ঢাকা , রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নুর ও ৫ সেনাসদস্যসহ আহত শতাধিক: জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকারের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষ Logo সিদ্ধিরগঞ্জে নারী মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ২, ইয়াবা উদ্ধার Logo ঐক্যবদ্ধ নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলার আহ্বান রাজনৈতিক দলগুলোর Logo নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করবে যারা, তাদের ছাড নয় : মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী Logo মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পে হামলার ঘটনায় রিপন ডাকাতসহ ৩ জন গ্রেফতার Logo গজারিয়ায় ভূমি অফিসের কানুনগো মাসউদ আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ Logo বন্দরে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মিছিল Logo পিরোজপুর ইউনিয়নে ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ Logo আর্জেন্টিনার স্কোয়াড ঘোষণা, প্রাথমিক দলের দুজন বাদ Logo ‘দুই বাচ্চার মা’ বলে দেবের মন্তব্য, ধুয়ে দিলেন শুভশ্রী

হার্ট ভালো রাখতে যে খাবার দূরে রাখবেন

শীতকাল এলেই বেড়ে যায় হার্ট সংক্রান্ত একাধিক সমস্যা। আবহাওয়ার পারদ নিচে নামতে শুরু করলে উচ্চ রক্তচাপ যাদের, তাদের অনেকেরই শরীরে রক্ত গাঢ় হয়ে যাওয়া কিংবা জমাট বাঁধার মতো সমস্যা দেখা দেয়। আর এই সব কারণে শীতকালে কয়েকগুণ বেড়ে যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা। তাই শীতের মৌসুমে হার্ট নিয়ে বাড়তি সাবধানতা অবলম্বনের প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রথম এবং অত্যন্ত জরুরি পদক্ষেপ হলো নিত্যদিনের খাদ্যতালিকা থেকে এসব খাবার বাদ দেওয়া।

ময়দা
ময়দা খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও বাড়ে। তাই শীতকালে ময়দার তৈরি খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

রিফাইনড অয়েল
এই তেলও বেশি খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা। তাই রিফাইনড অয়েল যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

চিনি
চিনি খেলে ধমনিতে সংকোচনের কারণে রক্ত সঞ্চালনে বাধা সৃষ্টি হয়। তাই শীতকালে মিষ্টি খাওয়ার কারণে ডায়াবেটিস ও হার্ট অ্যাটাক দুটোর আশঙ্কাই বেড়ে যায়।

লবণ
বেশি লবণ খেলে ব্লাড প্রেশার বাড়ে। তাই শীতকালে বেশি লবণ খাওয়ার অভ্যাস ডেকে আনতে পারে হার্ট ফেল ও হার্ট অ্যাটাকের মতো বড় বিপদ।

সোডা
সোডাতে অন্যান্য রাসায়নিক থাকে। এর ফলে সোডা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। তাই এই জাতীয় খাবার আর পানীয় শরীরে যাওয়ায় ব্লাড প্রেশার ও সুগারের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বিফ
বিফে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটের মাত্রা খুব বেশি থাকে। তাই এই জাতীয় খাবার খেলে শরীরে হার্টের সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায় কয়েক গুণ।

এনার্জি ড্রিংকস
এনার্জি ড্রিংকসে টরাইনের মতো ন্যাচারাল এনার্জি বুস্টারের মাত্রা বেশি থাকে। তাই এগুলো খেলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। আর এভাবে আচমকা হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকারক।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

নুর ও ৫ সেনাসদস্যসহ আহত শতাধিক: জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকারের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষ

হার্ট ভালো রাখতে যে খাবার দূরে রাখবেন

আপডেট সময় ১০:০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

শীতকাল এলেই বেড়ে যায় হার্ট সংক্রান্ত একাধিক সমস্যা। আবহাওয়ার পারদ নিচে নামতে শুরু করলে উচ্চ রক্তচাপ যাদের, তাদের অনেকেরই শরীরে রক্ত গাঢ় হয়ে যাওয়া কিংবা জমাট বাঁধার মতো সমস্যা দেখা দেয়। আর এই সব কারণে শীতকালে কয়েকগুণ বেড়ে যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা। তাই শীতের মৌসুমে হার্ট নিয়ে বাড়তি সাবধানতা অবলম্বনের প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রথম এবং অত্যন্ত জরুরি পদক্ষেপ হলো নিত্যদিনের খাদ্যতালিকা থেকে এসব খাবার বাদ দেওয়া।

ময়দা
ময়দা খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও বাড়ে। তাই শীতকালে ময়দার তৈরি খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

রিফাইনড অয়েল
এই তেলও বেশি খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা। তাই রিফাইনড অয়েল যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

চিনি
চিনি খেলে ধমনিতে সংকোচনের কারণে রক্ত সঞ্চালনে বাধা সৃষ্টি হয়। তাই শীতকালে মিষ্টি খাওয়ার কারণে ডায়াবেটিস ও হার্ট অ্যাটাক দুটোর আশঙ্কাই বেড়ে যায়।

লবণ
বেশি লবণ খেলে ব্লাড প্রেশার বাড়ে। তাই শীতকালে বেশি লবণ খাওয়ার অভ্যাস ডেকে আনতে পারে হার্ট ফেল ও হার্ট অ্যাটাকের মতো বড় বিপদ।

সোডা
সোডাতে অন্যান্য রাসায়নিক থাকে। এর ফলে সোডা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। তাই এই জাতীয় খাবার আর পানীয় শরীরে যাওয়ায় ব্লাড প্রেশার ও সুগারের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বিফ
বিফে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটের মাত্রা খুব বেশি থাকে। তাই এই জাতীয় খাবার খেলে শরীরে হার্টের সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায় কয়েক গুণ।

এনার্জি ড্রিংকস
এনার্জি ড্রিংকসে টরাইনের মতো ন্যাচারাল এনার্জি বুস্টারের মাত্রা বেশি থাকে। তাই এগুলো খেলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। আর এভাবে আচমকা হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকারক।