ঢাকা , বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে রেল যাবে সেপ্টেম্বরে

আগামী সেপ্টেম্বর মাসে কক্সবাজারের সাথে রেল যোগাযোগ শুরু হবে। তার আগেই দোহাজারি থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেল লাইন নির্মাণ শেষ করা হবে। ইতোমধ্যে ১৮ হাজার ৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকার এই প্রকল্পের কাজ ৮৩ শতাংশ শেষ হয়েছে। ১০০ কিলোমিটারের ডুয়েলগেজ রেলপথের মধ্যে ৭০ কিলোমিটারের নির্মাণ শেষ করা হয়েছে। বাকি ৩০ কিলোমিটার রেললাইন এবং ৮৬টি স্টেশন ভবন নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে।

কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট রেলসেতুতে বিদ্যমান রেললাইন আপাতত সংস্কার করেই কক্সবাজার পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরুর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হুমায়ুন কবীর। গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান তিনি। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নব নির্মিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন উদ্বোধন করতে পারেন।

চট্টগ্রামের কালুরঘাট সেতুর সংস্কারকাজ বাস্তবায়ন ও ফেরি চালুর বিষয়ে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেল সচিব হুমায়ুন কবীর বলেন, বর্তমান সরকার রেলপথের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন হচ্ছে। নতুন রেলপথ দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে। মানুষ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে দেখতে পর্যটন শহরে যাবে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে সেপ্টেম্বরে। তবে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন চালুর ক্ষেত্রে মূল বিপত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল কর্ণফুলী নদীর ওপর বিদ্যমান প্রায় ১০০ বছরের পুরনো জরাজীর্ণ কালুরঘাট সেতু। কক্সবাজারে দ্রুতগতির ট্রেন চালিয়ে নিতে কালুরঘাট সেতু সংস্কার করা হবে জানিয়ে রেলসচিব হুমায়ুন কবীর বলেন, জুন মাসে কালুরঘাট সেতুর সংস্কার কাজ শুরু হবে। পুরো সেতুর সংস্কারকাজ শেষ করতে ছয় মাস লাগবে। তবে সেতুর মূল রেল লাইনের সংস্কারকাজ তিন মাসের মধ্যে শেষ করা হবে।

এই তিন মাস ট্রেন (চট্টগ্রাম-দোহাজারী রুটে ট্রেন) চলাচল বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে সেতুর ওপর যান চলাচলও। সংস্কারকাজের সময় সেতুর বিকল্প হিসেবে যাতায়াতের জন্য ফেরি চালু করা হবে। রেল সচিব বলেন সেতুতে যান চলাচল বন্ধ থাকলে মানুষের সাময়িক অসুবিধা হবে। তবে সংস্কারকাজ হয়ে গেলে সেটা আর থাকবে না। আর ২০২৮ সালে নতুন সেতু হলে দুর্ভোগে দূর হয়ে যাবে।
সভায় কালুরঘাট সেতুর সংস্কারকাজ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেন রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আবু জাফর মিঞা। তিনি বলেন, কালুরঘাট রেলসেতুর অবস্থা এত খারাপ, সংস্কার ছাড়া কক্সবাজার পর্যন্ত ভারি ইঞ্জিনের ট্রেন নেওয়া সম্ভব নয়। বর্তমানে এই সেতুতে ট্রেনের গতি ১০ কিলোমিটার। সংস্কারের পর ৫০-৬০ কিলোমিটার হবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পরামর্শক দলের পরামর্শে সেতু সংস্কার করা হবে।

ইতোমধ্যে ঠিকাদার নিয়োগের দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। ২০ জুন সংস্কার কাজ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। সেপ্টেম্বরে মূল সংস্কার কাজ শেষ করা হবে। এবারের সংস্কার কাজে রেল সেতুতে মানুষের হেঁটে পার হওয়ার জন্য ওয়াকওয়ে (হাঁটাপথ) রাখা হবে। সভায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী রোকন উদ্দিন খালেদ চৌধুরী বলেন, সেতুর বিকল্প হিসেবে নদীতে ফেরি সার্ভিস চালু করা হবে। এ জন্য দু›টি ফেরি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে একটি ফেরি রাখা হয়েছে বিকল্প হিসেবে।

