ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ক্লাসেন টর্নেডোতে প্রোটিয়াদের রেকর্ডগড়া জয়

চাপের মুখে দুইদিন আগেই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিম পেয়েছিলেন ৬০ বলে হার না মানা অসাধারণ এক শতক। ঠিক তার পরদিন অর্থাৎ পরশু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের নাভিশ্বাস তুলে দিয়ে ৫৪ বলে তিন অংকের ম্যাজিকাল ফিগার স্পর্ষ করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার হাইনরিখ ক্লাসেন। সিরিজের প্রথম ম্যাচ ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। পরের ম্যাচটি ৪৮ রানে জিতেছিল ক্যারিবিয়ানরা। এদিন পচেফস্ট্রুমে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি জিতে সিরিজটা নিজেদের করে নেওয়ার সুযোগ ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। তবে ক্লাসেন তা হতে দিরে তো। তার ৬১ বলে ১১৯ রানের অপরাজিত ইনিংসে ক্যারিবীয়দের দেওয়া ২৬০ রানের টার্গেট ৪ উইকেট হাতে রেখে ছুঁযে ফেলে স্বাগতিক প্রোটিয়ারা।
ব্র্যান্ডন কিংয়ের ৭২, নিকোলাস পুরানের ৩৯ আর জেসন হোল্ডারের ৩৬ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ করে ২৬০ রান। তবে ৪৮.২ বলেই অলআউট হয তারা। জবাবে ৮৭ রানে ৪ উইকেট হারানো দক্ষিন আফ্রিকার হয়ে পঞ্চম উইকেটে ক্লাসেন-মিলার জুটি এনে দেয় ৫৫ রান। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে মার্কো ইয়ানসেনের সঙ্গে ৬০ বলে ১০৩ রানের জুটিতে জয়ের প্রোটিয়াদের জয়ের খুব কাছে নিয়ে যান ক্লাসেন। শেষ পর্যন্ত মাত্র ২৯.৩ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌছাঁয় স্বাগতিকরা। অর্থাৎ ১২৩ বল হাতে রেখেই। ওয়ানডেতে ২৫০ রানের বেশি তাড়া করতে নেমে প্রথম দল হিসেবে ৩০ ওভারের কম খেলেই জিতে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজটি ড্র হয় ১-১ ব্যবধানে।
ক্লাসেন ৫ ছক্কা ও ১৫ চারে ইনিংসটি সাজানোর পথে ৩০ বলে অর্ধশতকের দেখা পেয়েছিলেন, আর পরের পঞ্চাশের ছোঁয়ার জন্য নিয়েছিলেন মাত্র ২৪ বল। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ওয়ানডেতে চতুর্থ দ্রæততম সেঞ্চুরিয়ান ক্লাসেন। এমন সেঞ্চুরির দিনে ফিরে ফিরে এলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা কেন, আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতেই দ্রæততম শতকের রেকর্ডটাও ভিলিয়ার্সের। দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রæততম সেঞ্চুরির প্রথম পাঁচেও তার নাম আছে তিনবার। যদি ৭৫ বলকে যদি নির্ণায়ক হিসেবে ধরে নেয়া হয়, তাহলে প্রোটিয়াদের ওয়ানডে ইতিহাসে এমন সেঞ্চুরি আছে ১৪টি, তার ৯টিই ভিলিয়ার্সের।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

ক্লাসেন টর্নেডোতে প্রোটিয়াদের রেকর্ডগড়া জয়

আপডেট সময় ০৪:১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০২৩

চাপের মুখে দুইদিন আগেই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিম পেয়েছিলেন ৬০ বলে হার না মানা অসাধারণ এক শতক। ঠিক তার পরদিন অর্থাৎ পরশু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের নাভিশ্বাস তুলে দিয়ে ৫৪ বলে তিন অংকের ম্যাজিকাল ফিগার স্পর্ষ করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার হাইনরিখ ক্লাসেন। সিরিজের প্রথম ম্যাচ ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। পরের ম্যাচটি ৪৮ রানে জিতেছিল ক্যারিবিয়ানরা। এদিন পচেফস্ট্রুমে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি জিতে সিরিজটা নিজেদের করে নেওয়ার সুযোগ ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। তবে ক্লাসেন তা হতে দিরে তো। তার ৬১ বলে ১১৯ রানের অপরাজিত ইনিংসে ক্যারিবীয়দের দেওয়া ২৬০ রানের টার্গেট ৪ উইকেট হাতে রেখে ছুঁযে ফেলে স্বাগতিক প্রোটিয়ারা।
ব্র্যান্ডন কিংয়ের ৭২, নিকোলাস পুরানের ৩৯ আর জেসন হোল্ডারের ৩৬ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ করে ২৬০ রান। তবে ৪৮.২ বলেই অলআউট হয তারা। জবাবে ৮৭ রানে ৪ উইকেট হারানো দক্ষিন আফ্রিকার হয়ে পঞ্চম উইকেটে ক্লাসেন-মিলার জুটি এনে দেয় ৫৫ রান। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে মার্কো ইয়ানসেনের সঙ্গে ৬০ বলে ১০৩ রানের জুটিতে জয়ের প্রোটিয়াদের জয়ের খুব কাছে নিয়ে যান ক্লাসেন। শেষ পর্যন্ত মাত্র ২৯.৩ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌছাঁয় স্বাগতিকরা। অর্থাৎ ১২৩ বল হাতে রেখেই। ওয়ানডেতে ২৫০ রানের বেশি তাড়া করতে নেমে প্রথম দল হিসেবে ৩০ ওভারের কম খেলেই জিতে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজটি ড্র হয় ১-১ ব্যবধানে।
ক্লাসেন ৫ ছক্কা ও ১৫ চারে ইনিংসটি সাজানোর পথে ৩০ বলে অর্ধশতকের দেখা পেয়েছিলেন, আর পরের পঞ্চাশের ছোঁয়ার জন্য নিয়েছিলেন মাত্র ২৪ বল। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ওয়ানডেতে চতুর্থ দ্রæততম সেঞ্চুরিয়ান ক্লাসেন। এমন সেঞ্চুরির দিনে ফিরে ফিরে এলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা কেন, আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতেই দ্রæততম শতকের রেকর্ডটাও ভিলিয়ার্সের। দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রæততম সেঞ্চুরির প্রথম পাঁচেও তার নাম আছে তিনবার। যদি ৭৫ বলকে যদি নির্ণায়ক হিসেবে ধরে নেয়া হয়, তাহলে প্রোটিয়াদের ওয়ানডে ইতিহাসে এমন সেঞ্চুরি আছে ১৪টি, তার ৯টিই ভিলিয়ার্সের।