ঢাকা , সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এক অভিবাসী তরুণীর সাফল্যের কাহিনি

নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা অভিবাসী হিসেবে ফ্রান্সে আসার পর মারিনা কোরেইয়া আজ প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে লংবোর্ড ডান্সের চ্যাম্পিয়ন হয়ে উঠেছেন। অথচ মাত্র আট বছর আগে মারিনা নিস শহরে প্রথমবার লংবোর্ডে সওয়ার হয়েছিলেন। সেই বোর্ড তার জীবন বদলে দিয়েছে। মারিনা নিজে মনে করেন, ‘আমার বোর্ড আমার নিজস্ব সত্ত্বার সম্প্রসারিত অংশ। সেটাই আমার সম্পূর্ণ জীবন। এখনকার জীবন চালিয়ে যাওয়ার সেটাই কারণ। বোর্ডই আমার সর্বস্ব।’

২৫ বছর বয়সি এই নারী বিশ্বের অন্যতম সেরা লংবোর্ড ডান্সার। তিনি হাতে গোনা পেশাদার নর্তকীদেরও একজন। এমন নাচের ব্যাখ্যা করে মারিনা বলেন, ‘লংবোর্ড আসলে স্কেটবোর্ড ও সার্ফিংয়ের মিশ্রণ। লংবোর্ড ড্যান্সের ক্ষেত্রে বোর্ডের উপর স্টেপ সাজাতে হয়। একইসঙ্গে এগিয়েও যেতে হয়। বোর্ডের উপর দাঁড়ালে উত্তেজনায় অ্যাড্রিনালিন রাশ সৃষ্টি হয়, মুক্তির স্বাদ ও নিয়ম ভাঙার অনুভূতি জাগে। শুধু তুমি ও তোমার বোর্ড।’ তিনি আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র কাপ ভ্যার্দেতে বড় হয়েছেন। ১৪ বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে ফ্রান্সে আসেন। ফরাসি ভাষা প্রায় বলতেই পারতেন না। তখন আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরছিল। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মারিনা কোরেইয়া বলেন, ‘আমি মুখ খুললে প্রায়ই অনেকে হাসাহাসি করতো। টের পেলাম, স্কুলে বাকিদের তুলনায় আমি আলাদা। ফলে বুঝতে পারলাম, আমার উচ্চারণ ও ত্বকের রং থেকে অন্যদের মনোযোগ সরাতে আমাকে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে।’ ২০২৪ সালে মারিয়া কোরেইয়া নিজের মূল দেশ কাপ ভ্যার্ডের অলিম্পিক দূত হিসেবে প্যারিস অলিম্পিকে প্রতিনিধিত্ব করবেন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

এক অভিবাসী তরুণীর সাফল্যের কাহিনি

আপডেট সময় ০৩:৫৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩

নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা অভিবাসী হিসেবে ফ্রান্সে আসার পর মারিনা কোরেইয়া আজ প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে লংবোর্ড ডান্সের চ্যাম্পিয়ন হয়ে উঠেছেন। অথচ মাত্র আট বছর আগে মারিনা নিস শহরে প্রথমবার লংবোর্ডে সওয়ার হয়েছিলেন। সেই বোর্ড তার জীবন বদলে দিয়েছে। মারিনা নিজে মনে করেন, ‘আমার বোর্ড আমার নিজস্ব সত্ত্বার সম্প্রসারিত অংশ। সেটাই আমার সম্পূর্ণ জীবন। এখনকার জীবন চালিয়ে যাওয়ার সেটাই কারণ। বোর্ডই আমার সর্বস্ব।’

২৫ বছর বয়সি এই নারী বিশ্বের অন্যতম সেরা লংবোর্ড ডান্সার। তিনি হাতে গোনা পেশাদার নর্তকীদেরও একজন। এমন নাচের ব্যাখ্যা করে মারিনা বলেন, ‘লংবোর্ড আসলে স্কেটবোর্ড ও সার্ফিংয়ের মিশ্রণ। লংবোর্ড ড্যান্সের ক্ষেত্রে বোর্ডের উপর স্টেপ সাজাতে হয়। একইসঙ্গে এগিয়েও যেতে হয়। বোর্ডের উপর দাঁড়ালে উত্তেজনায় অ্যাড্রিনালিন রাশ সৃষ্টি হয়, মুক্তির স্বাদ ও নিয়ম ভাঙার অনুভূতি জাগে। শুধু তুমি ও তোমার বোর্ড।’ তিনি আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র কাপ ভ্যার্দেতে বড় হয়েছেন। ১৪ বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে ফ্রান্সে আসেন। ফরাসি ভাষা প্রায় বলতেই পারতেন না। তখন আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরছিল। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মারিনা কোরেইয়া বলেন, ‘আমি মুখ খুললে প্রায়ই অনেকে হাসাহাসি করতো। টের পেলাম, স্কুলে বাকিদের তুলনায় আমি আলাদা। ফলে বুঝতে পারলাম, আমার উচ্চারণ ও ত্বকের রং থেকে অন্যদের মনোযোগ সরাতে আমাকে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে।’ ২০২৪ সালে মারিয়া কোরেইয়া নিজের মূল দেশ কাপ ভ্যার্ডের অলিম্পিক দূত হিসেবে প্যারিস অলিম্পিকে প্রতিনিধিত্ব করবেন।