ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বন্দরে শ্লীলতাহানির ভিডিও ধারণ করে যুবতীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার Logo আড়াইহাজারে রেস্টুরেন্ট থেকে অপত্তিকর অবস্থায় ১৬ কিশোর কিশোরী আটক Logo সোনারগাঁয়ে ট্রাক চাপায় যুবক নিহত, চালক আটক Logo সোনারগাঁয়ের আলোচিত সাধন মিয়া হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদন্ড ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo বন্দর ১নং খেয়াঘাট মাঝি সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন Logo আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে মাকসুদ চেয়ারম্যান’র মত বিনিময় সভা ও উঠান বৈঠক Logo না’গঞ্জ জেলা জা’পা সভাপতি সানুর নাম ভাঙ্গিয়ে সুমন প্রধানের অপকর্ম রুখবে কে? Logo হুথিদের হামলায় লোহিত সাগরে ডুবে গেল সেই জাহাজ Logo রাতের লাইভের নেপথ্যের কারণ জানালেন তাহসান-ফারিণ Logo যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে গ্রেফতারে আইনের যা বিধান

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা (আইসিটি) আইনের মামলায় শনিবার (১৮ মার্চ) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। পরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫-এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেনের আদালতে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে নেওয়ার পর জানানো হয় মাহিয়া মাহি ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ জন্য তার রিমান্ড চাওয়া হয়নি। পরে অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি আদালতের বিচারকের সামনে আবার উত্থাপন করেন মাহির আইনজীবীরা। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে দুই মামলায় তাকে জামিন দেন আদালত।

একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া কী এবং আইনে কী বিধান আছে; গ্রেফতারের পর তার কী কী সুযোগ-সুবিধা আছে কিংবা তাকে কারাগারে পাঠানো হলে অন্য বন্দিদের চেয়ে আলাদা কী সুবিধা প্রাপ্য হবেন, এসব বিষয়ে এই প্রতিবেদকের কথা হয় বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের সঙ্গে।

জানতে চাইলে মানবাধিকার সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (ফ্ল্যাড) চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ বলেন, ‘কোনও অন্তঃসত্ত্বা নারীকে গ্রেফতারের সময় অনেক বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। যদিও গ্রেফতার বিষয়ে আমাদের দণ্ডবিধিতে তেমন কোনও বিধান নেই।’

ফাওজিয়া করিম আরও বলেন, ‘একই সঙ্গে অন্তঃসত্ত্বা নারী আসামি যদি কারাগারে থাকেন, তবে সে ক্ষেত্রে তাকে সব সময় চিকিৎসকের পরামর্শসহ সব চিকিৎসা-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানিয়েছেন আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ।

বিভিন্ন অপরাধে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে কারাগারে পাঠানোর অনেক নজির রয়েছে জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানজিলা রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গুরুতর অপরাধ না করলে অন্তঃসত্ত্বা নারীর জামিন বিবেচনা করতে আইনে স্পষ্টভাবে বলা আছে।’

তানজিলা রহমান আরও বলেন, ‘তবে কোনও কারণে তাকে কারাগারে পাঠানো হলে বন্দি অন্যান্য আসামির থেকে অন্তঃসত্ত্বা নারী আসামির বেশি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। তার চিকিৎসার বিষয়টি সার্বক্ষণিক কারা কর্তৃপক্ষকে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রয়োজন মনে করলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেও চিকিৎসা দিতে হবে।’

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্দরে শ্লীলতাহানির ভিডিও ধারণ করে যুবতীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে গ্রেফতারে আইনের যা বিধান

আপডেট সময় ০৪:৪০:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মার্চ ২০২৩

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা (আইসিটি) আইনের মামলায় শনিবার (১৮ মার্চ) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। পরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫-এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেনের আদালতে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে নেওয়ার পর জানানো হয় মাহিয়া মাহি ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ জন্য তার রিমান্ড চাওয়া হয়নি। পরে অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি আদালতের বিচারকের সামনে আবার উত্থাপন করেন মাহির আইনজীবীরা। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে দুই মামলায় তাকে জামিন দেন আদালত।

একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া কী এবং আইনে কী বিধান আছে; গ্রেফতারের পর তার কী কী সুযোগ-সুবিধা আছে কিংবা তাকে কারাগারে পাঠানো হলে অন্য বন্দিদের চেয়ে আলাদা কী সুবিধা প্রাপ্য হবেন, এসব বিষয়ে এই প্রতিবেদকের কথা হয় বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের সঙ্গে।

জানতে চাইলে মানবাধিকার সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (ফ্ল্যাড) চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ বলেন, ‘কোনও অন্তঃসত্ত্বা নারীকে গ্রেফতারের সময় অনেক বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। যদিও গ্রেফতার বিষয়ে আমাদের দণ্ডবিধিতে তেমন কোনও বিধান নেই।’

ফাওজিয়া করিম আরও বলেন, ‘একই সঙ্গে অন্তঃসত্ত্বা নারী আসামি যদি কারাগারে থাকেন, তবে সে ক্ষেত্রে তাকে সব সময় চিকিৎসকের পরামর্শসহ সব চিকিৎসা-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানিয়েছেন আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ।

বিভিন্ন অপরাধে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে কারাগারে পাঠানোর অনেক নজির রয়েছে জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানজিলা রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গুরুতর অপরাধ না করলে অন্তঃসত্ত্বা নারীর জামিন বিবেচনা করতে আইনে স্পষ্টভাবে বলা আছে।’

তানজিলা রহমান আরও বলেন, ‘তবে কোনও কারণে তাকে কারাগারে পাঠানো হলে বন্দি অন্যান্য আসামির থেকে অন্তঃসত্ত্বা নারী আসামির বেশি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। তার চিকিৎসার বিষয়টি সার্বক্ষণিক কারা কর্তৃপক্ষকে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রয়োজন মনে করলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেও চিকিৎসা দিতে হবে।’