ঢাকা , শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নতুন শিক্ষাক্রমে ৫ দিনই হবে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক’দিন বন্ধ থাকবে, তা একটি নীতিগত সিদ্ধান্তের ব্যাপার। আমাদের নতুন শিক্ষাক্রমে পাঁচদিন হবে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান। প্রধানমন্ত্রী এ শিক্ষাক্রম অনুমোদন করেছেন। গত বছর আমাদের শিক্ষাক্রমে ছিল ছয়দিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান। যখন বিদ্যুৎ নিয়ে সংকট ছিল, তখন সেটাকে আমরা পাঁচদিন করেছি। তখনই বলা হয়েছিল, এখন বিদ্যুৎ সংকটের কারণে করা হচ্ছে, কিন্তু নতুন শিক্ষাক্রমেও পাঁচদিনই শ্রেণিকক্ষে পাঠদান হবে। সারা পৃথিবীতে যে নিয়ম, আমাদের দেশেও তাই হবে। তাছাড়া শিক্ষকদেরও এক-দুদিন সময়ের দরকার হয়।

তাদেরও বিশ্রামের প্রয়োজন আছে। শিক্ষার্থীদেরও বিশ্রামের প্রয়োজন আছে, যোগ করেন মন্ত্রী। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদপুর সার্কিট হাউজে দুদিনের সফরে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, গত চার বছরে কারিগরি বিভাগে অনেক শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। তার আগের ১০ বছর কোনো শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। সব সময়ই কোনো কোনো শিক্ষক অবসরে যাচ্ছেন, কাজেই কিছুকিছু পদ শূন্য হয়, আবার সেই চাহিদা দিয়ে আমরা সেগুলোতে নিয়োগ করি। এ নিয়োগ প্রক্রিয়া যে খুব সহজ, তা নয়। এ মুহূর্তে আমাদের কোনো শিক্ষক সংকট নেই। কোথাও শূন্য থাকলে পূরণ হয়ে যাচ্ছে। এসময় জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারীসহ সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন শিক্ষাক্রমে ৫ দিনই হবে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১৬:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক’দিন বন্ধ থাকবে, তা একটি নীতিগত সিদ্ধান্তের ব্যাপার। আমাদের নতুন শিক্ষাক্রমে পাঁচদিন হবে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান। প্রধানমন্ত্রী এ শিক্ষাক্রম অনুমোদন করেছেন। গত বছর আমাদের শিক্ষাক্রমে ছিল ছয়দিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান। যখন বিদ্যুৎ নিয়ে সংকট ছিল, তখন সেটাকে আমরা পাঁচদিন করেছি। তখনই বলা হয়েছিল, এখন বিদ্যুৎ সংকটের কারণে করা হচ্ছে, কিন্তু নতুন শিক্ষাক্রমেও পাঁচদিনই শ্রেণিকক্ষে পাঠদান হবে। সারা পৃথিবীতে যে নিয়ম, আমাদের দেশেও তাই হবে। তাছাড়া শিক্ষকদেরও এক-দুদিন সময়ের দরকার হয়।

তাদেরও বিশ্রামের প্রয়োজন আছে। শিক্ষার্থীদেরও বিশ্রামের প্রয়োজন আছে, যোগ করেন মন্ত্রী। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদপুর সার্কিট হাউজে দুদিনের সফরে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, গত চার বছরে কারিগরি বিভাগে অনেক শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। তার আগের ১০ বছর কোনো শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। সব সময়ই কোনো কোনো শিক্ষক অবসরে যাচ্ছেন, কাজেই কিছুকিছু পদ শূন্য হয়, আবার সেই চাহিদা দিয়ে আমরা সেগুলোতে নিয়োগ করি। এ নিয়োগ প্রক্রিয়া যে খুব সহজ, তা নয়। এ মুহূর্তে আমাদের কোনো শিক্ষক সংকট নেই। কোথাও শূন্য থাকলে পূরণ হয়ে যাচ্ছে। এসময় জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারীসহ সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।