ঢাকা , সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বন্দরে শ্লীলতাহানির ভিডিও ধারণ করে যুবতীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার Logo আড়াইহাজারে রেস্টুরেন্ট থেকে অপত্তিকর অবস্থায় ১৬ কিশোর কিশোরী আটক Logo সোনারগাঁয়ে ট্রাক চাপায় যুবক নিহত, চালক আটক Logo সোনারগাঁয়ের আলোচিত সাধন মিয়া হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo বন্দর ১নং খেয়াঘাট মাঝি সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন Logo আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে মাকসুদ চেয়ারম্যান’র মত বিনিময় সভা ও উঠান বৈঠক Logo না’গঞ্জ জেলা জা’পা সভাপতি সানুর নাম ভাঙ্গিয়ে সুমন প্রধানের অপকর্ম রুখবে কে? Logo হুথিদের হামলায় লোহিত সাগরে ডুবে গেল সেই জাহাজ Logo রাতের লাইভের নেপথ্যের কারণ জানালেন তাহসান-ফারিণ Logo যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

খুলনায় বিএনপির কর্মসূচিতে টিয়ারশেল রাবার বুলেট নিক্ষেপ, আহত ১৫

খুলনায় বিএনপির কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দলটির নেতৃবৃন্দ। এ সময় নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও টিয়ারশেলও নিক্ষেপ করা হয়। ঘটনাস্থলে প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আটজনকে পুলিশ আটক করেছে।

পুলিশের দাবি, একটি মিছিল থেকে তাদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়েছিল।

বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আওয়ামী সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতির প্রতিবাদ ও ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে মহানগর বিএনপির অফিসের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করার সময় শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার পর এ ঘটনা ঘটে।

এর পরপরই কেডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী।

বিএনপি নেতৃবৃন্দের দাবি, দুপুরে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি ছিল। কেন্দ্রীয় নেতারা পার্টি অফিসের ভেতরে ছিলেন। অফিসের বাইরে নেতাকর্মীরা আসতে শুরু করার পরপরই পুলিশ বিনা কারণে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে থাকে। নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করলে বেশ কয়েকজন আহত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নেতাকর্মীদের আটক করে নিয়ে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে নেতাকর্মীরা আরও দাবি করেন, বিএনপি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিল। কিন্তু পুলিশ তাদের সেই কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে। বিনা কারণে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও আটক করেছে।

মহানগর আহবায়ক শফিকুল আলম মনা যুগান্তরকে জানান, পুলিশ অতি উৎসাহী হয়ে আমাদের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বানচালের জন্য আমাদের ওপর হামলা করেছে। তারা আমাদের পার্টি অফিসের সামনে অবস্থানের শুরু থেকেই বাধা দেওয়া শুরু করে।

তিনি বলেন, ছাত্রদলের ইস্তি, যুবদলের রুবাইয়েদসহ ১০/১৫ জন নেতাকর্মী পুলিশের হামলায় আহত হয়েছেন। পুলিশের হামলার সময় কেন্দ্রীয় নেতারা পার্টি অফিসের ভেতরে ছিলেন। কোনো কেন্দ্রীয় নেতা আটক নেই বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

কেএমপি ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, বিএনপির কর্মসূচিতে আসা নেতাকর্মীদের মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়। যেটা ৭/৮ রাউন্ড হতে পারে। এ ঘটনায় আটজনকে আটক করা হয়েছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্দরে শ্লীলতাহানির ভিডিও ধারণ করে যুবতীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

খুলনায় বিএনপির কর্মসূচিতে টিয়ারশেল রাবার বুলেট নিক্ষেপ, আহত ১৫

আপডেট সময় ০৪:২৮:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ এপ্রিল ২০২৩

খুলনায় বিএনপির কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দলটির নেতৃবৃন্দ। এ সময় নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও টিয়ারশেলও নিক্ষেপ করা হয়। ঘটনাস্থলে প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আটজনকে পুলিশ আটক করেছে।

পুলিশের দাবি, একটি মিছিল থেকে তাদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়েছিল।

বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আওয়ামী সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতির প্রতিবাদ ও ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে মহানগর বিএনপির অফিসের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করার সময় শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার পর এ ঘটনা ঘটে।

এর পরপরই কেডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী।

বিএনপি নেতৃবৃন্দের দাবি, দুপুরে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি ছিল। কেন্দ্রীয় নেতারা পার্টি অফিসের ভেতরে ছিলেন। অফিসের বাইরে নেতাকর্মীরা আসতে শুরু করার পরপরই পুলিশ বিনা কারণে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে থাকে। নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করলে বেশ কয়েকজন আহত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নেতাকর্মীদের আটক করে নিয়ে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে নেতাকর্মীরা আরও দাবি করেন, বিএনপি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিল। কিন্তু পুলিশ তাদের সেই কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে। বিনা কারণে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও আটক করেছে।

মহানগর আহবায়ক শফিকুল আলম মনা যুগান্তরকে জানান, পুলিশ অতি উৎসাহী হয়ে আমাদের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বানচালের জন্য আমাদের ওপর হামলা করেছে। তারা আমাদের পার্টি অফিসের সামনে অবস্থানের শুরু থেকেই বাধা দেওয়া শুরু করে।

তিনি বলেন, ছাত্রদলের ইস্তি, যুবদলের রুবাইয়েদসহ ১০/১৫ জন নেতাকর্মী পুলিশের হামলায় আহত হয়েছেন। পুলিশের হামলার সময় কেন্দ্রীয় নেতারা পার্টি অফিসের ভেতরে ছিলেন। কোনো কেন্দ্রীয় নেতা আটক নেই বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

কেএমপি ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, বিএনপির কর্মসূচিতে আসা নেতাকর্মীদের মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়। যেটা ৭/৮ রাউন্ড হতে পারে। এ ঘটনায় আটজনকে আটক করা হয়েছে।