ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নাসিমে তছনছ ঢাকা

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ঘুরে বিপিএল আবার ঢাকায়। এ সময় কতো কিছু ঘটে গেল। বিপিএলের কতো চিত্র পাল্টালো। কিন্তু ঢাকা ডমিনেটর্সের পারফরম‌্যান্সের নেই কোনো উন্নতি। ঘুরেফিরে সেই একই চিত্র। নির্বিষ বোলিং, বিবর্ণ ব‌্যাটিংয়ের সঙ্গে যাচ্ছেতাই ফিল্ডিং। তিন বিভাগেই সুপারফ্লপ। তাই ফলাফলেরও নেই কোনো উন্নতি। প্রথম ম‌্যাচে জয়ের পর টানা ষষ্ঠ পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ পেল ঢাকা।

সোমবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ৬০ রানে হারিয়েছে ঢাকাকে। সপ্তম ম‌্যাচে এটি তাদের ষষ্ঠ পরাজয়। অপরদিকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স প্রথম তিন ম‌্যাচ হারের পর টানা চার জয়ের স্বাদ পেল। আগে ব‌্যাটিং করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৬৪ তোলে কুমিল্লা। লক্ষ‌্য তাড়ায় অসহায় আত্মসমর্পণে ঢাকার ইনিংস থেমে যায় ১০৪ রানে।

 

কুমিল্লার জয়ের নায়ক পেসার নাসিম শাহ। প্রথমবার মাঠে নেমেই পাকিস্তানি পেসার দ্যুতি ছড়ান। ১২ রানে পেয়েছেন ৪ উইকেট। নিজের দ্বিতীয় ওভারে এ পেসার মিজানুর রহমানের স্টাম্প ইয়ার্কার ডেলিভারিতে উপড়ে ফেলেন। ওই স্পেলে মোহাম্মদ মিথুনকে উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান। শেষ দিকে বোলিংয়ে ফিরে পরপর দুই বলে মুক্তার আলী ও আমির হামজার উইকেট নেন।

 

৫ উইকেট নেওয়ার সুযোগ ছিল নাসিমের। কিন্তু শেষ ওভারে উসমান ঘানি ও আল-আমিন টিকে যান। ৪ উইকেট নিয়ে অভিষেক দারুণভাবে রাঙানোয় তার হাতেই উঠেছে ম‌্যাচসেরার পুরস্কার। ঢাকার হয়ে উসমান ঘানি তিনে নেমে প্রায় শেষ পর্যন্ত ব‌্যাটিং করেন। কিন্তু তেমন কিছুই করতে পারেননি। ৩৪ বলে তার ব‌্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৩৩ রান। চার্লসের বলে আউট হন শেষ ওভারে। এছাড়া নাসির হোসেন ১৭ ও আরিফুল ১১ রান করেন।

 

সৌম‌্য সরকারের ব‌্যাট আজও হাসেনি। ৩ রানে ফেরেন আবু হায়দারের বলে। মিথুনের ব‌্যাট থেকে ৩ রানের বেশি আসেনি। এর আগে টস হেরে ব‌্যাটিং করতে নেমে কুমিল্লার শুরুটা ভালো হয়নি। পেসার আল-আমিনের করা তৃতীয় ওভারে বোল্ড হন মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩)। আরেক ওপেনার লিটন ৩ চারে ভালো কিছুর আশা দেখালেও নাসিরের শর্ট বল উড়াতে গিয়ে মিড উইকেটে ক‌্যাচ দেন ২০ রানে।

তৃতীয় উইকেটে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন ইমরুল ও জনসন চার্লস। ইমরুল প্রতি আক্রমণে গিয়ে রান তুললেও চার্লস রয়েসয়ে খেলছিলেন। কিন্তু এ দুই ব‌্যাটসম‌্যানও পারেননি ইনিংস লম্বা করতে। ইমরুল ২২ বলে ২৮ রানে বোল্ড হন আমির হামজার বলে। চার্লস ২৫ বলে ৩২ রানে রান আউট হন।

ভালো করতে পারেননি মোসাদ্দেকও। ৯ রানে নাসিরের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন। শেষ দিকে খুশদিল ও জাকের আলী দলের রান বড় করেন। খুশদিল ২টি করে চার ও ছক্কায় ৩০ এবং জাকের ১টি করে চার ও ছক্কায় ১০ বলে ২০ রান করেন। আবু হায়দার রনি ৮ বলে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন।

বল হাতে ঢাকার সেরা নাসির। অফস্পিনার ৩ ওভারে নেন ২ উইকেট। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন তাসকিন, আল-আমিন ও আমির হামজা।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