তবে সভায় জুন মাসে সেতুর সংস্কারকাজ শুরু করা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম ও পৌর চেয়ারম্যান জহুরল ইসলাম। দু’টি ফেরির পরিবর্তে চারটি ফেরি চালুর পরামর্শ দেন দুই জনপ্রতিনিধি। সভায় পৌর চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বলেন, জুন মাসে বর্ষা শুরু হবে। এই সময় নদীতে ফেরি চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে জোয়ারের সময় ফেরি তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে। এভাবে যদি বন্ধ থাকে তাহলে মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হবে। এই ব্যাপারে বিকল্প ভাবতে হবে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আ স ম মাহতাব উদ্দিন, বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক আবিদুর রহমানসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালুরঘাটে নতুন সেতুর নকশা চূড়ান্ত : সভায় কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট এলাকায় নতুন সেতু নির্মাণে আরও অগ্রগতি হয়েছে উল্লেখ করে রেলসচিব হুমায়ুন কবীর বলেন, নতুন রেলসেতুর নকশা চূড়ান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন সেতুর নকশা অনুমোদন দিয়েছেন। এখন চুক্তির বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। এসব কিছু সম্পন্ন হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু হবে। আর ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সভায় বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন বলেন, কালুরঘাটে নতুন সেতু নিয়ে মানুষের মনে অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা মনে করছেন কালুরঘাটে নতুন সেতু হবে না। তাই আগামী নির্বাচনের আগে নতুন সেতু নিয়ে সরকারি ঘোষণা দেওয়া হলে মানুষের অসন্তোষ দূর হবে। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে রেলসচিব বলেন, নতুন সেতু হবে, এটা চূড়ান্ত।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে রেল যাবে সেপ্টেম্বরে

আপডেট সময় ০৪:২৭:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ মে ২০২৩

আগামী সেপ্টেম্বর মাসে কক্সবাজারের সাথে রেল যোগাযোগ শুরু হবে। তার আগেই দোহাজারি থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেল লাইন নির্মাণ শেষ করা হবে। ইতোমধ্যে ১৮ হাজার ৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকার এই প্রকল্পের কাজ ৮৩ শতাংশ শেষ হয়েছে। ১০০ কিলোমিটারের ডুয়েলগেজ রেলপথের মধ্যে ৭০ কিলোমিটারের নির্মাণ শেষ করা হয়েছে। বাকি ৩০ কিলোমিটার রেললাইন এবং ৮৬টি স্টেশন ভবন নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে।

কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট রেলসেতুতে বিদ্যমান রেললাইন আপাতত সংস্কার করেই কক্সবাজার পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরুর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হুমায়ুন কবীর। গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান তিনি। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নব নির্মিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন উদ্বোধন করতে পারেন।

চট্টগ্রামের কালুরঘাট সেতুর সংস্কারকাজ বাস্তবায়ন ও ফেরি চালুর বিষয়ে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেল সচিব হুমায়ুন কবীর বলেন, বর্তমান সরকার রেলপথের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন হচ্ছে। নতুন রেলপথ দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে। মানুষ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে দেখতে পর্যটন শহরে যাবে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে সেপ্টেম্বরে। তবে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন চালুর ক্ষেত্রে মূল বিপত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল কর্ণফুলী নদীর ওপর বিদ্যমান প্রায় ১০০ বছরের পুরনো জরাজীর্ণ কালুরঘাট সেতু। কক্সবাজারে দ্রুতগতির ট্রেন চালিয়ে নিতে কালুরঘাট সেতু সংস্কার করা হবে জানিয়ে রেলসচিব হুমায়ুন কবীর বলেন, জুন মাসে কালুরঘাট সেতুর সংস্কার কাজ শুরু হবে। পুরো সেতুর সংস্কারকাজ শেষ করতে ছয় মাস লাগবে। তবে সেতুর মূল রেল লাইনের সংস্কারকাজ তিন মাসের মধ্যে শেষ করা হবে।

