ঢাকা , বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অস্ত্র হাতে ব্যবসায়ীর হামলার ভিডিও ভাইরাল

ঝালকাঠিতে ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরে সাবিহা কেমিক্যাল ওয়ার্কস নামে একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক শামীম আহমেদের অস্ত্র হাতে হামলার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অস্ত্র হাতে ছোট ভাইয়ের বাড়িতে ঢুকে তার গাড়ি ভাঙচুর ও ম্যানেজারকে মারধর করার এই ভিডিওটি এখন ঝালকাঠি শহরে টক অব দ্য টাউন। বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টায় শহরের পূর্ব কাঠপট্টি রোডের শাহি মহলে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ছোট ভাই আরিফুল হক সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শামীম ঝালকাঠির বাইরে রয়েছেন। শামীম ওই এলাকার মৃত হাজী শাহাবুদ্দিন মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় শামীমসহ দুলাল খলিফা ও আসাদুজ্জামান জামাল নামে অপর দুই জনকে আসামি করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ আরিফুল হক উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত শামীম আহমেদ আমার বড় ভাই। তার সঙ্গে আমার ব্যবসায়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের জের ধরে ১নং আসামি প্রায়ই আমাকে মারধর করাসহ ক্ষয়ক্ষতি করার পাঁয়তারা করছে। ঘটনার দিন ২৯ ডিসেম্বর বেলা আনুমানিক ১১টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠি থানাধীন পূর্ব কাঠপট্টি এলাকায় শামসুল হক মনুর শাহী মহল নামক বাড়ির সামনে গেটের মধ্যে আসামি শামীম আমার ম্যানেজার ১নং সাক্ষী মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখে তার কাছে ১০ লাখ টাকা চায়। ১নং সাক্ষী টাকা দিতে অস্বীকার করলে শামীম ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য গালমন্দ করে। একপর্যায়ে শামীম তার ব্যবহৃত পিস্তল দিয়ে মিঠুনকে হত্যা করার হুমকি দেন। শামীম ঘটনাস্থলের পাশে থাকা আমার ব্যবহৃত গাড়ি ভাঙচুর করে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি করে এব ওখানে থাকা সাক্ষীদের মারধর করে। এ সময় আসামি দুলাল খলিফা ও আসামি আসাদুজ্জামান জামাল ঘটনাস্থলের পাশে উপস্থিত থেকে উসকানি দেয়।

অভিযোগে আরিফ আরও উল্লেখ করেন, আসামিরা তার অফিসের ড্রয়ার ভেঙে নগদ ৭ লাখ টাকা নিয়ে যায়। এ ছাড়া শামীম আহমেদ তার মেসেঞ্জারে বাড়িতে হামলার করার হুমকি দেয়।

এদিকে, বিষয়টি ভাইরাল হলেও এ ঘটনায় রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মামলা নেয়নি পুলিশ। এ ব্যাপারে ঝালকাঠি সদর থানার ওসি নাসির উদ্দিন সরকার বলেন, ‘এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অভিযোগের বিষয় জানতে শামীম আহমেদের ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে তার পক্ষে একটি সূত্র জানায়, বিষয়টি দুই ভাইয়ের মধ্যে মীমাংসা হয়েছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

অস্ত্র হাতে ব্যবসায়ীর হামলার ভিডিও ভাইরাল

আপডেট সময় ০৩:৪৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জানুয়ারী ২০২৩

ঝালকাঠিতে ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরে সাবিহা কেমিক্যাল ওয়ার্কস নামে একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক শামীম আহমেদের অস্ত্র হাতে হামলার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অস্ত্র হাতে ছোট ভাইয়ের বাড়িতে ঢুকে তার গাড়ি ভাঙচুর ও ম্যানেজারকে মারধর করার এই ভিডিওটি এখন ঝালকাঠি শহরে টক অব দ্য টাউন। বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টায় শহরের পূর্ব কাঠপট্টি রোডের শাহি মহলে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ছোট ভাই আরিফুল হক সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শামীম ঝালকাঠির বাইরে রয়েছেন। শামীম ওই এলাকার মৃত হাজী শাহাবুদ্দিন মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় শামীমসহ দুলাল খলিফা ও আসাদুজ্জামান জামাল নামে অপর দুই জনকে আসামি করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ আরিফুল হক উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত শামীম আহমেদ আমার বড় ভাই। তার সঙ্গে আমার ব্যবসায়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের জের ধরে ১নং আসামি প্রায়ই আমাকে মারধর করাসহ ক্ষয়ক্ষতি করার পাঁয়তারা করছে। ঘটনার দিন ২৯ ডিসেম্বর বেলা আনুমানিক ১১টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠি থানাধীন পূর্ব কাঠপট্টি এলাকায় শামসুল হক মনুর শাহী মহল নামক বাড়ির সামনে গেটের মধ্যে আসামি শামীম আমার ম্যানেজার ১নং সাক্ষী মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখে তার কাছে ১০ লাখ টাকা চায়। ১নং সাক্ষী টাকা দিতে অস্বীকার করলে শামীম ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য গালমন্দ করে। একপর্যায়ে শামীম তার ব্যবহৃত পিস্তল দিয়ে মিঠুনকে হত্যা করার হুমকি দেন। শামীম ঘটনাস্থলের পাশে থাকা আমার ব্যবহৃত গাড়ি ভাঙচুর করে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি করে এব ওখানে থাকা সাক্ষীদের মারধর করে। এ সময় আসামি দুলাল খলিফা ও আসামি আসাদুজ্জামান জামাল ঘটনাস্থলের পাশে উপস্থিত থেকে উসকানি দেয়।

অভিযোগে আরিফ আরও উল্লেখ করেন, আসামিরা তার অফিসের ড্রয়ার ভেঙে নগদ ৭ লাখ টাকা নিয়ে যায়। এ ছাড়া শামীম আহমেদ তার মেসেঞ্জারে বাড়িতে হামলার করার হুমকি দেয়।

এদিকে, বিষয়টি ভাইরাল হলেও এ ঘটনায় রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মামলা নেয়নি পুলিশ। এ ব্যাপারে ঝালকাঠি সদর থানার ওসি নাসির উদ্দিন সরকার বলেন, ‘এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অভিযোগের বিষয় জানতে শামীম আহমেদের ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে তার পক্ষে একটি সূত্র জানায়, বিষয়টি দুই ভাইয়ের মধ্যে মীমাংসা হয়েছে।