ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তামিমদের খুলনাকে বিদায় করে প্লে’অফে সাকিবের বরিশাল

শেষ সুযোগ ছিল খুলনা টাইগার্সের সামনে। কিন্তু ফরচুন বরিশালের রান পাহাড়ের সামনে পেরে ওঠেনি। ৩৭ রানের হারে প্লে’অফে উঠার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেলো তামিম ইকবালদের। সেই সঙ্গে সিলেট স্ট্রাইকার্সের পর প্লে’অফ নিশ্চিত করেছে ফরচুন বরিশাল।

ঢাকায় শেষ পর্বের প্রথম দিন শুক্রবার টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে বরিশাল ৫ উইকেটে ১৯৪ রান করে। রান তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেটে ১৩৭ রানে থামে খুলনার ইনিংস।

১০ ম্যাচে ৭ জয়ে বরিশালের পয়েন্ট ১৪। তাদের অবস্থান দ্বিতীয় স্থানে। সমান ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে সিলেট। একই সংখ্যক ম্যাচ খেলে খুলনা মাত্র দুটিতে জিতেছে। তাদের পয়েন্ট মাত্র ৪। রয়েছে পয়েন্ট টেবিলের তলানির দিকে।

শুরু থেকে ইয়াসির আলীর অধীনে খুলনা টানা হারতে থাকে। নেতৃত্ব বদলে শাই হোপের কাঁধে দায়িত্ব উঠলেও বদলায়নি ভাগ্য। তামিম ফেরেন মাত্র ১ রান। আরেক ওপেনার অ্যান্ডি বালবির্নির ব্যাট থেকে আসে ১২ রান। সম্ভাবনা দেখিয়েছিলেন হোপ। কিন্তু হাল ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। ২৪ বলে ৩৭ রান থামে তার ইনিংস।

একাই লড়েছিলেন ইয়াসির। ৩৮ বলে ৬০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। ৫টি চার ও ৩টি ছয় হাঁকান ইয়াসির। তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ। এ ছাড়া নাহিদুল ইসলাম ২৪ বলে ২৪ রান করেন।

বরিশালের হয়ে একাই ৪ উইকেট নেন করিম জানাত। বিপরীতে ২৯ রান দেন মাত্র। এ ছাড়া খালেদ আহমেদ ২ উইকেট নেন। সাকিব-ওয়াসিম নেন ১টি করে উইকেট।

এর আগে ব্যাটিং করতে নেমে এনামুল হক আউট হয়ে গেলেও আরেক ওপেনার ফজলে মাহমুদ আফগান ব্যাটসম্যান ইবরাহিম জাদরানকে নিয়ে ফরচুন বরিশালের শুরুটা দারুণ এনে দেন। তাদের দেওয়া ভিতে ইফিতখার আহমেদের ঝড়ো ফিফটি আর সাকিব আল হাসানের ক্যামিও ইনিংসে খুলনা টাইগার্সকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বরিশাল।

৩১ বলে সর্বোচ্চ ৫১ রান নিয়ে ইফতিখার ও ১ বলে ৪ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

বরাবরের মতো ইফতিখারের শুরুটা হয়েছিল ধীরগতির। তবে খোলস পাল্টে বের হতে দেরি করেননি। সহজাত মারকুটে ইনিংসে বরিশালকে এনে দেন চ্যালেঞ্জিং স্কোর। ৩টি করে চার-ছয়ে হাঁকান বিপিএলের তৃতীয় ফিফটি।

সিলেটে দুই ম্যাচে রানের দেখা না পেলেও চেনা মিরপুরে সাকিবকে দেখা গেল রুদ্রমূর্তিতে। ৪টি ছয় ও ১টি চারে মাত্র ২১ বলে ৩৬ রান করেন সাকিব। ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়েই ফজলে মাহমুদ রাব্বি দারুণ ইনিংস খেলেন। তার ব্যাট থেকে আসে ২৮ বলে ৩৮ রান।

এ ছাড়া ইবরাহিম জাদরান ২৩ বলে ২৩, করিম জানাত ৮ বলে ১৬ রান করেন। ১টি করে চার-ছয়ে ৮ বলে ১৩ রান করা এনামুলের শুরুটা দারুণ হলেও থিতু হতে পারেননি।

খুলনার হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন পল ভন মেকেরিন। তিনি সবচেয়ে খরুচেও ছিলেন। ৩.৫ ওভারে দেন ৪৮ রান। ১টি করে উইকেট নেন নাহিদুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ।

ম্যাচসেরা হন সাকিব আল হাসান।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

