ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কোহলি-ডু প্লেসি ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বাই

রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালোর (আরসিবি), যাদের বলা হয় আইপিএলের চোকার দল। বড় বড় সব তারকা নিয়েও শিরোপার নিকট দূরত্ব থেকে তাদের ফেরার নজির রয়েছে। অন্যদিকে, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স দল হিসেবে বেশ সফল। তবে আসরের শুরুটা তাদের ভালো না যাওয়ার হারই বেশি। এই ম্যাচেও তাই হয়েছে। কোহলি-প্লেসির দাপুটে ব্যাটিংয়ে বড় ব্যবধানে হেরেছে মুম্বাই।

রোববার (২ এপ্রিল) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘরের মাঠে মুম্বাইকে আতিথ্য দেয় বেঙ্গালুরু। নিজেদের মাঠ বলেই কিনা ডু প্লেসিরা শুরু থেকেই মুম্বাইয়ের ওপর চাপ তৈরি করে। তবে শুরুটা ধীরগতির হলেও শেষপর্যন্ত ১৭২ রানের লড়াকু পুঁজি সংগ্রহ করে রোহিত শর্মারা। তবে সেই টার্গেট মামুলি প্রমাণ করেছে আরসিবি। ২২ বল হাতে রেখেই তারা ৮ উইকেটে জয় তুলে নিয়েছে।

এর আগে, টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি। সফরকারী মুম্বাইয়ের হয়ে টস দিতে নামেন রোহিত শর্মা।

আইপিএলের পর্দার ওঠার আগের দিন গত বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনে আসেন সব দলের অধিনায়করা। কিন্তু সেখানে রোহিত উপস্থিত ছিলেন না। ফলে তিনি চোট পেয়েছেন বলে গুঞ্জন ওঠে। একইসঙ্গে বলা হয় তাকে অধিনায়কত্ব থেকে হয়তো সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে সেসব আলাপ ছাপিয়ে এই ম্যাচে নেতৃত্ব দিতে নামেন জাতীয় দলের এই অধিনায়ক।

মুম্বাইয়ের ব্যাটিংয়ে শুরুটা ছিল ম্যাড়মেড়ে। অধিনায়ক রোহিতের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন ঈশান কিষান। তবে আরসিবি বোলারদের তোপে রান তোলা তো দূরে থাক, ২০ রানেই তারা ৩ উইকেট হারিয়ে বসে। শুধু তাই নয়, বলতে গেলে মুম্বাইয়ের পুরো টপ অর্ডারই আজ ব্যর্থ ছিল। আকাশ দীপের বলে আউট হয়ে অধিনায়ক রোহিত ফিরেছেন মাত্র ১ রান করে। এর আগে ফেরেন কিশান ও ক্যামেরন গ্রিন। অফ-ফর্মে থাকা সূর্যকুমার যাদবও ক্রিজে থিতু হতে পারেননি।

মুম্বাইয়ের উইকেট পতনের অন্যপ্রান্তে দৃঢ়তা দেখান তিলক ভার্মা। মূলত দলকে তিনি একাই টেনেছেন। খেলেছেন ৮৪ রানের এক অনবদ্য ইনিংস। তার ব্যাটেই মুম্বাই ১৭১ রানের লড়াইয়ের পুঁজি পায়।

সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই সমানে ব্যাট চালিয়েছেন কোহলি ও ডু প্লেসি। ক্রিকেটের অন্যতম সেরা দুই তারকার জুটিতে মুম্বাইয়ের বোলারদের কচুকাটা হয়েছেন। পাত্তা পাননি হালের ভয়ঙ্কর গতি তারকা জোফরা আর্চার।

কোহলি ও ডু প্লেসি দুজনেই ফিফটি করেছেন। তারা মারমুখী মেজাজ ম্যাচকে করে তোলে একপেশে। আরসিবির হয়ে সর্বোচ্চ ৪৯ বলে ৮২ রান করেন কোহলি। তিনি খেলেছেন ৫টি ছক্কা ও ৬টি চারের মার। অন্যদিকে ৬টি ছক্কা ও ৫টি চারের বাউন্ডারিতে ৪৩ বলে ৭৩ রান করে আউট হন ডু প্লেসি।

শেষদিকে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল পরপর দুই বলে ছয় মেরে বেঙ্গালুরুর জয় নিশ্চিত করেন। ১৬.২ ওভারে জয় দিয়ে আইপিএলের ১৬তম আসর দুর্দান্তভাবে শুরু করলো কোহলিরা।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