এই তিন মাস ট্রেন (চট্টগ্রাম-দোহাজারী রুটে ট্রেন) চলাচল বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে সেতুর ওপর যান চলাচলও। সংস্কারকাজের সময় সেতুর বিকল্প হিসেবে যাতায়াতের জন্য ফেরি চালু করা হবে। রেল সচিব বলেন সেতুতে যান চলাচল বন্ধ থাকলে মানুষের সাময়িক অসুবিধা হবে। তবে সংস্কারকাজ হয়ে গেলে সেটা আর থাকবে না। আর ২০২৮ সালে নতুন সেতু হলে দুর্ভোগে দূর হয়ে যাবে।
সভায় কালুরঘাট সেতুর সংস্কারকাজ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেন রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আবু জাফর মিঞা। তিনি বলেন, কালুরঘাট রেলসেতুর অবস্থা এত খারাপ, সংস্কার ছাড়া কক্সবাজার পর্যন্ত ভারি ইঞ্জিনের ট্রেন নেওয়া সম্ভব নয়। বর্তমানে এই সেতুতে ট্রেনের গতি ১০ কিলোমিটার। সংস্কারের পর ৫০-৬০ কিলোমিটার হবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পরামর্শক দলের পরামর্শে সেতু সংস্কার করা হবে।

ইতোমধ্যে ঠিকাদার নিয়োগের দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। ২০ জুন সংস্কার কাজ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। সেপ্টেম্বরে মূল সংস্কার কাজ শেষ করা হবে। এবারের সংস্কার কাজে রেল সেতুতে মানুষের হেঁটে পার হওয়ার জন্য ওয়াকওয়ে (হাঁটাপথ) রাখা হবে। সভায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী রোকন উদ্দিন খালেদ চৌধুরী বলেন, সেতুর বিকল্প হিসেবে নদীতে ফেরি সার্ভিস চালু করা হবে। এ জন্য দু›টি ফেরি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে একটি ফেরি রাখা হয়েছে বিকল্প হিসেবে।

তবে সভায় জুন মাসে সেতুর সংস্কারকাজ শুরু করা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম ও পৌর চেয়ারম্যান জহুরল ইসলাম। দু’টি ফেরির পরিবর্তে চারটি ফেরি চালুর পরামর্শ দেন দুই জনপ্রতিনিধি। সভায় পৌর চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বলেন, জুন মাসে বর্ষা শুরু হবে। এই সময় নদীতে ফেরি চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে জোয়ারের সময় ফেরি তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে। এভাবে যদি বন্ধ থাকে তাহলে মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হবে। এই ব্যাপারে বিকল্প ভাবতে হবে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আ স ম মাহতাব উদ্দিন, বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক আবিদুর রহমানসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালুরঘাটে নতুন সেতুর নকশা চূড়ান্ত : সভায় কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট এলাকায় নতুন সেতু নির্মাণে আরও অগ্রগতি হয়েছে উল্লেখ করে রেলসচিব হুমায়ুন কবীর বলেন, নতুন রেলসেতুর নকশা চূড়ান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন সেতুর নকশা অনুমোদন দিয়েছেন। এখন চুক্তির বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। এসব কিছু সম্পন্ন হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু হবে। আর ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সভায় বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন বলেন, কালুরঘাটে নতুন সেতু নিয়ে মানুষের মনে অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা মনে করছেন কালুরঘাটে নতুন সেতু হবে না। তাই আগামী নির্বাচনের আগে নতুন সেতু নিয়ে সরকারি ঘোষণা দেওয়া হলে মানুষের অসন্তোষ দূর হবে। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে রেলসচিব বলেন, নতুন সেতু হবে, এটা চূড়ান্ত।