ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বন্দরে শ্লীলতাহানির ভিডিও ধারণ করে যুবতীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার Logo আড়াইহাজারে রেস্টুরেন্ট থেকে অপত্তিকর অবস্থায় ১৬ কিশোর কিশোরী আটক Logo সোনারগাঁয়ে ট্রাক চাপায় যুবক নিহত, চালক আটক Logo সোনারগাঁয়ের আলোচিত সাধন মিয়া হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo বন্দর ১নং খেয়াঘাট মাঝি সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন Logo আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে মাকসুদ চেয়ারম্যান’র মত বিনিময় সভা ও উঠান বৈঠক Logo না’গঞ্জ জেলা জা’পা সভাপতি সানুর নাম ভাঙ্গিয়ে সুমন প্রধানের অপকর্ম রুখবে কে? Logo হুথিদের হামলায় লোহিত সাগরে ডুবে গেল সেই জাহাজ Logo রাতের লাইভের নেপথ্যের কারণ জানালেন তাহসান-ফারিণ Logo যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

কপিরাইট না মানলে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

কপিরাইট আইন, ২০২৩-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন।

তিনি জানান, কপিরাইট (স্বত্ব) না মানার শাস্তি ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। দেশের লোকগান ও লোকসংগীতের অধিকার সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জিনিস সংযোজন করা হয়েছে এই আইনে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ‘প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই জেল-জরিমানা এবং দুটোই আছে। যদি কোনও ব্যক্তি কোনও কর্মের কপিরাইটের স্বত্বাধিকারী না হয়ে প্রকাশ, পরিবেশন বা সম্পাদন করেন তাহলে তিনি সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এখানে বৈশিষ্ট্য হিসেবে যেটি বর্ণনা করা হচ্ছে, সময়ের প্রেক্ষাপটে বেশ কিছু সংজ্ঞা সংযোজন এবং বিয়োজন করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা বা ছদ্মনামে কর্মের স্বত্বাধিকারী, ডেটাবেজ, পাবলিক ডোমেইন, মনোগ্রাম, প্রডিউসার, ব্যক্তি, লোকগান, লোকসংস্কৃতি, সম্পাদক, সম্পত্তি অধিকার- এগুলোর নতুন সংজ্ঞা সংযোজন করা হয়েছে।’

আইনে ‘দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য যদি কোনও মেধাস্বত্বের বিষয় থাকে, তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। পাইরেসি প্রতিরোধে দণ্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ডিজিটাল অর্থাৎ কম্পিউটারভিত্তিক কার্যক্রমকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে, যা আগে ছিল না। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কপিরাইট লঙ্ঘনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আমাদের একটা কপিরাইট আইন ছিল। সেটা ২০০০ সালে প্রণয়ন হয়। এরপর ২০০৫ সালে সংশোধন করা হয়। এখন ডিজিটাল যুগ এসেছে। সেখানে ডিজিটাল যুগের কিছু বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। সেই বাস্তবতার আলোকে এ কপিরাইট আইনকে সংশোধন করে নতুন একটি খসড়া করা হয়, যা ২০২১ সালের অক্টোবরে কিছু পর্যবেক্ষণসহ নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্দরে শ্লীলতাহানির ভিডিও ধারণ করে যুবতীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

কপিরাইট না মানলে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় ০৬:০০:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

কপিরাইট আইন, ২০২৩-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন।

তিনি জানান, কপিরাইট (স্বত্ব) না মানার শাস্তি ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। দেশের লোকগান ও লোকসংগীতের অধিকার সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জিনিস সংযোজন করা হয়েছে এই আইনে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ‘প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই জেল-জরিমানা এবং দুটোই আছে। যদি কোনও ব্যক্তি কোনও কর্মের কপিরাইটের স্বত্বাধিকারী না হয়ে প্রকাশ, পরিবেশন বা সম্পাদন করেন তাহলে তিনি সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এখানে বৈশিষ্ট্য হিসেবে যেটি বর্ণনা করা হচ্ছে, সময়ের প্রেক্ষাপটে বেশ কিছু সংজ্ঞা সংযোজন এবং বিয়োজন করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা বা ছদ্মনামে কর্মের স্বত্বাধিকারী, ডেটাবেজ, পাবলিক ডোমেইন, মনোগ্রাম, প্রডিউসার, ব্যক্তি, লোকগান, লোকসংস্কৃতি, সম্পাদক, সম্পত্তি অধিকার- এগুলোর নতুন সংজ্ঞা সংযোজন করা হয়েছে।’

আইনে ‘দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য যদি কোনও মেধাস্বত্বের বিষয় থাকে, তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। পাইরেসি প্রতিরোধে দণ্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ডিজিটাল অর্থাৎ কম্পিউটারভিত্তিক কার্যক্রমকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে, যা আগে ছিল না। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কপিরাইট লঙ্ঘনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আমাদের একটা কপিরাইট আইন ছিল। সেটা ২০০০ সালে প্রণয়ন হয়। এরপর ২০০৫ সালে সংশোধন করা হয়। এখন ডিজিটাল যুগ এসেছে। সেখানে ডিজিটাল যুগের কিছু বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। সেই বাস্তবতার আলোকে এ কপিরাইট আইনকে সংশোধন করে নতুন একটি খসড়া করা হয়, যা ২০২১ সালের অক্টোবরে কিছু পর্যবেক্ষণসহ নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।