের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি। প্রাকৃতিক নৈসর্গে ঘেরা হ্রদ-পাহাড়ের শহরের বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে পর্যটকরা ভিড় করছেন।

রাঙামাটির সাজেক ভ্যালি ভ্রমণপিপাসুদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। মেঘ-পাহাড়ের লুকোচুরি উপভোগ করতে সারা বছর পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকে এই স্থান। এবার সাপ্তাহিক ছুটির সাথে বড় দিনের ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা তিন দিনের বন্ধে ইতোমধ্যে মেঘের রাজ্য সাজেকের ছোট-বড় সব কটেজ শতভাগ আগাম বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুম শুরুতে কিছুটা কম পর্যটক আসলেও আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভালো বুকিং রয়েছে। পর্যটক আসায় খুশি ব্যবসায়ীরা।

টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে আগত পর্যটকতের বরণ করতে প্রস্তুতি নিয়েছে হোটেল-মোটেল ও টেক্সটাইল ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্য যথেষ্ট বোট প্রস্তুত রেখেছেন বোট ঘাটের ইজারাদার।

ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা মাফিয়া আক্তার বলেন, ‘এখাসে আসলেই মন ভালো হয়ে যায়। চারদিকে সবুজ, স্বচ্ছ হ্রদের পানি তার ওপর ঝুলন্ত সেতু। অসাধারণ এক দৃশ্য।’

ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা নওরিন খানম ও সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘অন্যান্য পর্যটন স্পটের তুলনায় রাঙামাটি অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। আমরা আরও কয়েকবার এসেছি। এখানকার প্রকৃতি, কাপ্তাই হ্রদ এক অন্যরকম অনুভূতি তৈরি করে। অন্যান্য পর্যটন স্পটে মানুষ বেশি থাকায় নিরিবিলি বসে সময় কাটানো যায় না। সে কারণে রাঙামাটি সময় কাটানোর পছন্দের তালিকার সবার আগে।’

হোটেল স্কোয়ার পার্কের মালিক মো. নেয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘মৌসুম শুরু হওয়ার পর পর্যটক রাঙামাটি আসতে শুরু করেছে। বিশেষ করে সপ্তাহিক ছুটির দিন সেই সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। ইতোমধ্যে আমার হোটেল না পুরো রাঙামাটিতে হোটেলের শতভাগ বুকিং হয়ে গেছে।’

রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক সৃজন বড়ুয়া বলেন, ‘সকাল থেকে প্রচুর পর্যটক আসে ঝুলন্ত সেতু এলাকায়। আবাসিক রুমে প্রায় ৯০ ভাগ বুকিং রয়েছে। আজ সকাল থেকে সন্ধ্যায় পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষ ঝুলন্ত সেতু এলাকায় প্রবেশ করেছে।’