ঢাকা , শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই: মির্জা ফখরুল

আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করতে হবে, আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার মিরপুর পল্লবী থানায় বিএনপির আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সংগ্রাম করছি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। এমন একটি সরকার আমাদের ওপরে চেপে বসেছে। যে সরকার মানুষের মর্যাদা দিতে জানে না। মানুষের জীবনের মূল্য দিতে জানে না। তারা যেকোন উপায় হোক ক্ষমতা আকড়ে ধরতে চায়। কেউ বাদ যাচ্ছে না । শুধু বিএনপি নেতাকর্মীরা নয়। সাধারণ মানুষও বাদ যাচ্ছে না। নওগাঁর একজন মহিলাকে কি কারনে ব্যাব তুলে নিয়ে গেল। তার কারণ এখনো জানা যায়নি।

ডিজিটাল আইনের কথা তুলে ধরে ফখরুল বলেন , এ আইনের অপপ্রয়োগ করা হচ্ছে। এই অপপ্রয়োগের ফলে একজন অসহায় নিরাপরাধ নারীকে জীবন দিতে হলো। এর দায় কে নিবে? এর সম্পূর্ণ দায় সরকারকেই নিতে হবে। প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে শুধু মামলা নয়, এই সরকার আরো তিনজন শ্রদ্বেয় সম্পাদককে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে, তারা হলেন সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদ, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ও যায় যায় দিনের সাবেক সম্পাদক শফিক রেহমান। অসংখ্য নেতাকর্মীকে নির্যাতন হয়রানি করছে ও আজকের সাংবাদিকদের প্রতি নির্যাতন করা হচ্ছে। আজকের সংবাদপত্র স্বাধীনতা, ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা, কথা বলার স্বাধীনতা, কোনটাই নেই দেশে।

তিনি বলেন, সরকার আবারও একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার জন্য সব গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে নাই। কিন্তু রাজনৈতিক দলের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। তারা সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। তারা আবারও একটা নতুন নির্বাচনের পায়তারা করতেছে। ১৪ ও ১৮ সালের মতো রাতে ভোট করে ক্ষমতা থাকতে চায়। কিন্তু সেটি এদেশে জনগণ হতে দেবে না।

মহাসচিব বলেন, আমরা দশ দফা দিয়েছি। সেখানে বলেছি, এই সংসদ কে বিলুপ্ত করতে হবে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করবে। জনগণের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠিত হবে। নির্বাচনে যদি বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয় । তার মাধ্যমে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে। এরমধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের কাঠামো মেরামত করা হবে। কারণ বর্তমান সরকার সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে।

এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, সদস্য সচিব আমিনুল হকসহ দলটির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৪:১৯:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ এপ্রিল ২০২৩

আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করতে হবে, আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার মিরপুর পল্লবী থানায় বিএনপির আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সংগ্রাম করছি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। এমন একটি সরকার আমাদের ওপরে চেপে বসেছে। যে সরকার মানুষের মর্যাদা দিতে জানে না। মানুষের জীবনের মূল্য দিতে জানে না। তারা যেকোন উপায় হোক ক্ষমতা আকড়ে ধরতে চায়। কেউ বাদ যাচ্ছে না । শুধু বিএনপি নেতাকর্মীরা নয়। সাধারণ মানুষও বাদ যাচ্ছে না। নওগাঁর একজন মহিলাকে কি কারনে ব্যাব তুলে নিয়ে গেল। তার কারণ এখনো জানা যায়নি।

ডিজিটাল আইনের কথা তুলে ধরে ফখরুল বলেন , এ আইনের অপপ্রয়োগ করা হচ্ছে। এই অপপ্রয়োগের ফলে একজন অসহায় নিরাপরাধ নারীকে জীবন দিতে হলো। এর দায় কে নিবে? এর সম্পূর্ণ দায় সরকারকেই নিতে হবে। প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে শুধু মামলা নয়, এই সরকার আরো তিনজন শ্রদ্বেয় সম্পাদককে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে, তারা হলেন সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদ, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ও যায় যায় দিনের সাবেক সম্পাদক শফিক রেহমান। অসংখ্য নেতাকর্মীকে নির্যাতন হয়রানি করছে ও আজকের সাংবাদিকদের প্রতি নির্যাতন করা হচ্ছে। আজকের সংবাদপত্র স্বাধীনতা, ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা, কথা বলার স্বাধীনতা, কোনটাই নেই দেশে।

তিনি বলেন, সরকার আবারও একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার জন্য সব গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে নাই। কিন্তু রাজনৈতিক দলের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। তারা সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। তারা আবারও একটা নতুন নির্বাচনের পায়তারা করতেছে। ১৪ ও ১৮ সালের মতো রাতে ভোট করে ক্ষমতা থাকতে চায়। কিন্তু সেটি এদেশে জনগণ হতে দেবে না।

মহাসচিব বলেন, আমরা দশ দফা দিয়েছি। সেখানে বলেছি, এই সংসদ কে বিলুপ্ত করতে হবে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করবে। জনগণের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠিত হবে। নির্বাচনে যদি বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয় । তার মাধ্যমে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে। এরমধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের কাঠামো মেরামত করা হবে। কারণ বর্তমান সরকার সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে।

এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, সদস্য সচিব আমিনুল হকসহ দলটির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।