ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

সাত বছর আগে ঢাকার দোহার থানাধীন এলাকায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা দায়ে আসামি জিয়াউর রহমান (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আসামির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার টাকা আদায় করে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সকালে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সি মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতার পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ)।

সাজাপ্রাপ্ত আসামি জিয়াউর রহমান ঢাকা জেলার দোহার থানার বানাঘাটা গ্রামের শেখ সোনা মিয়ার ছেলে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২১ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে তাদের বাড়ির পাশে সবজি ক্ষেত্রে সবজি আনতে যায়। ফেরার পথে আসামি জিয়াউর রহমান পার্শ্ববর্তী ধইঞ্চা ক্ষেতে নিয়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে এবং ধারালো অস্ত্র (চাকু) দিয়ে ভিকটিমের গলা কেটে হত্যা করে। ওই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা দোহার থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

২০১৯ সালের ১২ মার্চ মামলাটি তদন্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট থানার উপপরিদর্শক সৈয়দ মেহেদী হাসান আসামিকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

Rudra Kantho24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ১২:১৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

সাত বছর আগে ঢাকার দোহার থানাধীন এলাকায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা দায়ে আসামি জিয়াউর রহমান (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আসামির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার টাকা আদায় করে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সকালে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সি মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতার পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ)।

সাজাপ্রাপ্ত আসামি জিয়াউর রহমান ঢাকা জেলার দোহার থানার বানাঘাটা গ্রামের শেখ সোনা মিয়ার ছেলে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২১ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে তাদের বাড়ির পাশে সবজি ক্ষেত্রে সবজি আনতে যায়। ফেরার পথে আসামি জিয়াউর রহমান পার্শ্ববর্তী ধইঞ্চা ক্ষেতে নিয়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে এবং ধারালো অস্ত্র (চাকু) দিয়ে ভিকটিমের গলা কেটে হত্যা করে। ওই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা দোহার থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

২০১৯ সালের ১২ মার্চ মামলাটি তদন্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট থানার উপপরিদর্শক সৈয়দ মেহেদী হাসান আসামিকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।