ঢাকা , সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনে গণমাধ্যমকর্মীদের বাধা দিলে ২-৭ বছরের কারাদণ্ড

নির্বাচনে গণমাধ্যমকর্মী এবং পর্যবেক্ষকদের বাধা দিলে ২ থেকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়ার বিধান রেখে ‘জনপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন, ২০২৩’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরে সচিবালয়ে ব্রিফিং করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান।

তিনি বলেন, এ আইনে কিছু সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছিল। এর মধ্যে আগে যেমন ছিল যেকোনো ইউলিটি বিল যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হবে তার সাত দিন আগে জমা দিতে হতো, নাহলে মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য হতো। এখন বিলটা মনোনয়নপত্র যেদিন জমা দেবে, তার আগের দিন পর্যন্ত জমা দিতে পারবে।

‘মনোনয়নপত্রের সঙ্গে টিআইএন সার্টিফিকেট সংযুক্ত করতে হবে এবং কত টাকা আয়কর জমা দিয়েছে, সেটাও রশিদ অনুযায়ী দিতে হবে। এটা আগে ছিল না, নতুন করে এ দুটি অংশ যোগ করা হয়েছে,’ যোগ করেন সচিব।

মাহমুদুল হোসাইন বলেন, গণমাধ্যমকর্মী এবং পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি বিধান রাখা হয়েছে। যদি কেউ গণমাধ্যমকর্মী এবং পর্যবেক্ষকদের আইনানুগ কাজে বাধা দেন, সেক্ষেত্রে দুই থেকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ধরুন আপনি ক্যামেরা নিয়ে গেলেন কিন্তু আপনাকে বেরিয়ে যেতে বলা হলো। আপনার বৈধভাবে প্রবেশ করার অধিকার থাকার পরও জোর করে আপনাকে বের করে দেয়া হলো অথবা ক্যামেরা ভেঙে ফেলা হলো এমন অনেক কিছুই হতে পারে। সেক্ষেত্রে দুই থেকে সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব বলেন, এ বিধানের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে, এখনও ফাইনাল করা হয়নি। আরও কিছু সংশোধন আছে। আরও কিছু মতামতসহ এটা আবার মন্ত্রিসভায় উপস্থাপিত হবে। তারপরে আরও কিছু যদি সংযোজন হয়, সেটাসহ পাস করা হবে।

আইনে ছোটখাটো অনেকগুলো বিষয় আছে জানিয়ে তিনি বলেন, যেমন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের আগে শুধু ডিস্ট্রিক্ট (জেলা) উল্লেখ করা ছিল। এখন জেলার পরিবর্তে প্রতিটি আসনে হবে। অর্থাৎ ৩০০ আসনে ৩০০ জন রিটার্নিং অফিসার থাকবে- এমন আলোচনা হয়েছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

নির্বাচনে গণমাধ্যমকর্মীদের বাধা দিলে ২-৭ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৫:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩

নির্বাচনে গণমাধ্যমকর্মী এবং পর্যবেক্ষকদের বাধা দিলে ২ থেকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়ার বিধান রেখে ‘জনপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন, ২০২৩’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরে সচিবালয়ে ব্রিফিং করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান।

তিনি বলেন, এ আইনে কিছু সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছিল। এর মধ্যে আগে যেমন ছিল যেকোনো ইউলিটি বিল যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হবে তার সাত দিন আগে জমা দিতে হতো, নাহলে মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য হতো। এখন বিলটা মনোনয়নপত্র যেদিন জমা দেবে, তার আগের দিন পর্যন্ত জমা দিতে পারবে।

‘মনোনয়নপত্রের সঙ্গে টিআইএন সার্টিফিকেট সংযুক্ত করতে হবে এবং কত টাকা আয়কর জমা দিয়েছে, সেটাও রশিদ অনুযায়ী দিতে হবে। এটা আগে ছিল না, নতুন করে এ দুটি অংশ যোগ করা হয়েছে,’ যোগ করেন সচিব।

মাহমুদুল হোসাইন বলেন, গণমাধ্যমকর্মী এবং পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি বিধান রাখা হয়েছে। যদি কেউ গণমাধ্যমকর্মী এবং পর্যবেক্ষকদের আইনানুগ কাজে বাধা দেন, সেক্ষেত্রে দুই থেকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ধরুন আপনি ক্যামেরা নিয়ে গেলেন কিন্তু আপনাকে বেরিয়ে যেতে বলা হলো। আপনার বৈধভাবে প্রবেশ করার অধিকার থাকার পরও জোর করে আপনাকে বের করে দেয়া হলো অথবা ক্যামেরা ভেঙে ফেলা হলো এমন অনেক কিছুই হতে পারে। সেক্ষেত্রে দুই থেকে সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব বলেন, এ বিধানের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে, এখনও ফাইনাল করা হয়নি। আরও কিছু সংশোধন আছে। আরও কিছু মতামতসহ এটা আবার মন্ত্রিসভায় উপস্থাপিত হবে। তারপরে আরও কিছু যদি সংযোজন হয়, সেটাসহ পাস করা হবে।

আইনে ছোটখাটো অনেকগুলো বিষয় আছে জানিয়ে তিনি বলেন, যেমন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের আগে শুধু ডিস্ট্রিক্ট (জেলা) উল্লেখ করা ছিল। এখন জেলার পরিবর্তে প্রতিটি আসনে হবে। অর্থাৎ ৩০০ আসনে ৩০০ জন রিটার্নিং অফিসার থাকবে- এমন আলোচনা হয়েছে।