কোহলি-ডু প্লেসি ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বাই

আপডেট সময় ০৪:২২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ এপ্রিল ২০২৩

রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালোর (আরসিবি), যাদের বলা হয় আইপিএলের চোকার দল। বড় বড় সব তারকা নিয়েও শিরোপার নিকট দূরত্ব থেকে তাদের ফেরার নজির রয়েছে। অন্যদিকে, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স দল হিসেবে বেশ সফল। তবে আসরের শুরুটা তাদের ভালো না যাওয়ার হারই বেশি। এই ম্যাচেও তাই হয়েছে। কোহলি-প্লেসির দাপুটে ব্যাটিংয়ে বড় ব্যবধানে হেরেছে মুম্বাই।

রোববার (২ এপ্রিল) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘরের মাঠে মুম্বাইকে আতিথ্য দেয় বেঙ্গালুরু। নিজেদের মাঠ বলেই কিনা ডু প্লেসিরা শুরু থেকেই মুম্বাইয়ের ওপর চাপ তৈরি করে। তবে শুরুটা ধীরগতির হলেও শেষপর্যন্ত ১৭২ রানের লড়াকু পুঁজি সংগ্রহ করে রোহিত শর্মারা। তবে সেই টার্গেট মামুলি প্রমাণ করেছে আরসিবি। ২২ বল হাতে রেখেই তারা ৮ উইকেটে জয় তুলে নিয়েছে।

এর আগে, টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি। সফরকারী মুম্বাইয়ের হয়ে টস দিতে নামেন রোহিত শর্মা।

আইপিএলের পর্দার ওঠার আগের দিন গত বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনে আসেন সব দলের অধিনায়করা। কিন্তু সেখানে রোহিত উপস্থিত ছিলেন না। ফলে তিনি চোট পেয়েছেন বলে গুঞ্জন ওঠে। একইসঙ্গে বলা হয় তাকে অধিনায়কত্ব থেকে হয়তো সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে সেসব আলাপ ছাপিয়ে এই ম্যাচে নেতৃত্ব দিতে নামেন জাতীয় দলের এই অধিনায়ক।

মুম্বাইয়ের ব্যাটিংয়ে শুরুটা ছিল ম্যাড়মেড়ে। অধিনায়ক রোহিতের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন ঈশান কিষান। তবে আরসিবি বোলারদের তোপে রান তোলা তো দূরে থাক, ২০ রানেই তারা ৩ উইকেট হারিয়ে বসে। শুধু তাই নয়, বলতে গেলে মুম্বাইয়ের পুরো টপ অর্ডারই আজ ব্যর্থ ছিল। আকাশ দীপের বলে আউট হয়ে অধিনায়ক রোহিত ফিরেছেন মাত্র ১ রান করে। এর আগে ফেরেন কিশান ও ক্যামেরন গ্রিন। অফ-ফর্মে থাকা সূর্যকুমার যাদবও ক্রিজে থিতু হতে পারেননি।

মুম্বাইয়ের উইকেট পতনের অন্যপ্রান্তে দৃঢ়তা দেখান তিলক ভার্মা। মূলত দলকে তিনি একাই টেনেছেন। খেলেছেন ৮৪ রানের এক অনবদ্য ইনিংস। তার ব্যাটেই মুম্বাই ১৭১ রানের লড়াইয়ের পুঁজি পায়।

সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই সমানে ব্যাট চালিয়েছেন কোহলি ও ডু প্লেসি। ক্রিকেটের অন্যতম সেরা দুই তারকার জুটিতে মুম্বাইয়ের বোলারদের কচুকাটা হয়েছেন। পাত্তা পাননি হালের ভয়ঙ্কর গতি তারকা জোফরা আর্চার।

কোহলি ও ডু প্লেসি দুজনেই ফিফটি করেছেন। তারা মারমুখী মেজাজ ম্যাচকে করে তোলে একপেশে। আরসিবির হয়ে সর্বোচ্চ ৪৯ বলে ৮২ রান করেন কোহলি। তিনি খেলেছেন ৫টি ছক্কা ও ৬টি চারের মার। অন্যদিকে ৬টি ছক্কা ও ৫টি চারের বাউন্ডারিতে ৪৩ বলে ৭৩ রান করে আউট হন ডু প্লেসি।

শেষদিকে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল পরপর দুই বলে ছয় মেরে বেঙ্গালুরুর জয় নিশ্চিত করেন। ১৬.২ ওভারে জয় দিয়ে আইপিএলের ১৬তম আসর দুর্দান্তভাবে শুরু করলো কোহলিরা।