ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এবার ‘একুশে পদক’ পাচ্ছেন যারা

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও দুটি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব বাবুল মিয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ২০২৩ সালের একুশে পদক পাচ্ছেন তারা হলেন: খালেদা মনযুর-ই খোদা-ভাষা আন্দোলন, বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম শামসুল হক (মরণোত্তর)-ভাষা আন্দোলন, হাজী মো. মজিবর রহমান-ভাষা আন্দোলন, মাসুদ আলী খান-শিল্পকলা (অভিনয়), শিমূল ইউসুফ-শিল্পকলা (অভিনয়), মনোরঞ্জন ঘোষাল-শিল্পকলা (সংগীত), গাজী আবদুল হাকিম-শিল্পকলা (সংগীত), ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর)-শিল্পকলা (সংগীত), জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়-শিল্পকলা (আবৃত্তি), নওয়াজীশ আলী খান-শিল্পকলা, কনকচাঁপা চাকমা-শিল্পকলা (চিত্রকলা), মমতাজ উদ্দীন (মরণোত্তর)-মুক্তিযুদ্ধ, মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর)-সাংবাদিকতা, ড. মো. আব্দুল মজিদ-গবেষণা, প্রফেসর ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর)-শিক্ষা, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর-শিক্ষা, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন-সমাজসেবা, মো. সাঈদুল হক (সমাজসেবা), অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম-(মরণোত্তর)-রাজনীতি, আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর)-রাজনীতি এবং ড. মনিরুজ্জামান-ভাষা ও সাহিত্য।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

এবার ‘একুশে পদক’ পাচ্ছেন যারা

আপডেট সময় ০৫:১৯:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও দুটি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব বাবুল মিয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ২০২৩ সালের একুশে পদক পাচ্ছেন তারা হলেন: খালেদা মনযুর-ই খোদা-ভাষা আন্দোলন, বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম শামসুল হক (মরণোত্তর)-ভাষা আন্দোলন, হাজী মো. মজিবর রহমান-ভাষা আন্দোলন, মাসুদ আলী খান-শিল্পকলা (অভিনয়), শিমূল ইউসুফ-শিল্পকলা (অভিনয়), মনোরঞ্জন ঘোষাল-শিল্পকলা (সংগীত), গাজী আবদুল হাকিম-শিল্পকলা (সংগীত), ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর)-শিল্পকলা (সংগীত), জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়-শিল্পকলা (আবৃত্তি), নওয়াজীশ আলী খান-শিল্পকলা, কনকচাঁপা চাকমা-শিল্পকলা (চিত্রকলা), মমতাজ উদ্দীন (মরণোত্তর)-মুক্তিযুদ্ধ, মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর)-সাংবাদিকতা, ড. মো. আব্দুল মজিদ-গবেষণা, প্রফেসর ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর)-শিক্ষা, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর-শিক্ষা, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন-সমাজসেবা, মো. সাঈদুল হক (সমাজসেবা), অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম-(মরণোত্তর)-রাজনীতি, আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর)-রাজনীতি এবং ড. মনিরুজ্জামান-ভাষা ও সাহিত্য।