ঢাকা , শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

না.গঞ্জে ৩ লাখের বেশি শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৩ উপলক্ষে সাংবাদিকদের জন্য ওরিয়েন্টেশন কর্মশালার আয়োজন করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন। রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপর ১২ টায় জেলা সিভিল সার্জন অফিস কার্যালয়ে প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

উক্ত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আবুল ফজল মো. মুশিউর রহমান। মেডিকেল অফিসার ডা. একেএম মেহেদী হাসান ও জেলা ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট লুৎফর রহমান’র যৌথ উপস্থাপনায় সভায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উপর প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. শিল্পী আক্তার।

এছাড়াও সভায় জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাকির হোসেন, জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক স্বপন দেবনাথ, জেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর মো. লিয়াকত আলী ভুইয়া ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ উপস্থিত ছিলেন।

ঘন্টাব্যাপী কর্মশালা শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রশ্ন উত্তর পর্বে সিভিল সার্জন জানান, ২০ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সারাদেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জেও পালন করা হবে। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল নিরাপদ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার তেমন কোন ঝুকি নেই।

তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩৯ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্র ধরা হয়েছে। এনসিসি এলাকায় ৩৪০টি কেন্দ্রে ৬-১১ মাস বয়ষী ২১ হাজার ৭৪৩ জন ও ১২-৫৯ মাস বয়ষী ১ লাখ ৯ হাজার ৬৯৬ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এছাড়া, নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি উপজেলায় (নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ব্যতিত) ৬-১১ মাসের ৩৮,৯০৩ জন শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ( ১,০০,০০০ আই ইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সের ২,৮৪,৭৪০ জন শিশুকে ১টি লাল রংঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২,০০,০০০ আই ইউ) খাওয়ানো হবে।

অত্র জেলায় (সিটি করপোরেশন ব্যতিত) স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র ১,০৫৬টি, প্রতি কেন্দ্রে মোট ৩ জন (স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মীসহ) শিক্ষক ও স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কার্যক্রম সফল করার জন্য গনমাধ্যম কর্মীদেরও সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

না.গঞ্জে ৩ লাখের বেশি শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

আপডেট সময় ০৪:০৮:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৩ উপলক্ষে সাংবাদিকদের জন্য ওরিয়েন্টেশন কর্মশালার আয়োজন করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন। রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপর ১২ টায় জেলা সিভিল সার্জন অফিস কার্যালয়ে প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

উক্ত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আবুল ফজল মো. মুশিউর রহমান। মেডিকেল অফিসার ডা. একেএম মেহেদী হাসান ও জেলা ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট লুৎফর রহমান’র যৌথ উপস্থাপনায় সভায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উপর প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. শিল্পী আক্তার।

এছাড়াও সভায় জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাকির হোসেন, জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক স্বপন দেবনাথ, জেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর মো. লিয়াকত আলী ভুইয়া ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ উপস্থিত ছিলেন।

ঘন্টাব্যাপী কর্মশালা শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রশ্ন উত্তর পর্বে সিভিল সার্জন জানান, ২০ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সারাদেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জেও পালন করা হবে। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল নিরাপদ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার তেমন কোন ঝুকি নেই।

তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩৯ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্র ধরা হয়েছে। এনসিসি এলাকায় ৩৪০টি কেন্দ্রে ৬-১১ মাস বয়ষী ২১ হাজার ৭৪৩ জন ও ১২-৫৯ মাস বয়ষী ১ লাখ ৯ হাজার ৬৯৬ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এছাড়া, নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি উপজেলায় (নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ব্যতিত) ৬-১১ মাসের ৩৮,৯০৩ জন শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ( ১,০০,০০০ আই ইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সের ২,৮৪,৭৪০ জন শিশুকে ১টি লাল রংঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২,০০,০০০ আই ইউ) খাওয়ানো হবে।

অত্র জেলায় (সিটি করপোরেশন ব্যতিত) স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র ১,০৫৬টি, প্রতি কেন্দ্রে মোট ৩ জন (স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মীসহ) শিক্ষক ও স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কার্যক্রম সফল করার জন্য গনমাধ্যম কর্মীদেরও সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।