ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচনে কোনও অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না’

চরম অনিয়মের কারণে বন্ধ হওয়া গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে এবারও কোনও অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব। জাতির সামনে একটি সুন্দর ইলেকশন উপহার দেওয়ার প্রচেষ্টা বর্তমান কমিশন চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিকে অনিয়মের কারণে গত ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ আসনে উপ- নির্বাচন বন্ধ ঘোষণা করে ইসি। পরে এ আসনে ভোটের নতুন তারিখ ঘোষণা করে আউয়াল কমিশন। বুধবার (৪ জানুয়ারি) এ আসনে ফের উপ-নির্বাচনের ভোট হবে।

গত ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ আসনে উপ-নির্বাচনে সবগুলো কেন্দ্র সিসি টিভি ক্যামেরা দিয়ে ঢাকার নির্বাচন ভবনে বসে মনিটরিং করেন কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন। ভোটে অনিয়ম ধরা পড়লে ভোট গ্রহণের চার ঘণ্টার মাথায় ১৪৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫১টি ভোটকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে ভোট শেষের দেড়ঘণ্টা আগেই এ ভোট বন্ধ ঘোষণা করেন। এরপর এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই তদন্ত কমিটি করা হয়।

অনিয়ম ও দায়িত্ব অবহেলার প্রমাণ মেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশের পাঁচ উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তকাসহ ১৩৪ জনের বিরুদ্ধে বরখাস্তসহ নির্বাচন কর্মকর্তা বিশেষ আইন অনুসারে বিভিন্ন মেয়াদের শাস্তির সিদ্ধান্ত দেয় ইসি।

নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান বলেন, ‘গাইবান্ধা উপ-নির্বাচন সুষ্ঠু এবং অবাধভাবে করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। অনিয়মের কারণে গাইবান্ধা উপ-নির্বাচনটা বন্ধ করা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে সতর্কতার সঙ্গে গাইবান্ধার প্রত্যেকটি সিচুয়েশন আমরা মনিটর করছি, নির্দেশনা দিচ্ছি এবং অ্যাকশন নিচ্ছি। কোনও অনিয়মকে প্রশ্রয় একেবারে দেবো না। জাতির সামনে একটি সুন্দর ইলেকশন উপহার দেওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’

তিনি বলেন, ‘ইলেকশন কমিশন কোনও প্রকার, অনিয়ম পক্ষপাতিত্ব বা অস্বচ্ছতার প্রশ্রয় দেয়নি। ভবিষ্যতেও দেবে না। যেটার প্রতিফলন হয়েছিল গাইবান্ধা ইলেকশনে। এটায় আবার ইলেকশন হতে যাচ্ছে। আমাদের কাছে কোনও ছাড় নাই।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আমাদের রিটার্নিং অফিসার, আমাদের কর্মকর্তারা একসঙ্গে কাজ করে সুন্দর একটা ইলেকশন উপহার দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।’

ভোটের প্রচারণা বন্ধ হওয়ার পরও কেউ কেউ প্রচারণা চেষ্টা করেছে জানিয়ে এই কমিশনার বলেন, ‘আমরা কিন্তু কঠিন হস্তে দমন করেছি। সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ অনিয়মের পুনরাবৃত্তি হলে তা দেখে পর্যালোচনা করে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

‘গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচনে কোনও অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না’

আপডেট সময় ০৩:৫২:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৩

চরম অনিয়মের কারণে বন্ধ হওয়া গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে এবারও কোনও অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব। জাতির সামনে একটি সুন্দর ইলেকশন উপহার দেওয়ার প্রচেষ্টা বর্তমান কমিশন চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিকে অনিয়মের কারণে গত ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ আসনে উপ- নির্বাচন বন্ধ ঘোষণা করে ইসি। পরে এ আসনে ভোটের নতুন তারিখ ঘোষণা করে আউয়াল কমিশন। বুধবার (৪ জানুয়ারি) এ আসনে ফের উপ-নির্বাচনের ভোট হবে।

গত ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ আসনে উপ-নির্বাচনে সবগুলো কেন্দ্র সিসি টিভি ক্যামেরা দিয়ে ঢাকার নির্বাচন ভবনে বসে মনিটরিং করেন কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন। ভোটে অনিয়ম ধরা পড়লে ভোট গ্রহণের চার ঘণ্টার মাথায় ১৪৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫১টি ভোটকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে ভোট শেষের দেড়ঘণ্টা আগেই এ ভোট বন্ধ ঘোষণা করেন। এরপর এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই তদন্ত কমিটি করা হয়।

অনিয়ম ও দায়িত্ব অবহেলার প্রমাণ মেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশের পাঁচ উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তকাসহ ১৩৪ জনের বিরুদ্ধে বরখাস্তসহ নির্বাচন কর্মকর্তা বিশেষ আইন অনুসারে বিভিন্ন মেয়াদের শাস্তির সিদ্ধান্ত দেয় ইসি।

নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান বলেন, ‘গাইবান্ধা উপ-নির্বাচন সুষ্ঠু এবং অবাধভাবে করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। অনিয়মের কারণে গাইবান্ধা উপ-নির্বাচনটা বন্ধ করা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে সতর্কতার সঙ্গে গাইবান্ধার প্রত্যেকটি সিচুয়েশন আমরা মনিটর করছি, নির্দেশনা দিচ্ছি এবং অ্যাকশন নিচ্ছি। কোনও অনিয়মকে প্রশ্রয় একেবারে দেবো না। জাতির সামনে একটি সুন্দর ইলেকশন উপহার দেওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’

তিনি বলেন, ‘ইলেকশন কমিশন কোনও প্রকার, অনিয়ম পক্ষপাতিত্ব বা অস্বচ্ছতার প্রশ্রয় দেয়নি। ভবিষ্যতেও দেবে না। যেটার প্রতিফলন হয়েছিল গাইবান্ধা ইলেকশনে। এটায় আবার ইলেকশন হতে যাচ্ছে। আমাদের কাছে কোনও ছাড় নাই।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আমাদের রিটার্নিং অফিসার, আমাদের কর্মকর্তারা একসঙ্গে কাজ করে সুন্দর একটা ইলেকশন উপহার দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।’

ভোটের প্রচারণা বন্ধ হওয়ার পরও কেউ কেউ প্রচারণা চেষ্টা করেছে জানিয়ে এই কমিশনার বলেন, ‘আমরা কিন্তু কঠিন হস্তে দমন করেছি। সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ অনিয়মের পুনরাবৃত্তি হলে তা দেখে পর্যালোচনা করে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।