ঢাকা , শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নড়াইলে নৌকা ডুবে মা-ছেলের মৃত্যু, নিখোঁজ ৮

নড়াইলের কালিয়ায় নৌকা ডুবে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও আটজন। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের বাহিরডাঙ্গা ও পার বাহিরডাঙ্গা গ্রামের মধ্যবর্তী নবগঙ্গার মাঝ নদীতে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন- উপজেলার বাবুপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের স্ত্রী নাজমা বেগম (৩০) ও তাদের ছেলে নাসিম (২)।

কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ তাসমীম আলম ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পার বাহিরডাঙ্গা গ্রামে নাজমার দাদির মৃত্যুর খবর শুনে ১৮-২০ জন আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশী বাহিরডাঙ্গা গ্রাম থেকে নৌকাযোগে রওনা দেন। অতিরিক্ত যাত্রীর ভারে নবগঙ্গার মাঝ নদীতে নৌকাটি ডুবে যায। সাঁতরে বেশ কয়েকজন পাড়ে উঠতে পারলেও ১০-১২ জনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে স্থানীয়রা নাজমা ও তার ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেন।

কালিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার আব্দুল হান্নান ঢাকা পোস্টকে বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে এখনো নিখোঁজ আট থেকে ১০ জন। নদীতে স্রোতের কারণে আমাদের উদ্ধার অভিযানে বেগ পেতে হচ্ছে। স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নড়াইলে নৌকা ডুবে মা-ছেলের মৃত্যু, নিখোঁজ ৮

আপডেট সময় ০৩:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২২

নড়াইলের কালিয়ায় নৌকা ডুবে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও আটজন। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের বাহিরডাঙ্গা ও পার বাহিরডাঙ্গা গ্রামের মধ্যবর্তী নবগঙ্গার মাঝ নদীতে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন- উপজেলার বাবুপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের স্ত্রী নাজমা বেগম (৩০) ও তাদের ছেলে নাসিম (২)।

কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ তাসমীম আলম ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পার বাহিরডাঙ্গা গ্রামে নাজমার দাদির মৃত্যুর খবর শুনে ১৮-২০ জন আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশী বাহিরডাঙ্গা গ্রাম থেকে নৌকাযোগে রওনা দেন। অতিরিক্ত যাত্রীর ভারে নবগঙ্গার মাঝ নদীতে নৌকাটি ডুবে যায। সাঁতরে বেশ কয়েকজন পাড়ে উঠতে পারলেও ১০-১২ জনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে স্থানীয়রা নাজমা ও তার ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেন।

কালিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার আব্দুল হান্নান ঢাকা পোস্টকে বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে এখনো নিখোঁজ আট থেকে ১০ জন। নদীতে স্রোতের কারণে আমাদের উদ্ধার অভিযানে বেগ পেতে হচ্ছে। স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।