ঢাকা , শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গ্রেফতার আতঙ্কে বাড়ি ছাড়ছে নেতাকর্মীরা

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটের মাঠে কার্যত এক বাঘ মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি কেবল দলের ভেতরেই নিজকে সীমাবদ্ধ রাখেননি, বরং চরম প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে দলমত নির্বিশেষে সমর্থন নিয়েই গত নির্বাচনে বিজয় অর্জন করার পাশাপাশি কর্মযজ্ঞে তিনি সিলেট নগরবাসীর কাছে অতুলনীয় এক ব্যক্তি। আগামী সিসিক নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্ভর করছে বিএনপির সিদ্ধান্তের উপর। হয়তো দলের সিদ্ধান্তে নির্বাচন করবেন, নয়তো না। সেকারণে তার দল কিংবা আরিফুল হকের প্রতিদ্বন্ধিতা নিয়ে বিরাজ করছে অশ্চিয়তা। এরপরও সিলেট বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়েছে গ্রেফতার আতঙ্ক। গত কয়েক দিনে সিলেটে বিএনপি ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করছে পুলিশ।

এদিকে, আসন্ন নির্বাচনে আটঘাট বেঁধেই প্রচারে নামছে আওয়ামী লীগ। টানা দুই মেয়াদে বিএনপির কাছে হারতে হয়েছে তাদের। তাই এবারের নির্বাচনে চেয়ার পূণরুদ্ধার সরকারি দলের জন্য মর্যাদার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক কর্মসূচিগুলো দেখলে যে কেউ তা উপলব্ধি করতে পারবেন। ইতোমধ্যে দলটি নির্বাচনকালীন প্রচারের সুবিধার্থে ৪টি উপ-কমিটি ঘোষণা করার পাশাপাশি কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দ সিলেটে এসে বিজয়ের বার্ত দিয়ে দলের নেতাকর্মীদের অনুপ্রানিত করছেন। এমনকি ভোটের হেরফের হলে স্থানীয় ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি-সেক্রেটারীকে জবাবদিহিতাসহ হুশিয়ারী প্রদান করছেন পুরস্কার তিরস্কারের।

সিসিক নির্বাচনে সরগরম সিলেট নগরী। এখন পর্যন্ত একতরফা মাঠে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। বিএনপির প্রার্থী নেই আপাতত, কিন্তু নির্বাচনে না আসলেও যে আওয়ামী লীগের গুনতির মধ্যে দলটি। চলমান গ্রেফতার প্রক্রিয়ায় সেই অবস্থা দৃশ্যমান। সেকারণে সিলেট বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে হঠাৎ করে ছেিড়য় পড়েছে গ্রেফতার আতঙ্ক। বিএনপি নির্বাচনে আসলে কি ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে পারে, সেই আশঙ্কাও তাড়া করছে এ গ্রেফতার কা-ে। দলটি দাবি করছে গত চার দিনে মহানগরে গ্রেফতার করা হয়েছে অন্তত ১৭ নেতাকর্মীকে। তল্লাশির নামে নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হয়রানি করছে পুলিশ। সিলেট বিএনপির নেতারা অভিযোগ করে বলেন, গত ১ মে সিলেটে একটি সভায় বর্তমান সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নির্বাচন করার আভাস দেওয়ার পর থেকেই পুলিশের ধরপাকড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রদলের মধ্যে আরিফুল হকের কর্মী সমর্থকদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।

সিলেট বিএনপি সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার বিকেলে জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের একটি মিছিল থেকে ছাত্রদল ও যুবদলের আট নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ। তাদেরসহ অজ্ঞাতনামা আরো ২০০ জনকে আসামি করে সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশ সদস্যদের হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করার অভিযোগ এনে পুলিশ ওই রাতেই কোতোয়ালি থানায় মামলা করে। পরে এ মামলায় আটক ব্যক্তিদের গ্রেফতার দেখানো হয়। সূত্র আরো বলে, গত চার দিনে ছাত্রদল ও যুবদলের আটজন ছাড়াও বিএনপির আরো অন্তত ৯ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। পরে বিভিন্ন পুরোনো মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। এ ছাড়া গত মঙ্গলবার থেকে প্রতি রাতেই বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মীর বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পুলিশ তল্লশি চালিয়েছে। এতে আটক নেতাকর্মীদের পরিবারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। তাই ভয়ে অনেকে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র থাকছেন।

মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন, সিলেটে হঠাৎ করে পুলিশ ধরপাকড় শুরু করেছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে পূর্বের মামলায় অথবা নতুন করে জেলে ঢুকিয়ে দিচ্ছে পুলিশ। চলমান অবস্থা বিএনপির জন্য নাজুক হলে, আওয়ামী লীগ নির্বাচনী মাঠে পুরোদমে সক্রিয়। তারা পুরো সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকাকে ৪টি আলাদা আলাদা জোনে ভাগ করে প্রচারণা চালাবেন। এসব জোনের দায়িত্বে শুধু স্থানীয় নেতারাই নয়, থাকবেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দও।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকাকে নিয়ে পশ্চিমাঞ্চল, পূর্বাঞ্চল, মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণ সুরমা জোনে ভাগ করা হয়েছে। এসব অঞ্চলে প্রচারণার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে। পশ্চিমাঞ্চলে সিসিকের ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ এই ১৪টি ওয়ার্ডে প্রচারের দায়িত্বে আছেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ। তাকে সহযোগিতা করবেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা আজিজুস সামাদ ডন ও ডা. মুশফিকুর রহমান। পূর্বাঞ্চলে যেসব ওয়ার্ড রয়েছে সেগুলো হচ্ছে ২০, ২১, ২৪, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫ ও ৩৬ এই ৯টি ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডগুলোর দায়িত্বে রয়েছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী। তার সঙ্গে থাকবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহমদ হোসেন ও সাংসদ হাবিবুর রহমান হাবিব। ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২২ ও ২৩ এ ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে মধ্যাঞ্চল। এ অঞ্চলের দায়িত্বে আছেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন। তার সঙ্গে কে কে থাকবেন এই মুহুর্তে জানা না গেলেও কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা যে থাকবেন সেটা প্রায় নিশ্চিত। দক্ষিণ সুরমা জোনের দায়িত্বে আছেন সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. নাসির উদ্দিন খান। একাধিক কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতার সমন্বয়ে এ অঞ্চলের ১২, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১, ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচার চালাবেন তিনি।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রেফতার আতঙ্কে বাড়ি ছাড়ছে নেতাকর্মীরা

আপডেট সময় ০৪:২৫:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ মে ২০২৩

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটের মাঠে কার্যত এক বাঘ মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি কেবল দলের ভেতরেই নিজকে সীমাবদ্ধ রাখেননি, বরং চরম প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে দলমত নির্বিশেষে সমর্থন নিয়েই গত নির্বাচনে বিজয় অর্জন করার পাশাপাশি কর্মযজ্ঞে তিনি সিলেট নগরবাসীর কাছে অতুলনীয় এক ব্যক্তি। আগামী সিসিক নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্ভর করছে বিএনপির সিদ্ধান্তের উপর। হয়তো দলের সিদ্ধান্তে নির্বাচন করবেন, নয়তো না। সেকারণে তার দল কিংবা আরিফুল হকের প্রতিদ্বন্ধিতা নিয়ে বিরাজ করছে অশ্চিয়তা। এরপরও সিলেট বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়েছে গ্রেফতার আতঙ্ক। গত কয়েক দিনে সিলেটে বিএনপি ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করছে পুলিশ।

এদিকে, আসন্ন নির্বাচনে আটঘাট বেঁধেই প্রচারে নামছে আওয়ামী লীগ। টানা দুই মেয়াদে বিএনপির কাছে হারতে হয়েছে তাদের। তাই এবারের নির্বাচনে চেয়ার পূণরুদ্ধার সরকারি দলের জন্য মর্যাদার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক কর্মসূচিগুলো দেখলে যে কেউ তা উপলব্ধি করতে পারবেন। ইতোমধ্যে দলটি নির্বাচনকালীন প্রচারের সুবিধার্থে ৪টি উপ-কমিটি ঘোষণা করার পাশাপাশি কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দ সিলেটে এসে বিজয়ের বার্ত দিয়ে দলের নেতাকর্মীদের অনুপ্রানিত করছেন। এমনকি ভোটের হেরফের হলে স্থানীয় ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি-সেক্রেটারীকে জবাবদিহিতাসহ হুশিয়ারী প্রদান করছেন পুরস্কার তিরস্কারের।

