ঢাকা , শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

থাইল্যান্ডে নির্বাচন: বেশির ভাগ আসনে বিরোধীদের জয়

সেনাবিরোধী গণতন্ত্রপন্থি বিরোধী শক্তি থাইল্যান্ডের জাতীয় নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হবেন কে এখন এমন প্রশ্ন হচ্ছে জনগণের মধ্যে।

৯৯ শতাংশ ভোটগণনার পর পরিষ্কার, চলতি প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে মানুষ। তারা বিরোধী দুইদল মুভ ফরওয়ার্ড পার্টি (এমএফপি) এবং ফেউ থাই পার্টিকে বিপুল ভোট দিয়েছে। ৪০০ আসনের পার্লামেন্টে এখনো পর্যন্ত এমএফপি পেয়েছে ১১৩টি আসন।

ফেউ থাই পার্টি পেয়েছে ১১২টি আসন। ফেউ থাই পার্টির নেতা পায়তোংতার্ন শিনাওয়াত্রা সাবেক শাসক থাকসিন শিনাওয়াত্রার মেয়ে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলেও এই দুই বিরোধীদল মিলে নতুন সরকার গঠন করতে পারে। সেনার মদতপুষ্ট বর্তমান শাসকদল ইউনাইটেড থাই ন্যাশনাল পার্টি পেয়েছে মাত্র ২৩টি আসন।

নির্বাচনের প্রাথমিক ফল জানা গেলেও এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে না। তা হতে হতে আরও বেশকিছু দিন সময় লাগবে। প্রশ্ন হচ্ছে, পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন।

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন পার্লামেন্টের জয়েন্ট সেশনে। সেখানে ২৫০ আসনের সেনেট আছে। এই সেনেট বর্তমান শাসকদলের হাতে। ফলে নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা অনেকটাই নির্ভর করবে সেনেটের হাতে।

গত এক দশকে একাধিক সেনা অভ্যুত্থান দেখেছে থাইল্যান্ড। দেশের সংবিধান বদলে ফেলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ২০২০ সাল থেকে দেশজুড়ে ব্যাপক ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। সেনা যা কড়া হাতে মোকাবিলা করে। ছাত্রদের দাবি ছিল, সেনার তৈরি সংবিধানের বদল এবং রাজার ক্ষমতাহ্রাস। গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই ছিল তাদের। বর্তমান বিরোধীপক্ষ ছাত্র আন্দোলনের সমর্থক। তারাও গণতন্ত্রের জন্য লড়ছে। ফলে এই জয়ে দেশের গণতন্ত্রপন্থিরা অত্যন্ত আনন্দিত। কিন্তু শেষপর্যন্ত বিরোধীপক্ষ কতটা সুযোগ পাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

থাইল্যান্ডে নির্বাচন: বেশির ভাগ আসনে বিরোধীদের জয়

আপডেট সময় ০৫:২১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩

সেনাবিরোধী গণতন্ত্রপন্থি বিরোধী শক্তি থাইল্যান্ডের জাতীয় নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হবেন কে এখন এমন প্রশ্ন হচ্ছে জনগণের মধ্যে।

৯৯ শতাংশ ভোটগণনার পর পরিষ্কার, চলতি প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে মানুষ। তারা বিরোধী দুইদল মুভ ফরওয়ার্ড পার্টি (এমএফপি) এবং ফেউ থাই পার্টিকে বিপুল ভোট দিয়েছে। ৪০০ আসনের পার্লামেন্টে এখনো পর্যন্ত এমএফপি পেয়েছে ১১৩টি আসন।

ফেউ থাই পার্টি পেয়েছে ১১২টি আসন। ফেউ থাই পার্টির নেতা পায়তোংতার্ন শিনাওয়াত্রা সাবেক শাসক থাকসিন শিনাওয়াত্রার মেয়ে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলেও এই দুই বিরোধীদল মিলে নতুন সরকার গঠন করতে পারে। সেনার মদতপুষ্ট বর্তমান শাসকদল ইউনাইটেড থাই ন্যাশনাল পার্টি পেয়েছে মাত্র ২৩টি আসন।

নির্বাচনের প্রাথমিক ফল জানা গেলেও এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে না। তা হতে হতে আরও বেশকিছু দিন সময় লাগবে। প্রশ্ন হচ্ছে, পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন।

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন পার্লামেন্টের জয়েন্ট সেশনে। সেখানে ২৫০ আসনের সেনেট আছে। এই সেনেট বর্তমান শাসকদলের হাতে। ফলে নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা অনেকটাই নির্ভর করবে সেনেটের হাতে।

গত এক দশকে একাধিক সেনা অভ্যুত্থান দেখেছে থাইল্যান্ড। দেশের সংবিধান বদলে ফেলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ২০২০ সাল থেকে দেশজুড়ে ব্যাপক ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। সেনা যা কড়া হাতে মোকাবিলা করে। ছাত্রদের দাবি ছিল, সেনার তৈরি সংবিধানের বদল এবং রাজার ক্ষমতাহ্রাস। গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই ছিল তাদের। বর্তমান বিরোধীপক্ষ ছাত্র আন্দোলনের সমর্থক। তারাও গণতন্ত্রের জন্য লড়ছে। ফলে এই জয়ে দেশের গণতন্ত্রপন্থিরা অত্যন্ত আনন্দিত। কিন্তু শেষপর্যন্ত বিরোধীপক্ষ কতটা সুযোগ পাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।