ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পদ্মায় ধরা পড়া ২৭ কেজির বাঘাইড় ৩৫ হাজারে বিক্রি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে জেলের জালে ২৭ কেজি ওজনের একটি বাঘাইড় ধরা পড়েছে। গতকাল রোববার ভোর ৫টার দিকে উপজেলার দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার পদ্মা নদীতে জেলে নুরাল হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে বলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহ মো. শাহারিয়ার জামান। জেলে নুরাল হালদার বলেন, ভোরে তিনিসহ কয়েকজন পদ্মা নদীতে মাছ শিকারে যান। নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে জাল ফেলেও মাছের দেখা পাচ্ছিলেন না তারা। এক পর্যায়ে দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় জাল ফেলেন। সেখান থেকে জাল তোলার সময় কয়েক বার বড় ঝাঁকুনিতে বুঝতে পারেন বড় কোনো মাছ আটকা পড়েছে। জাল টেনে নৌকায় তুলতেই জালে বড় একটি বাঘাইড় মাছ আটকে থাকতে দেখা যায়। পরে দৌলতদিয়া মাছ বাজারের আড়তদার কেসমত মোল্লার ঘরে মাছটি ওজন করে ২৭ কেজি দেখা যায়। পরে সেখানে মাছটি প্রকাশ্য নিলামে তোলা হলে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ৫ নম্বর ফেরি ঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা কিনে নেন বলে জানান নুরাল। চান্দু মোল্লা বলেন, “১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে মোট ৩৫ হাজার ১০০ টাকায় মাছটি কিনে নেই। মাছটি বিক্রির জন্য মোবাইল ফোনে বিভিন্ন জায়গা যোগাযোগ করা হচ্ছে।” গোয়ালন্দ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা শাহ মো. শাহারিয়ার জামান বলেন, “পদ্মা নদীতে পানি কমে যাওয়ায় মাঝে মাঝেই বড় বড় রুই, কাতল, বোয়াল, পাঙ্গাস, বাঘাইড়সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ জেলেদের জালে আটকা পড়ছে। “এ সব মাছের বিচরণ গভীর জলে। খাবারের সন্ধানে তারা ওপরে চলে আসলে জালে আটকা পড়ে।” বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী বিপন্ন প্রাণী ধরা বা কেনাবেচা দÐণীয় অপরাধ। এ অপরাধে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদÐ অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দÐের বিধান রয়েছে।

 

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

পদ্মায় ধরা পড়া ২৭ কেজির বাঘাইড় ৩৫ হাজারে বিক্রি

আপডেট সময় ০৩:৪১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে জেলের জালে ২৭ কেজি ওজনের একটি বাঘাইড় ধরা পড়েছে। গতকাল রোববার ভোর ৫টার দিকে উপজেলার দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার পদ্মা নদীতে জেলে নুরাল হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে বলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহ মো. শাহারিয়ার জামান। জেলে নুরাল হালদার বলেন, ভোরে তিনিসহ কয়েকজন পদ্মা নদীতে মাছ শিকারে যান। নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে জাল ফেলেও মাছের দেখা পাচ্ছিলেন না তারা। এক পর্যায়ে দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় জাল ফেলেন। সেখান থেকে জাল তোলার সময় কয়েক বার বড় ঝাঁকুনিতে বুঝতে পারেন বড় কোনো মাছ আটকা পড়েছে। জাল টেনে নৌকায় তুলতেই জালে বড় একটি বাঘাইড় মাছ আটকে থাকতে দেখা যায়। পরে দৌলতদিয়া মাছ বাজারের আড়তদার কেসমত মোল্লার ঘরে মাছটি ওজন করে ২৭ কেজি দেখা যায়। পরে সেখানে মাছটি প্রকাশ্য নিলামে তোলা হলে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ৫ নম্বর ফেরি ঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা কিনে নেন বলে জানান নুরাল। চান্দু মোল্লা বলেন, “১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে মোট ৩৫ হাজার ১০০ টাকায় মাছটি কিনে নেই। মাছটি বিক্রির জন্য মোবাইল ফোনে বিভিন্ন জায়গা যোগাযোগ করা হচ্ছে।” গোয়ালন্দ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা শাহ মো. শাহারিয়ার জামান বলেন, “পদ্মা নদীতে পানি কমে যাওয়ায় মাঝে মাঝেই বড় বড় রুই, কাতল, বোয়াল, পাঙ্গাস, বাঘাইড়সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ জেলেদের জালে আটকা পড়ছে। “এ সব মাছের বিচরণ গভীর জলে। খাবারের সন্ধানে তারা ওপরে চলে আসলে জালে আটকা পড়ে।” বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী বিপন্ন প্রাণী ধরা বা কেনাবেচা দÐণীয় অপরাধ। এ অপরাধে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদÐ অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দÐের বিধান রয়েছে।