সিসিক নির্বাচনে সরগরম সিলেট নগরী। এখন পর্যন্ত একতরফা মাঠে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। বিএনপির প্রার্থী নেই আপাতত, কিন্তু নির্বাচনে না আসলেও যে আওয়ামী লীগের গুনতির মধ্যে দলটি। চলমান গ্রেফতার প্রক্রিয়ায় সেই অবস্থা দৃশ্যমান। সেকারণে সিলেট বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে হঠাৎ করে ছেিড়য় পড়েছে গ্রেফতার আতঙ্ক। বিএনপি নির্বাচনে আসলে কি ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে পারে, সেই আশঙ্কাও তাড়া করছে এ গ্রেফতার কা-ে। দলটি দাবি করছে গত চার দিনে মহানগরে গ্রেফতার করা হয়েছে অন্তত ১৭ নেতাকর্মীকে। তল্লাশির নামে নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হয়রানি করছে পুলিশ। সিলেট বিএনপির নেতারা অভিযোগ করে বলেন, গত ১ মে সিলেটে একটি সভায় বর্তমান সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নির্বাচন করার আভাস দেওয়ার পর থেকেই পুলিশের ধরপাকড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রদলের মধ্যে আরিফুল হকের কর্মী সমর্থকদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।

সিলেট বিএনপি সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার বিকেলে জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের একটি মিছিল থেকে ছাত্রদল ও যুবদলের আট নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ। তাদেরসহ অজ্ঞাতনামা আরো ২০০ জনকে আসামি করে সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশ সদস্যদের হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করার অভিযোগ এনে পুলিশ ওই রাতেই কোতোয়ালি থানায় মামলা করে। পরে এ মামলায় আটক ব্যক্তিদের গ্রেফতার দেখানো হয়। সূত্র আরো বলে, গত চার দিনে ছাত্রদল ও যুবদলের আটজন ছাড়াও বিএনপির আরো অন্তত ৯ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। পরে বিভিন্ন পুরোনো মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। এ ছাড়া গত মঙ্গলবার থেকে প্রতি রাতেই বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মীর বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পুলিশ তল্লশি চালিয়েছে। এতে আটক নেতাকর্মীদের পরিবারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। তাই ভয়ে অনেকে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র থাকছেন।

মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন, সিলেটে হঠাৎ করে পুলিশ ধরপাকড় শুরু করেছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে পূর্বের মামলায় অথবা নতুন করে জেলে ঢুকিয়ে দিচ্ছে পুলিশ। চলমান অবস্থা বিএনপির জন্য নাজুক হলে, আওয়ামী লীগ নির্বাচনী মাঠে পুরোদমে সক্রিয়। তারা পুরো সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকাকে ৪টি আলাদা আলাদা জোনে ভাগ করে প্রচারণা চালাবেন। এসব জোনের দায়িত্বে শুধু স্থানীয় নেতারাই নয়, থাকবেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দও।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকাকে নিয়ে পশ্চিমাঞ্চল, পূর্বাঞ্চল, মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণ সুরমা জোনে ভাগ করা হয়েছে। এসব অঞ্চলে প্রচারণার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে। পশ্চিমাঞ্চলে সিসিকের ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ এই ১৪টি ওয়ার্ডে প্রচারের দায়িত্বে আছেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ। তাকে সহযোগিতা করবেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা আজিজুস সামাদ ডন ও ডা. মুশফিকুর রহমান। পূর্বাঞ্চলে যেসব ওয়ার্ড রয়েছে সেগুলো হচ্ছে ২০, ২১, ২৪, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫ ও ৩৬ এই ৯টি ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডগুলোর দায়িত্বে রয়েছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী। তার সঙ্গে থাকবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহমদ হোসেন ও সাংসদ হাবিবুর রহমান হাবিব। ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২২ ও ২৩ এ ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে মধ্যাঞ্চল। এ অঞ্চলের দায়িত্বে আছেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন। তার সঙ্গে কে কে থাকবেন এই মুহুর্তে জানা না গেলেও কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা যে থাকবেন সেটা প্রায় নিশ্চিত। দক্ষিণ সুরমা জোনের দায়িত্বে আছেন সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. নাসির উদ্দিন খান। একাধিক কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতার সমন্বয়ে এ অঞ্চলের ১২, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১, ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচার চালাবেন তিনি।