ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সরকার তারেককে ফিরিয়ে এনে অবশ্যই আদালতের রায় কার্যকর করবে : প্রধানমন্ত্রী Logo ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতির প্রভাব কী হতে পারে? Logo মায়ের ওড়না শাড়ি বানিয়ে পরলেন জেফার, দেখালেন চমক Logo পরিবারসহ বেনজীরের আরও ১১৩ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ Logo হায়দরাবাদকে গুঁড়িয়ে, উড়িয়ে কলকাতা চ্যাম্পিয়ন Logo ফতুল্লায় রহিম হাজী ও সামেদ আলীর গ্রুপে সংঘর্ষ, ভাংচুর, আহত ১৫ Logo সোনারগাঁয়ে নির্বাচন পরবর্তী প্রতিহিংসায় শতাধিক ফলজ গাছ কর্তন Logo মুছাপুরে স্বর্ণকার অজিতের প্রেমের ফাঁদে সর্বশান্ত প্রবাসী নারী Logo বন্দরে বিভিন্ন মামলার ২ সাঁজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার Logo নাসিকের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় অন্ত:সত্তা নারীর মৃত্যু, চালক আটক

জিডিআই বিষয়ে বাংলাদেশকে নিয়ে যা বললেন চীনা রাষ্ট্রদূত

চীনের উদ্যোগ গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভে (জিডিআই) যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে চীন। এ বিষয়ে বাংলাদেশের সহায়তাও চেয়েছি।

আশাকরি বাংলাদেশের কাছ থেকে এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া পাব । ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল (আইপিএস) নিয়ে বাংলাদেশের নীতিতে সমর্থন করছে চীন। বেইজিং আশা করে, আইপিএসে বাংলাদেশ কারও পক্ষ নেবে না।

মঙ্গলবার ‘স্প্রিং ডায়ালগ উইথ চায়না’ শীর্ষক আলোচনায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ওয়েন।

তিস্তা প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে রাষ্ট্রদূত ওয়েন বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে চীন। তবে এ প্রকল্প নিয়ে সরকারের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। এর বেশি কিছু এখনই বলা ঠিক হবে না।

রোহিঙ্গা সংকট থেকে চীন সরে যাবে না বলে আশ্বস্ত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সমস্যা নয়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হিসেবে চীন সংকট সমাধানে ভূমিকা পালন করে আসছে।

আমরা এ সংকট সমাধানে ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ নিয়েছি। ওই উদ্যোগ থেকে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন কেন শুরু করা যায়নি, সেটি আপনারা জানেন।

রোহিঙ্গা সংকট বেশ জটিলতা ধারণ করেছে বলেই মনে করছেন রাষ্ট্রদূত ওয়েন। এর একটি কারণ হিসেবে পশ্চিমা দেশগুলোর হস্তক্ষেপের বিষয়টি ইঙ্গিত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার আস্থার অভাবে প্রক্রিয়াটি জটিল হয়ে পড়েছে।

এর পাশাপাশি বাইরের দেশের হস্তক্ষেপ পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে। তবে এখন সময় এসেছে সবাইকে মিলে একসঙ্গে চেষ্টা করার।

দাতা দেশগুলো থেকে রোহিঙ্গাদের অর্থায়ন কমে আসা নিয়ে ওয়েন রাশিয়া-ইউক্রেনের সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, পশ্চিমারা হাজারও কোটি ডলারের অস্ত্র ইউক্রেনে খরচ না করে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় খরচ করতে পারত।

চীন রাজনৈতিকভাবে ইউক্রেন পরিস্থিতির সমাধান চায় বলেও জানান রাষ্ট্রদূত। এ সময় তিনি সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে হওয়া শান্তি চুক্তির প্রসঙ্গটি তোলেন।

চীনা দূতাবাসের আয়োজনে অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার সম্পাদক ইনাম আহমেদ।

