ঢাকা , সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ওয়ানডেতেও জাদেজার স্মরণীয় প্রত্যাবর্তনে ভারতের শুভ সূচনা

সাদা পোশাকের পর রঙিন পোশাকেও স্মরণীয় প্রত্যাবর্তন হলো রবীন্দ্র জাদেজার। নাগপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গত মাসে টেস্টে ফেরার ম্যাচেই হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। আট মাস পর ওয়ানডেতেও ফিরলেন এবং দলকে জিতিয়ে হলেন ম্যাচসেরা। সিমারদের আধিপত্য বিস্তার করা ম্যাচে ৪৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন এই স্পিনার, তারপর ব্যাট হাতে ম্যাচ জিতিয়ে ক্রিজ ছাড়েন ভারতীয় অলরাউন্ডার।

মুম্বাইয়ে প্রথম ওয়ানডেতে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার, শেষটা হয়েছিল বাজে। অন্যদিকে লক্ষ্যে নেমে ভারতের শুরুটা হয়েছিল বিপর্যয়ে, শেষ হলো চমৎকার। লোকেল রাহুলের হাফ সেঞ্চুরি ও জাদেজার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ৫ উইকেটে জিতেছে তারা।

টস জিতে বোলিং নেয় ভারত। দ্বিতীয় ওভারেই মেলে সাফল্য। ট্র্যাভিস হেডকে বোল্ড করেন মোহাম্মদ সিরাজ। এরপর স্টিভ স্মিথ ও মিচেল মার্শের ৭২ রানের জুটি ফেরায় স্বস্তি। স্মিথ ২২ রানের বেশি করতে পারেননি। অন্যদিকে মার্শ ভারতীয় বোলারদের ঘাম ছুটিয়ে ছেড়েছেন। ৫১ বলে ৭ চার ও ৩ ছয়ে করেন হাফ সেঞ্চুরি।

মার্শ ও মার্নাস লাবুশেনের জুটিতে শক্ত অবস্থান নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু দলীয় ১২৯ রানে এই জুটি ভাঙতেই ওলটপালট তাদের ব্যাটিং লাইন। ২০তম ওভারে ভেঙে যায় ৫২ রানের জুটি। রবীন্দ্র জাদেজার ওভারে মার্শ ৬৫ বলে ১০ চার ও ৫ ছয়ে সিরাজের হাতে ক্যাচ তুলে দেন, থামেন ৮১ রানে।

২ উইকেটে ১২৯ রান করা দলটি আর শক্ত হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। স্কোর হয়নি দুইশও। মোহাম্মদ শামি ও সিরাজের তোপে ৫৯ রানেই শেষ ৭ উইকেট হারায় সফরকারীরা।
৩৬ ওভারের মধ্যে অস্ট্রেলিয়াকে ১৮৮ রানে গুটিয়ে দিতে তিনটি করে উইকেট নেন সিরাজ ও শামি। দুজনকে ফেরান জাদেজা।

লক্ষ্যে নেমে ১১তম ওভারে ৩৯ রানের মধ্যে চার উইকেট নেই ভারতের। এর মধ্যে পঞ্চম ওভারে পরপর বিরাট কোহলি ও সূর্যকুমার যাদবকে ফিরিয়ে তাদের চেপে ধরেন মিচেল স্টার্ক। প্রথম চারটির মধ্যে তিনটিই গেছে তার পকেটে। হার্দিক পান্ডিয়া ও লোকেশ রাহুল ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করছিলেন। দলীয় ৮৩ রানে তাদের বিচ্ছিন্ন করেন মার্কাস স্টয়নিস। হার্দিককে (২৫) ফিরিয়ে ৪৪ রানের জুটি ভেঙে দেন তিনি।

আর পা হড়কায়নি ভারত। রবীন্দ্র জাদেজা ও রাহুলের ১০৮ রানের অপরাজিত জুটিতে ৪০তম ওভারেই ম্যাচ জিতে যায় স্বাগতিকরা। জাদেজা ৬৯ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৯১ বলে ইনিংস সেরা ৭৫ রান করেন রাহুল। তার ইনিংসে ছিল ৭ চার ও ১ ছয়। ৫ উইকেটে ১৯১ রান করে ভারত।

ব্যাটে-বলে নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন জাদেজা।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

