ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসির পুনঃনিরীক্ষণ ফলাফলে কৃতকার্য আরো ৪৪ জন

কুমিল্লার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসির পুনঃনিরীক্ষণে ১৭১ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। আজ সকাল ১০টায় কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এবার পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ৬ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষার্থী আবেদন করে। অনেক শিক্ষার্থী একাধিক পত্রে আবেদন করে। বিষয়ভিত্তিক আবেদন পড়ে ২১ হাজার ৮৫৪টি। সবগুলো খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ১৭১ জনের ফল পরিবর্তন হয়। নতুন করে জিপিএ-৫ পায় ৩৩ জন। অকৃতকার্য তালিকা থেকে কৃতকার্য হয়েছে ৪৪ জন। এছাড়া পূর্বে পাস করা ১৩৬ জনের জিপিএ পরিবর্তন হয়।
২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত হয়। পরীক্ষায় কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ছিল ৯০ দশমিক ৭২ শতাংশ। ৮৫ হাজার ৮৮০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাস করে ৭৭ হাজার ৯০৭জন। জিপিএ-৫ পায় ১৪ হাজার ৯৯১ জন শিক্ষার্থী। পুনঃনিরীক্ষণে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা ১৫ হাজার ছাড়ালো।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসির পুনঃনিরীক্ষণ ফলাফলে কৃতকার্য আরো ৪৪ জন

আপডেট সময় ০৪:১৩:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ মার্চ ২০২৩

কুমিল্লার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসির পুনঃনিরীক্ষণে ১৭১ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। আজ সকাল ১০টায় কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এবার পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ৬ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষার্থী আবেদন করে। অনেক শিক্ষার্থী একাধিক পত্রে আবেদন করে। বিষয়ভিত্তিক আবেদন পড়ে ২১ হাজার ৮৫৪টি। সবগুলো খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ১৭১ জনের ফল পরিবর্তন হয়। নতুন করে জিপিএ-৫ পায় ৩৩ জন। অকৃতকার্য তালিকা থেকে কৃতকার্য হয়েছে ৪৪ জন। এছাড়া পূর্বে পাস করা ১৩৬ জনের জিপিএ পরিবর্তন হয়।
২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত হয়। পরীক্ষায় কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ছিল ৯০ দশমিক ৭২ শতাংশ। ৮৫ হাজার ৮৮০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাস করে ৭৭ হাজার ৯০৭জন। জিপিএ-৫ পায় ১৪ হাজার ৯৯১ জন শিক্ষার্থী। পুনঃনিরীক্ষণে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা ১৫ হাজার ছাড়ালো।