বাংলাদেশে চীনের অর্থায়নে প্রকল্পে ধীরগতি প্রসঙ্গ তোলেন সাংবাদিকরা। জবাবে রাষ্ট্রদূত বিষয়টির সঙ্গে একমত নয় জানিয়ে বলেন, চীনের প্রকল্পগুলো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিতে রয়েছে।

২০১৬ সালে ২৭ প্রকল্পের বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছিল। এর মধ্যে এক তৃতীয়াংশ প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে। এক তৃতীয়াংশ প্রকল্প বর্তমানে চলমান এবং এক তৃতীয়াংশ প্রকল্প আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার তারেককে ফিরিয়ে এনে অবশ্যই আদালতের রায় কার্যকর করবে : প্রধানমন্ত্রী

জিডিআই বিষয়ে বাংলাদেশকে নিয়ে যা বললেন চীনা রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় ০৪:২৩:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ মার্চ ২০২৩

চীনের উদ্যোগ গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভে (জিডিআই) যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে চীন। এ বিষয়ে বাংলাদেশের সহায়তাও চেয়েছি।

আশাকরি বাংলাদেশের কাছ থেকে এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া পাব । ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল (আইপিএস) নিয়ে বাংলাদেশের নীতিতে সমর্থন করছে চীন। বেইজিং আশা করে, আইপিএসে বাংলাদেশ কারও পক্ষ নেবে না।

মঙ্গলবার ‘স্প্রিং ডায়ালগ উইথ চায়না’ শীর্ষক আলোচনায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ওয়েন।

তিস্তা প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে রাষ্ট্রদূত ওয়েন বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে চীন। তবে এ প্রকল্প নিয়ে সরকারের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। এর বেশি কিছু এখনই বলা ঠিক হবে না।

রোহিঙ্গা সংকট থেকে চীন সরে যাবে না বলে আশ্বস্ত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সমস্যা নয়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হিসেবে চীন সংকট সমাধানে ভূমিকা পালন করে আসছে।

আমরা এ সংকট সমাধানে ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ নিয়েছি। ওই উদ্যোগ থেকে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন কেন শুরু করা যায়নি, সেটি আপনারা জানেন।

রোহিঙ্গা সংকট বেশ জটিলতা ধারণ করেছে বলেই মনে করছেন রাষ্ট্রদূত ওয়েন। এর একটি কারণ হিসেবে পশ্চিমা দেশগুলোর হস্তক্ষেপের বিষয়টি ইঙ্গিত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার আস্থার অভাবে প্রক্রিয়াটি জটিল হয়ে পড়েছে।

এর পাশাপাশি বাইরের দেশের হস্তক্ষেপ পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে। তবে এখন সময় এসেছে সবাইকে মিলে একসঙ্গে চেষ্টা করার।

দাতা দেশগুলো থেকে রোহিঙ্গাদের অর্থায়ন কমে আসা নিয়ে ওয়েন রাশিয়া-ইউক্রেনের সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, পশ্চিমারা হাজারও কোটি ডলারের অস্ত্র ইউক্রেনে খরচ না করে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় খরচ করতে পারত।

চীন রাজনৈতিকভাবে ইউক্রেন পরিস্থিতির সমাধান চায় বলেও জানান রাষ্ট্রদূত। এ সময় তিনি সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে হওয়া শান্তি চুক্তির প্রসঙ্গটি তোলেন।

চীনা দূতাবাসের আয়োজনে অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার সম্পাদক ইনাম আহমেদ।

বাংলাদেশে চীনের অর্থায়নে প্রকল্পে ধীরগতি প্রসঙ্গ তোলেন সাংবাদিকরা। জবাবে রাষ্ট্রদূত বিষয়টির সঙ্গে একমত নয় জানিয়ে বলেন, চীনের প্রকল্পগুলো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিতে রয়েছে।

২০১৬ সালে ২৭ প্রকল্পের বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছিল। এর মধ্যে এক তৃতীয়াংশ প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে। এক তৃতীয়াংশ প্রকল্প বর্তমানে চলমান এবং এক তৃতীয়াংশ প্রকল্প আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।