নাসিমে তছনছ ঢাকা

আপডেট সময় ০৬:৩৮:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ঘুরে বিপিএল আবার ঢাকায়। এ সময় কতো কিছু ঘটে গেল। বিপিএলের কতো চিত্র পাল্টালো। কিন্তু ঢাকা ডমিনেটর্সের পারফরম‌্যান্সের নেই কোনো উন্নতি। ঘুরেফিরে সেই একই চিত্র। নির্বিষ বোলিং, বিবর্ণ ব‌্যাটিংয়ের সঙ্গে যাচ্ছেতাই ফিল্ডিং। তিন বিভাগেই সুপারফ্লপ। তাই ফলাফলেরও নেই কোনো উন্নতি। প্রথম ম‌্যাচে জয়ের পর টানা ষষ্ঠ পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ পেল ঢাকা।

সোমবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ৬০ রানে হারিয়েছে ঢাকাকে। সপ্তম ম‌্যাচে এটি তাদের ষষ্ঠ পরাজয়। অপরদিকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স প্রথম তিন ম‌্যাচ হারের পর টানা চার জয়ের স্বাদ পেল। আগে ব‌্যাটিং করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৬৪ তোলে কুমিল্লা। লক্ষ‌্য তাড়ায় অসহায় আত্মসমর্পণে ঢাকার ইনিংস থেমে যায় ১০৪ রানে।

 

কুমিল্লার জয়ের নায়ক পেসার নাসিম শাহ। প্রথমবার মাঠে নেমেই পাকিস্তানি পেসার দ্যুতি ছড়ান। ১২ রানে পেয়েছেন ৪ উইকেট। নিজের দ্বিতীয় ওভারে এ পেসার মিজানুর রহমানের স্টাম্প ইয়ার্কার ডেলিভারিতে উপড়ে ফেলেন। ওই স্পেলে মোহাম্মদ মিথুনকে উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান। শেষ দিকে বোলিংয়ে ফিরে পরপর দুই বলে মুক্তার আলী ও আমির হামজার উইকেট নেন।

 

৫ উইকেট নেওয়ার সুযোগ ছিল নাসিমের। কিন্তু শেষ ওভারে উসমান ঘানি ও আল-আমিন টিকে যান। ৪ উইকেট নিয়ে অভিষেক দারুণভাবে রাঙানোয় তার হাতেই উঠেছে ম‌্যাচসেরার পুরস্কার। ঢাকার হয়ে উসমান ঘানি তিনে নেমে প্রায় শেষ পর্যন্ত ব‌্যাটিং করেন। কিন্তু তেমন কিছুই করতে পারেননি। ৩৪ বলে তার ব‌্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৩৩ রান। চার্লসের বলে আউট হন শেষ ওভারে। এছাড়া নাসির হোসেন ১৭ ও আরিফুল ১১ রান করেন।

 

সৌম‌্য সরকারের ব‌্যাট আজও হাসেনি। ৩ রানে ফেরেন আবু হায়দারের বলে। মিথুনের ব‌্যাট থেকে ৩ রানের বেশি আসেনি। এর আগে টস হেরে ব‌্যাটিং করতে নেমে কুমিল্লার শুরুটা ভালো হয়নি। পেসার আল-আমিনের করা তৃতীয় ওভারে বোল্ড হন মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩)। আরেক ওপেনার লিটন ৩ চারে ভালো কিছুর আশা দেখালেও নাসিরের শর্ট বল উড়াতে গিয়ে মিড উইকেটে ক‌্যাচ দেন ২০ রানে।

তৃতীয় উইকেটে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন ইমরুল ও জনসন চার্লস। ইমরুল প্রতি আক্রমণে গিয়ে রান তুললেও চার্লস রয়েসয়ে খেলছিলেন। কিন্তু এ দুই ব‌্যাটসম‌্যানও পারেননি ইনিংস লম্বা করতে। ইমরুল ২২ বলে ২৮ রানে বোল্ড হন আমির হামজার বলে। চার্লস ২৫ বলে ৩২ রানে রান আউট হন।

ভালো করতে পারেননি মোসাদ্দেকও। ৯ রানে নাসিরের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন। শেষ দিকে খুশদিল ও জাকের আলী দলের রান বড় করেন। খুশদিল ২টি করে চার ও ছক্কায় ৩০ এবং জাকের ১টি করে চার ও ছক্কায় ১০ বলে ২০ রান করেন। আবু হায়দার রনি ৮ বলে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন।

বল হাতে ঢাকার সেরা নাসির। অফস্পিনার ৩ ওভারে নেন ২ উইকেট। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন তাসকিন, আল-আমিন ও আমির হামজা।