ওয়ানডেতেও জাদেজার স্মরণীয় প্রত্যাবর্তনে ভারতের শুভ সূচনা

আপডেট সময় ০৪:১০:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মার্চ ২০২৩

সাদা পোশাকের পর রঙিন পোশাকেও স্মরণীয় প্রত্যাবর্তন হলো রবীন্দ্র জাদেজার। নাগপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গত মাসে টেস্টে ফেরার ম্যাচেই হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। আট মাস পর ওয়ানডেতেও ফিরলেন এবং দলকে জিতিয়ে হলেন ম্যাচসেরা। সিমারদের আধিপত্য বিস্তার করা ম্যাচে ৪৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন এই স্পিনার, তারপর ব্যাট হাতে ম্যাচ জিতিয়ে ক্রিজ ছাড়েন ভারতীয় অলরাউন্ডার।

মুম্বাইয়ে প্রথম ওয়ানডেতে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার, শেষটা হয়েছিল বাজে। অন্যদিকে লক্ষ্যে নেমে ভারতের শুরুটা হয়েছিল বিপর্যয়ে, শেষ হলো চমৎকার। লোকেল রাহুলের হাফ সেঞ্চুরি ও জাদেজার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ৫ উইকেটে জিতেছে তারা।

টস জিতে বোলিং নেয় ভারত। দ্বিতীয় ওভারেই মেলে সাফল্য। ট্র্যাভিস হেডকে বোল্ড করেন মোহাম্মদ সিরাজ। এরপর স্টিভ স্মিথ ও মিচেল মার্শের ৭২ রানের জুটি ফেরায় স্বস্তি। স্মিথ ২২ রানের বেশি করতে পারেননি। অন্যদিকে মার্শ ভারতীয় বোলারদের ঘাম ছুটিয়ে ছেড়েছেন। ৫১ বলে ৭ চার ও ৩ ছয়ে করেন হাফ সেঞ্চুরি।

মার্শ ও মার্নাস লাবুশেনের জুটিতে শক্ত অবস্থান নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু দলীয় ১২৯ রানে এই জুটি ভাঙতেই ওলটপালট তাদের ব্যাটিং লাইন। ২০তম ওভারে ভেঙে যায় ৫২ রানের জুটি। রবীন্দ্র জাদেজার ওভারে মার্শ ৬৫ বলে ১০ চার ও ৫ ছয়ে সিরাজের হাতে ক্যাচ তুলে দেন, থামেন ৮১ রানে।

২ উইকেটে ১২৯ রান করা দলটি আর শক্ত হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। স্কোর হয়নি দুইশও। মোহাম্মদ শামি ও সিরাজের তোপে ৫৯ রানেই শেষ ৭ উইকেট হারায় সফরকারীরা।
৩৬ ওভারের মধ্যে অস্ট্রেলিয়াকে ১৮৮ রানে গুটিয়ে দিতে তিনটি করে উইকেট নেন সিরাজ ও শামি। দুজনকে ফেরান জাদেজা।

লক্ষ্যে নেমে ১১তম ওভারে ৩৯ রানের মধ্যে চার উইকেট নেই ভারতের। এর মধ্যে পঞ্চম ওভারে পরপর বিরাট কোহলি ও সূর্যকুমার যাদবকে ফিরিয়ে তাদের চেপে ধরেন মিচেল স্টার্ক। প্রথম চারটির মধ্যে তিনটিই গেছে তার পকেটে। হার্দিক পান্ডিয়া ও লোকেশ রাহুল ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করছিলেন। দলীয় ৮৩ রানে তাদের বিচ্ছিন্ন করেন মার্কাস স্টয়নিস। হার্দিককে (২৫) ফিরিয়ে ৪৪ রানের জুটি ভেঙে দেন তিনি।

আর পা হড়কায়নি ভারত। রবীন্দ্র জাদেজা ও রাহুলের ১০৮ রানের অপরাজিত জুটিতে ৪০তম ওভারেই ম্যাচ জিতে যায় স্বাগতিকরা। জাদেজা ৬৯ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৯১ বলে ইনিংস সেরা ৭৫ রান করেন রাহুল। তার ইনিংসে ছিল ৭ চার ও ১ ছয়। ৫ উইকেটে ১৯১ রান করে ভারত।

ব্যাটে-বলে নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন জাদেজা।