তামিমদের খুলনাকে বিদায় করে প্লে’অফে সাকিবের বরিশাল

আপডেট সময় ০৪:২৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

শেষ সুযোগ ছিল খুলনা টাইগার্সের সামনে। কিন্তু ফরচুন বরিশালের রান পাহাড়ের সামনে পেরে ওঠেনি। ৩৭ রানের হারে প্লে’অফে উঠার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেলো তামিম ইকবালদের। সেই সঙ্গে সিলেট স্ট্রাইকার্সের পর প্লে’অফ নিশ্চিত করেছে ফরচুন বরিশাল।

ঢাকায় শেষ পর্বের প্রথম দিন শুক্রবার টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে বরিশাল ৫ উইকেটে ১৯৪ রান করে। রান তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেটে ১৩৭ রানে থামে খুলনার ইনিংস।

১০ ম্যাচে ৭ জয়ে বরিশালের পয়েন্ট ১৪। তাদের অবস্থান দ্বিতীয় স্থানে। সমান ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে সিলেট। একই সংখ্যক ম্যাচ খেলে খুলনা মাত্র দুটিতে জিতেছে। তাদের পয়েন্ট মাত্র ৪। রয়েছে পয়েন্ট টেবিলের তলানির দিকে।

শুরু থেকে ইয়াসির আলীর অধীনে খুলনা টানা হারতে থাকে। নেতৃত্ব বদলে শাই হোপের কাঁধে দায়িত্ব উঠলেও বদলায়নি ভাগ্য। তামিম ফেরেন মাত্র ১ রান। আরেক ওপেনার অ্যান্ডি বালবির্নির ব্যাট থেকে আসে ১২ রান। সম্ভাবনা দেখিয়েছিলেন হোপ। কিন্তু হাল ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। ২৪ বলে ৩৭ রান থামে তার ইনিংস।

একাই লড়েছিলেন ইয়াসির। ৩৮ বলে ৬০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। ৫টি চার ও ৩টি ছয় হাঁকান ইয়াসির। তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ। এ ছাড়া নাহিদুল ইসলাম ২৪ বলে ২৪ রান করেন।

বরিশালের হয়ে একাই ৪ উইকেট নেন করিম জানাত। বিপরীতে ২৯ রান দেন মাত্র। এ ছাড়া খালেদ আহমেদ ২ উইকেট নেন। সাকিব-ওয়াসিম নেন ১টি করে উইকেট।

এর আগে ব্যাটিং করতে নেমে এনামুল হক আউট হয়ে গেলেও আরেক ওপেনার ফজলে মাহমুদ আফগান ব্যাটসম্যান ইবরাহিম জাদরানকে নিয়ে ফরচুন বরিশালের শুরুটা দারুণ এনে দেন। তাদের দেওয়া ভিতে ইফিতখার আহমেদের ঝড়ো ফিফটি আর সাকিব আল হাসানের ক্যামিও ইনিংসে খুলনা টাইগার্সকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বরিশাল।

৩১ বলে সর্বোচ্চ ৫১ রান নিয়ে ইফতিখার ও ১ বলে ৪ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

বরাবরের মতো ইফতিখারের শুরুটা হয়েছিল ধীরগতির। তবে খোলস পাল্টে বের হতে দেরি করেননি। সহজাত মারকুটে ইনিংসে বরিশালকে এনে দেন চ্যালেঞ্জিং স্কোর। ৩টি করে চার-ছয়ে হাঁকান বিপিএলের তৃতীয় ফিফটি।

সিলেটে দুই ম্যাচে রানের দেখা না পেলেও চেনা মিরপুরে সাকিবকে দেখা গেল রুদ্রমূর্তিতে। ৪টি ছয় ও ১টি চারে মাত্র ২১ বলে ৩৬ রান করেন সাকিব। ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়েই ফজলে মাহমুদ রাব্বি দারুণ ইনিংস খেলেন। তার ব্যাট থেকে আসে ২৮ বলে ৩৮ রান।

এ ছাড়া ইবরাহিম জাদরান ২৩ বলে ২৩, করিম জানাত ৮ বলে ১৬ রান করেন। ১টি করে চার-ছয়ে ৮ বলে ১৩ রান করা এনামুলের শুরুটা দারুণ হলেও থিতু হতে পারেননি।

খুলনার হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন পল ভন মেকেরিন। তিনি সবচেয়ে খরুচেও ছিলেন। ৩.৫ ওভারে দেন ৪৮ রান। ১টি করে উইকেট নেন নাহিদুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ।

ম্যাচসেরা হন সাকিব আল হাসান।