ঢাকা , শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নীরবতা ভেঙে ধোঁয়াশা আরও বাড়ালেন রোনালদো

বিশ্বকাপ থেকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালের বিদায় হয়েছে একদিন আগে। অনেকেরই ধারণা ছিল, এ বিশ্বকাপের পর হয়তো অবসরটা নিয়ে ফেলবেন পর্তুগিজ তারকা। কিন্তু ম্যাচ শেষে কিছুই জানার সুযোগ হয়নি। কাঁদতে কাঁদতে একাই সবার আগে মাঠ ছেড়েছেন তিনি। অবশেষে ম্যাচের পরের দিন নীরবতা ভাঙলেন ৩৭ বছর বয়সী তারকা।

রোববার নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক একাউন্ট থেকে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছেন রোনালদো। সেখানে তিনি কয়েকটি বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। তবে অবসর বা ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তের বিষয়টি ধোঁয়াশাই থেকে গেছে। সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকার পোস্ট অনুযায়ী, পরিস্থিতিই তার পরবর্তী গতিপথ ঠিক করে দেবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘পর্তুগালকে ধন্যবাদ। কাতারকেও অনেক ধন্যবাদ। স্বপ্নটা যতোক্ষণ টিকে ছিল, ততোক্ষণই সুন্দর ছিল। এখন আশা করছি পরিস্থিতিই পথ দেখাবে, আর প্রত্যেক পক্ষকে নিজ নিজ সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।’

নিজের ভবিষ্যতের চেয়ে দলের বিশ্বকাপ বিদায় নিয়েই অবশ্য বেশি লিখেছেন রোনালদো। পর্তুগিজ তারকা সেখানে উল্লেখ করেন, বিশ্বকাপ জেতাটাই ছিল তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। আর মরক্কোর সঙ্গে হেরে কাল তার দলের বিদায়ে সে স্বপ্ন ভেঙেছে বলে জানান তিনি।

রোনালদোর লেখনীতে, ‘জীবনে আমি অনেক শিরোপা জিতেছি। তবে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপ জেতাটা ছিল আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। এই স্বপ্নের জন্য আমি লড়াই করেছি। শেষ ১৬ বছরের পাঁচটি বিশ্বকাপেই আমি গোল করেছি। আমি সবটুকু দিয়েছি এবং কখনো লড়াই থেকে মুখ ফিরিয়ে নেইনি। কখনো এই স্বপ্ন দেখা ছেড়ে দিইনি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, গতকাল সে স্বপ্ন শেষ হয়েছে।’

ফুটবল ক্যারিয়ারে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে রোনালদোকে নিয়ে। কখনো মিডিয়ার রোষাণলে পোড়ে অথবা কখনো নিজের কাজের জন্য। তবে সেসব সমালোচনার কারণে পর্তুগালের জন্য তার নিবেদন একটুও কমেনি। বরং তিনই সবসময়ই সবার গোলের জন্য চেষ্টা করে গেছেন, ‘এখন আসলে মাথা গরম করার সময় নয়। আমি শুধু সবাইকে এটুকু জানাতে চাই যে, আমাকে নিয়ে যা যা করা হয়েছে, যা লেখা হয়েছে এবং বলা হয়েছে তাতে পর্তুগালের প্রতি আমার একটু কমেনি। আমি সবসময়ই সবার লক্ষ্য পূরণের চেষ্টা করেছি এবং দেশ এবং সতীর্থদের ব্যাপারে আমি কখনো মুখ ফিরিয়ে নেইনি।’

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নীরবতা ভেঙে ধোঁয়াশা আরও বাড়ালেন রোনালদো

আপডেট সময় ০৩:৫০:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২২

বিশ্বকাপ থেকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালের বিদায় হয়েছে একদিন আগে। অনেকেরই ধারণা ছিল, এ বিশ্বকাপের পর হয়তো অবসরটা নিয়ে ফেলবেন পর্তুগিজ তারকা। কিন্তু ম্যাচ শেষে কিছুই জানার সুযোগ হয়নি। কাঁদতে কাঁদতে একাই সবার আগে মাঠ ছেড়েছেন তিনি। অবশেষে ম্যাচের পরের দিন নীরবতা ভাঙলেন ৩৭ বছর বয়সী তারকা।

রোববার নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক একাউন্ট থেকে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছেন রোনালদো। সেখানে তিনি কয়েকটি বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। তবে অবসর বা ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তের বিষয়টি ধোঁয়াশাই থেকে গেছে। সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকার পোস্ট অনুযায়ী, পরিস্থিতিই তার পরবর্তী গতিপথ ঠিক করে দেবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘পর্তুগালকে ধন্যবাদ। কাতারকেও অনেক ধন্যবাদ। স্বপ্নটা যতোক্ষণ টিকে ছিল, ততোক্ষণই সুন্দর ছিল। এখন আশা করছি পরিস্থিতিই পথ দেখাবে, আর প্রত্যেক পক্ষকে নিজ নিজ সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।’

নিজের ভবিষ্যতের চেয়ে দলের বিশ্বকাপ বিদায় নিয়েই অবশ্য বেশি লিখেছেন রোনালদো। পর্তুগিজ তারকা সেখানে উল্লেখ করেন, বিশ্বকাপ জেতাটাই ছিল তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। আর মরক্কোর সঙ্গে হেরে কাল তার দলের বিদায়ে সে স্বপ্ন ভেঙেছে বলে জানান তিনি।

রোনালদোর লেখনীতে, ‘জীবনে আমি অনেক শিরোপা জিতেছি। তবে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপ জেতাটা ছিল আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। এই স্বপ্নের জন্য আমি লড়াই করেছি। শেষ ১৬ বছরের পাঁচটি বিশ্বকাপেই আমি গোল করেছি। আমি সবটুকু দিয়েছি এবং কখনো লড়াই থেকে মুখ ফিরিয়ে নেইনি। কখনো এই স্বপ্ন দেখা ছেড়ে দিইনি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, গতকাল সে স্বপ্ন শেষ হয়েছে।’

ফুটবল ক্যারিয়ারে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে রোনালদোকে নিয়ে। কখনো মিডিয়ার রোষাণলে পোড়ে অথবা কখনো নিজের কাজের জন্য। তবে সেসব সমালোচনার কারণে পর্তুগালের জন্য তার নিবেদন একটুও কমেনি। বরং তিনই সবসময়ই সবার গোলের জন্য চেষ্টা করে গেছেন, ‘এখন আসলে মাথা গরম করার সময় নয়। আমি শুধু সবাইকে এটুকু জানাতে চাই যে, আমাকে নিয়ে যা যা করা হয়েছে, যা লেখা হয়েছে এবং বলা হয়েছে তাতে পর্তুগালের প্রতি আমার একটু কমেনি। আমি সবসময়ই সবার লক্ষ্য পূরণের চেষ্টা করেছি এবং দেশ এবং সতীর্থদের ব্যাপারে আমি কখনো মুখ ফিরিয়ে নেইনি।’