ঢাকা , শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বেইলি রোডে অগ্নিকান্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬, দগ্ধরাও সংকটাপন্ন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo সাত প্রতিমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ Logo আলো ঝলমলে রাতে বিপিএলের চ্যাম্পিয়ন বরিশাল Logo ফতুল্লায় নাসিম ওসমান স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ Logo সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় ফুট ওভার ব্রীজ হকার মুক্ত করলেন এম পি কাউসার হাসনাত Logo নাঃগঞ্জে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বইমেলায় কবিদের উত্তরীয় দিয়ে বরণ Logo সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার হাউজ স্কুলে ভর্তি বানিজ্য, ভর্তিতে অনিশ্চিত জমজ শিশু, প্রধান প্রকৌশলীর বদলির দাবি Logo উপজেলা নির্বাচনে সবার সহযোগিতা ও দোয়া চাইলেন মাকসুদ চেয়ারম্যান Logo বৃহত্তম মদনগঞ্জ পেশাজীবি শ্রমিক কল্যান সংগঠন’র ৫ ম বারের মতো বিনামূল্যে সুন্নতে খাৎনা অনুষ্ঠিত Logo বন্দরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা ও স্বামী গুরুত্বর জখমের ঘটনায় মা ও ছেলে আটক

আড়াইহাজারে পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা

আড়াইহাজারে নিজ বাড়ির ভাড়াটিয়া মহিলার সাথে পরকীয়ার জের এবং ওই নারীকে বিয়ে করতে না দেয়ায় স্ত্রী নাজমা আক্তারকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে পাষন্ড স্বামী আমিরের বিরুদ্ধে।

 

হত্যার পর অভিযুক্ত ঘাতকসহ সবাই পালিয়ে গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ মে) সকাল ১০টায় উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের দুপ্তারা মধ্যপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত নাজমা আক্তার ওই গ্রামের মো. ছিদ্দিক মিয়ার মেয়ে। অভিযুক্ত ঘাতক পাষন্ড স্বামী আমির হোসেন একই এলাকার মোতালিবের ছেলে।

 

নিহতের ভাই রোহেন নবী জানান, আমিরের সঙ্গে আমার বোন নাজমার ২৫/২৬ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের ৩টি সন্তান রয়েছে। আমির মালয়েশিয়া প্রবাস থেকে ৩/৪ মাস আগে দেশে এসে তারই বাড়ীর এক মহিলা ভাড়াটিয়ার সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে। ঘটনা জানাজানি হলে আমার বোন তাতে বাঁধা দেয়। এ নিয়ে প্রায় সময় তাদের মধ্যে কলহ হতো।

ঘটনার দিন সকাল ১০টায় আমির ওই ভাড়াটিয়া মহিলাকে বিয়ে করবে বলে আমার বোনকে জানায়। তখন আমার বোন তাতে রাজী না হলে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ওই সময় আমির আমার বোনকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ঘরে ফেলে রেখে তার পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে যায়।

 

আমরা লোক মারফত সংবাদ পেয়ে আমার বোনকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশে সংবাদ দেই।

আড়াইহাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়না তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে। এর আগে কিছু বলা যাচ্ছে না।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

বেইলি রোডে অগ্নিকান্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬, দগ্ধরাও সংকটাপন্ন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আড়াইহাজারে পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৩:৪১:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ মে ২০২৩

আড়াইহাজারে নিজ বাড়ির ভাড়াটিয়া মহিলার সাথে পরকীয়ার জের এবং ওই নারীকে বিয়ে করতে না দেয়ায় স্ত্রী নাজমা আক্তারকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে পাষন্ড স্বামী আমিরের বিরুদ্ধে।

 

হত্যার পর অভিযুক্ত ঘাতকসহ সবাই পালিয়ে গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ মে) সকাল ১০টায় উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের দুপ্তারা মধ্যপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত নাজমা আক্তার ওই গ্রামের মো. ছিদ্দিক মিয়ার মেয়ে। অভিযুক্ত ঘাতক পাষন্ড স্বামী আমির হোসেন একই এলাকার মোতালিবের ছেলে।

 

নিহতের ভাই রোহেন নবী জানান, আমিরের সঙ্গে আমার বোন নাজমার ২৫/২৬ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের ৩টি সন্তান রয়েছে। আমির মালয়েশিয়া প্রবাস থেকে ৩/৪ মাস আগে দেশে এসে তারই বাড়ীর এক মহিলা ভাড়াটিয়ার সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে। ঘটনা জানাজানি হলে আমার বোন তাতে বাঁধা দেয়। এ নিয়ে প্রায় সময় তাদের মধ্যে কলহ হতো।

ঘটনার দিন সকাল ১০টায় আমির ওই ভাড়াটিয়া মহিলাকে বিয়ে করবে বলে আমার বোনকে জানায়। তখন আমার বোন তাতে রাজী না হলে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ওই সময় আমির আমার বোনকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ঘরে ফেলে রেখে তার পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে যায়।

 

আমরা লোক মারফত সংবাদ পেয়ে আমার বোনকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশে সংবাদ দেই।

আড়াইহাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়না তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে। এর আগে কিছু বলা যাচ্ছে না।